প্রচ্ছদ আন্তর্জাতিক

পাওয়া গেল সুখবর, করোনাভাইরাসের বিদায় নিয়ে যা জানা গেল

190
পাওয়া গেল সুখবর, করোনাভাইরাসের বিদায় নিয়ে যা জানা গেল
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

করো’নাভাই’রাস এখন ‘হিংস্র বাঘ থেকে বুনো বিড়ালে’ রূপান্তর হয়েছে। ভ্যাকসিন ছাড়াই ভাই’রাসটি নিজ থেকেই শেষ হয়ে যাবে। করো’নায় ইউরোপে মৃ’ত্যুপুরীতে পরিণত হওয়া ইতালির শীর্ষ সংক্রামক ব্যাধি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মাত্তিও বাসেত্তি এমন মন্তব্য করেছেন।

ইতালির সংক্রামক ব্যাধি ক্লিনিক পোলিক্লিনিকো স্যান মা’র্টিনোর প্রধান অধ্যাপক মাত্তিও বাসেত্তি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, গত মাসে ভাই’রাসটি তীব্রতা হারাতে শুরু করেছে। আগে যে রোগীরা এই ভাই’রাসে মা’রা যেতেন এখন তারা সুস্থ হয়ে উঠছেন।

ক্রিটিক্যাল কেয়ার এই বিশেষজ্ঞ বলেন, রোগীর সংখ্যা কমে আসার অর্থ ভাই’রাসটির পুনরায় ফিরে আসা ঠেকাতে ভ্যাকসিনের আর দরকার নাও হতে পারে। ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকার চ্যাডক্স-১এনকোভ-১৯ নামের সম্ভাব্য ভ্যাকসিনটি পাওয়ার লক্ষ্যে ইতালির স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার একটি চুক্তির ঘোষণা দিয়েছেন।

অধ্যাপক মাত্তিও বাসেত্তি বলেন, আমা’র কাছে ক্লিনিক্যাল যে ধারণা রয়েছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে ভাই’রাসটির তীব্রতায় পরিবর্তন এসেছে। মা’র্চ এবং এপ্রিলের শুরুর দিকে ভাই’রাসটির বৈশিষ্ট্য পুরোপুরি ভিন্ন ছিল। ওই সময় জরুরি বিভাগে যারা এসেছিলেন তাদের চিকিৎসা দেয়াটা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছিল। তাদের অক্সিজেন, ভেন্টিলেশনের দরকার ছিল। অনেকে নিউমোনিয়ায় ভুগতেন।

তিনি বলেন, গত চার সপ্তাহে ভাই’রাসটির প্যাটার্নের ভিত্তিতে এই চিত্র পুরোপুরি পাল্টে গেছে। বর্তমানে শ্বা’সযন্ত্রের ট্র্যাক্টের ওপর কম চাপ ফেলছে ভাই’রাসটি। হয়তো ভাই’রাসটির কোনও জেনেটিক মিউটেশনের কারণে এটি হচ্ছে। যদিও এখনও বৈজ্ঞানিকভাবে এটি প্রমাণিত হয়নি। আম’রা এখন রোগটি স’ম্পর্কে আগের চেয়ে বেশি সচেতন ও সামলাতে সক্ষম হয়ে উঠেছি।

বাসেত্তি বলেন, মা’র্চ এবং এপ্রিলে ভাই’রাসটি ‘আগ্রাসী বাঘের’ মতো ছিল, বর্তমানে এটি বুনো বিড়ালে পরিণত হয়েছে। এমনকি ৮০-৯০ বছর বয়সীরাও এখন বিছানায় উঠে বসতে পারছেন। তারা কোনও ধরনের সাহায্য ছাড়াই শ্বা’স নিতে পারছেন। আগে এই রোগীরা দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে মা’রা যেত।

ইতালির এই বিশেষজ্ঞ বলেন, আমা’র মনে হয় ভাই’রাসটি মিউটেশন ঘটিয়েছে। কারণ, ভাই’রাসটির বি’রুদ্ধে আমাদের শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা সাড়া দিচ্ছে। লকডাউন, মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখায় এখন ভাই’রাল লোড কমে গেছে। এটি কেন ভিন্ন ধরনের আচরণ করছে সেটি নিয়ে আমাদের গবেষণা করতে হবে।

তিনি বলেন, হ্যাঁ, সম্ভবত ভ্যাকসিন ছাড়াই ভাই’রাসটি পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে। আমাদের সংক্রমণ এবং সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা কমে এসেছে। এর ফলে ভাই’রাসটি নিজ থেকেই বিদায় নিতে পারে।

ব্রিটেনের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ এবং রুথারফোর্ড হেলথের প্রধান মেডিকেল কর্মক’র্তা অধ্যাপক কারল সিকোরা বলেন, ব্রিটিশ জনগণের শরীরে ভাই’রাসটির বি’রুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা আগের চেয়ে বেড়েছে। নিজ থেকেই ভাই’রাসটি নিঃশেষ হয়ে যেতে পারে।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 20
    Shares