প্রচ্ছদ উদ্যোক্তা

প্রতিযোগীর ধরণ বুঝে মার্কেটিং!

29
প্রতিযোগীর ধরণ বুঝে মার্কেটিং!
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

প্রতিযোগীর ধরণ বুঝে মার্কেটিং!

ব্যবসা করার জন্য পরিকল্পনা করছেন কিন্তু জানেন না আপনার জন্য মার্কেট থেকে তাড়াতে কোন ধরনের অস্ত্র নিয়ে অপেক্ষা করছে। আবার অনেকেই ব্যবসায় পরিচালনা করছেন কিন্তু প্রতিযোগীদের কৌশলের কাছে কোন ভাবেই ব্যবসায়কে এগিয়ে রাখতে পারছেন না। আপনি সহজ ও সরল ভাবে ব্যবসায় করতে মার্কেটে আসছেন। আর আপনার প্রতিযোগী সেই মার্কেটের দখল নিয়ে অলরেডী ব্যবসা করছে।

একটা কথা আছে অবস্থান কেউ কাউকে করে দেয় না। নিজের অবস্থান নিজেকেই নির্ধারন করে নিতে হয়। প্রতিযোগীর কাছ সহযোগীতার আশা করা বৃথা হবে। আপনার প্রতিযোগীকে অনুসরন না করে কৌশলে বাজার অংশ দখল করতে পারাটা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। আর আপনাকে এজন্য বাজারে থাকা আপনার পন্যের প্রতিযোগী বিশ্লেষন করতে হবে খুব সুক্ষ দৃষ্টিতে।

বাজারে আপনি যে সকল পন্য বিক্রি করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন একই পন্য আগে থেকে অনেকেই বাজারজাত করছে। আপনার থেকে তার অভিজ্ঞ। সে ক্ষেত্রে আপনার পন্যটির অবস্থান খুব সুদৃঢ় হতে হবে। না হলে মার্কেটে প্রবেশের কিছু দিনের মধ্যে আপনাকে বিদায়ের ঘন্টা বাজাতে হবে।

একটি বাজারে বেশ কিছু প্রতিযোগী পাবেন। যাদের একটি পক্ষ বাজারের খুব বড় অংশ দখল করে নিয়ে মার্কেট লিডার হিসেবে বাজারে অবস্থান করছে। তারই খুব কাছাকাছি কোন কোম্পানী বাজারের সেই বড় অংশ দখলকারী মার্কেট লিডারকে পেছনে ফেলার জন্য প্রতিনিয়ত ধাওয়া করছে। সেই সাথে বাজারে আরও কিছু ছোট ছোট কোম্পানীর দেখা পাবেন যারা নীরবে তাদেরকে দেখছে। তাদের কৌশলগুলো পর্যবেক্ষন করছে। সেই সাথে নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করে বাজারে নিজের অবস্থানকে শক্ত করছে।

আরও পড়ুন:  গ্রামে থেকেও করতে পারবেন ১৩ টি লাভজনক ব্যবসা

বাজারে প্রবেশ ও আপনার পন্যের বাজার অবস্থান তৈরীর জন্য মার্কেটে প্রবেশের আগে-পরে বাজার ও প্রতিযোগী বিশ্লেষনের ‍কাজ করতে হবে। আপনি যদি চিন্তা করেন বাজারে দশ বা পনেরটি পন্য বাজারজাত করবেন দেশ ব্যাপী তবে অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে সবকটি পন্যই সব স্থানে সব সপরিমান বাজার অংশ দখল করতে পারবে না। কোন কোন স্থানে এমন হবে যে আপনার কোন একটি পন্য নুন্যতম বিক্রয় নাও হতে পারে। আবার অন্য কোন স্থানে সেই পণ্যেরই ব্যাপক চাহিদা পেয়ে যেতে পারেন।

আপনার প্রতিযোগী আপনার সমজাতীয় পন্য কি দামে বিক্রয় করছে? বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ডিলার অথবা ক্রেতাকে কি কি অফার প্রদান করছে? কোন একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় বাজারে প্রবেশ নিশ্চিত করছে? বিক্রয় পরবর্তী সেবার মান কেমন? ক্রেতা কেন তার পন্যটি বাজারে এসে খুজছে? ক্রেতা কেন সন্তুষ্ট আপনার প্রতিযোগীর পন্যটি ব্যবহার করে? আপনার প্রতিযোগীর পন্য ও আপনার পন্যের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? ক্রেতা যা চায় তা কি আপনার পণ্যে আছে? খুঁজুন প্রশ্নগুলোর উত্তর।

আরও পড়ুন:  ২ লাখ দিয়ে ব্যবসা শুরু করে কয়েক কোটি টাকার মালিক!

মার্কেট থেকে প্রাপ্ত সঠিক উত্তরের বিশ্লেষন করুন এবং সেই হিসেবে আপনার সামর্থ্য বিবেচনা করে কৌশল নির্ধারন করুন। কৌশল নির্ধারনের ক্ষেত্রে একটি বিষয় সব সময় মাথায় রাখবেন। আপনি অন্যের কৌশল কপি বা অনুকরন করবেন না। নিজেই কৌশল উদ্ভাবন করবেন। অন্যদের কৌশল বিচার বিবেচনা করে আপনি ধারনা নিতে পারেন।

বাজারে প্রবেশের নির্ধারিত কৌশল ধরে রাখুন। এক ধাপে নয় কয়েক ধাপে পরিকল্পনা করুন। একটি স্থায়ী পরিকল্পনার সাথে সাথে কয়েকটি অস্থায়ী পরিকল্পনা করে রাখুন। সততার সাথে সুনাম অর্জনের জন্য ব্যবসা পরিচালনা করুন। আপনার পন্যকে ব্রান্ডে পরিনত করতে খুব বেশী সময় লাগবে না।

লেখক:
মোঃ মাসুদুর রহমান মাসুদ
উদ্যোক্তার খোঁজে ডটকম।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।