প্রচ্ছদ অন্যান্য

বিয়ের পণ হিসাবে বর যা চাইলো তা শুনে `চক্ষু চড়কগাছ` পাত্রীপক্ষের

332
বিয়ের পণ হিসাবে বর যা চাইলো তা শুনে `চক্ষু চড়কগাছ` পাত্রীপক্ষের
পড়া যাবে: < 1 minute

গত শনিবার কনে রশ্মিরেখার সঙ্গে বিয়ে হয় সরোজের । আর পাঁচটা বিয়ের মতো এদিনের অনুষ্ঠানে ব্যান্ড পার্টি, চোখ ঝলসানো আতসবাজির ভেলকি হয়ত দেখা যায়নি । কিন্তু এই বিয়ে গোটা গ্রামবাসীর কাছে দৃষ্টান্ত হয় রইল বলে মনে করছেন নিমন্ত্রিতরা ।

কিছুদিন আগে মহারাষ্ট্রের এক বিয়েতে সব আমন্ত্রিতদের থেকে উপহার হিসাবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বই চেয়েছিলেন । সেইসব বই দিয়ে দরিদ্র ছাত্রদের জন্য একটা পাঠাগার তৈরির পরিকল্পনা করেছে ওই দম্পতি । ক্রমাগত পণ প্রথার বলি হওয়ার ঘটনায় জেরবার এই সমাজে এমন দু’একটা অন্য রকম বিয়ের খবর সত্যিই আশা জাগায় । তবে শেষ পর্যন্ত তিনি পণ হিসাবে কি নিলেন দেখেনিন ।

স্কুল শিক্ষকের ধনুক ভাঙা পণ, বিয়েতে পণ নেবেন না । কিন্তু পণ না দিয়ে ছাড়ার পাত্র নয় কন্যাপক্ষও । তাদের ধারণা, শেষ পর্যন্ত হয়ত পণ না দেওয়ার জন্য মে’য়েকে শ্বশুড়বাড়িতে গঞ্জনা শুনতে হবে ।

কিন্তু মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষক মশাই যে পণ নেবেন না বলে পণ করেছেন । ফলে পণের প্রস্তাবে আত্মম’র্যাদায় আ’ঘাত লাগছে তাঁর । কিন্তু, কিছু তো একটা উপায় বের করতে হবে । শেষ পর্যন্ত ভাবী শ্বশুড়ের মন রাখতে একটা ব্যতিক্রমী উপায় বার করলেন পাত্র । আর স্কুল শিক্ষকের এমন উপায় শুনে রীতিমতো অ’বাক সবাই !

পণ যদি নিতেই হয়, তাহলে ১০০১টি চারা গাছ নেবেন, ভাবী শ্বশুড়ের কাছে সটান এমনটাই দাবি করেন ওড়িশার কেন্দ্রপাড়া জে’লার স্কুল শিক্ষক সরোজ কান্ত বিশ্বল । ছোটো থেকে গাছ ভালবাসেন তিনি । অরণ্যে ঘুড়ে বেড়ানো তাঁর নে’শা । সরোজ বলেন, “বরাবরই পণপ্রথার ঘোরতরো বিরোধী আমি । তাই পণের বদলে তাদের কাছে ফলের গাছের ১০০১টি চারা দাবি করি ।” কিন্তু, মে’য়ের বাড়ির লোক তো ভাবি জামাতার এমন আব্দার শুনে অ’বাক । তবে স্কুল শিক্ষকের এমন সিদ্ধান্তের প্রশংসায় পঞ্চ’মুখ হয়েছেন তাঁরা সকলেই । সরোজের গ্রামেও মুখে মুখে ফিরছে তাঁর বিয়ের কথা ।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।