প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয়

করো’না পরিস্থিতি আরও খা’রাপ হচ্ছে চট্টগ্রামে,বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃ’ত্যু

26
করো'না পরিস্থিতি আরও খা'রাপ হচ্ছে চট্টগ্রামে,বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃ'ত্যু
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

চলতি মাসে করো’নাভাই’রাস পরিস্থিতির বেশি অবনতি দেখা যাচ্ছে চট্টগ্রামে। সংক্রমণ ও মৃ’ত্যু দুটিই বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নমুনা পরীক্ষা বাড়লে করো’নাজনিত কভিড-১৯ রোগী শনাক্তের সংখ্যাও বাড়বে। সংক্রমণ বাড়লেও অনেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা’সেবা পাচ্ছে না বলে অ’ভিযোগ উঠেছে।

এদিকে জানা যায়, বন্দরনগর চট্টগ্রামের দামপাড়া এলাকায় প্রথম ৬৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তির শরীরে করো’নাভাই’রাস সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত ৩ এপ্রিল। এর দুই দিন পর ৬ এপ্রিল ওই ব্যক্তির ২৫ বছর বয়সী ছে’লেরও করো’না ধ’রা পড়ে। প্রথম পাঁচ দিনে বাবা-ছে’লে ছাড়া আর কোনো শনাক্ত রোগী ছিল না। কোনো প্রা’ণহানিও ছিল না।

কিন্তু চলতি মাসের ২০-২৪ তারিখ পর্যন্ত পাঁচ দিনে চট্টগ্রাম জে’লায় এক হাজার ১২৬ জনের শরীরে করো’না শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে নগরেই ৭৬০ জন। এ সময়ে মা’রা গেছে ১৬ জন। এর মধ্যে নগরের বাসিন্দা ১২ জন। অন্যরা জে’লার বিভিন্ন উপজে’লার।

প্রথম করো’না শনাক্ত হওয়ার পর গত বুধবার পর্যন্ত ৮৩ দিনে (৩ এপ্রিল থেকে ২৪ জুন) চট্টগ্রামে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা সাত হাজার ২২০। বুধবার এক দিনেই শনাক্ত হয় ২৪১ জন। এ সময়ে প্রা’ণ হারিয়েছে ১৫৫ জন। তাদের মধ্যে নগরে ১২০ জন এবং জে’লার বিভিন্ন উজে’লায় ৩৫ জন। গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

এ তথ্য অনুযায়ী, মোট রোগীর মধ্যে নগরে চার হাজার ৯০৪ জন এবং জে’লার বিভিন্ন উপজে’লায় দুই হাজার ৩১৬ জন। গত বুধবার ১৬ জনসহ ওই দিন পর্যন্ত ৮৯৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। গত পাঁচ দিনে সুস্থ হয়েছে ৩০৫ জন।

দেখা যাচ্ছে, চট্টগ্রামে প্রথম করো’না শনাক্তের পর প্রথম ৩০ দিনে ৭৮ জন এবং এর পরের ৩০ দিনে তিন হাজার ১১৫ জন শনাক্ত হয়। ওই ৬০ দিনে মোট শনাক্তের সংখ্যা তিন হাজার ১৯৩। ওই সময়ে মৃ’ত্যু হয়েছিল ৭৭ জনের। কিন্তু গত ২৩ দিনেই (২-২৪ জুন) শনাক্ত রোগীর সংখ্যা চার হাজার ২৭। এ সময়ে মা’রা গেছে ৭৮ জন।

জানতে চাইলে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বী বলেন, ‘সারা দেশের মতো চট্টগ্রামেও করো’নাভাই’রাসের সংক্রমণ বাড়ছে। চট্টগ্রামে আম’রা দৈনিক ১০০টি নমুনা দিয়ে পরীক্ষা শুরু করেছিলাম। এখন দৈনিক এক হাজার নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে। আম’রা যত বেশি পরীক্ষা করতে পারব ততই বেশি রোগী চিহ্নিত করে আইসোলেশনে নিয়ে আসতে পারব। এতে করে সংক্রমণটা কমবে। তাই আম’রা নমুনা পরীক্ষার ওপর জো’র দিয়েছি।’

এক প্রশ্নের জবাবে সিভিল সার্জন বলেন, ‘আম’রা আস্তে আস্তে পিকের (চূড়া) দিকে যাচ্ছি।’

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।