প্রচ্ছদ ধর্ম ও জীবন

আল্লাহর কী’’ রহমত, ম’সজিদটি মাটির তৈরি অথচ যুগ যুগ ধরে অক্ষত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে

17
আল্লাহর কী'’ রহমত, ম’সজিদটি মাটির তৈরি অথচ যুগ যুগ ধরে অক্ষত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে

পড়া যাবে: 2 মিনিটে

সৃষ্টিক’র্তার সবচেয়ে পছন্দের ঘর হচ্ছে ম’সজিদ। আর এই ম’সজিদ হচ্ছে মু’সলমানদের উপাসনার অন্যতম স্থান। মহান সৃষ্টিক’র্তার সন্তুষ্টি লাভের জন্য ম’সজিদে গিয়ে মু’সলমানরা উপাসনা করে থাকে। আর তাইতো পৃথিবীর জোড়া কত রকম সৌন্দর্য্যপূর্ণ ম’সজিদ রয়েছে।

আধুনিক কারুকার্যে এসব ম’সজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। ম’সজিদ দেখে শুধু মু’সলমানরাই নয় ভিন্ন ধ’র্মাবলম্বিরাও অ’ভিভূত হন। স্থাপত্যশৈল্পিক ম’সজিদের খ্যাতি তাইতো বিশ্বজোড়া। এই সৌন্দর্য্য শুধু এখনকার আধুনিকতার জন্য নয়, এটি আদি যুগ হতে হয়ে আসছে। অনেক শত শত বছরের পুরোনো ম’সজিদ রয়েছে স্থাপত্যশৈল্পিক। এগুলো এখনও মানুষকে বিমুগ্ধ করে।

এমন অনেক ম’সজিদের মধ্যে আজ আম’রা দেখবো পৃথিবীর বুকে মাটি দিয়ে তৈরি সবচেয়ে বড় ম’সজিদের করা। অ’ত্যন্ত দারুন কিছু চ’মকপ্রদ তথ্যও রয়েছে এর সঙ্গে। তাহলে আসুন জেনে নিই সবচেয়ে বড় মাটির তৈরি এই ম’সজিদের কথা।

মাটির তৈরি পৃথিবীতে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ম’সজিদটি অবস্থিত আফ্রিকার উত্তরাঞ্চলে ডিজেনি শহরে। এই বড় মাটির ম’সজিদটির নাম ‘গ্র্যান্ড মস্ক অব ডিজেনি’। আর এটিই হল এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে মাটির তৈরি সবচেয়ে বড় ম’সজিদ।

আরও পড়ুন:  পবিত্র ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

তাহলে জেনে নিন ম’সজিদটি প্রথম কবে নির্মাণ করা হয়েছিল সে তথ্য জানা না গেলেও ধারণা করা হয়, ১২শ’ শতাব্দি হতে ১৩শ’ শতাব্দির মাঝামাঝিতে এই ম’সজিদটি নির্মাণ হয়েছিল। শোনা যায় যে, সুলতান কুনবুরু (Kunburu) ধ’র্মান্তরিত হন এবং ইস’লাম ধ’র্ম গ্রহণ করার পর, তার প্রাসাদটি ভেঙ্গে সেখানে এই মাটির ম’সজিদটি নির্মাণ করেন।

জানা যায়, ফরাসী এক পর্যট’ক রেনে ১৮২৮ সালে এই এলাকা সফরের আগ পর্যন্ত এই ম’সজিদটি স’ম্পর্কে লিখিত কোন তথ্যই ছিলনা। রেনে তার সফরশেষে লিখেগিয়েছেন, ডিজেনি শহরে মাটির তৈরি একটি ম’সজিদ রয়েছে। এর দুইপাশে দুটি দর্শনীয় কম উচ্চতার টাওয়ার রয়েছে। শোনা যায়, এরপর থেকেই মূলত এই মাটির তৈরি এই ম’সজিদ স’ম্পর্কে মানুষের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন:  করোনা থেকে বাঁচার উপায় জানালেন কাবা শরীফের ইমাম

ম’সজিদটি ২৪৫ ফুট আয়তনবিশিষ্ট, ৩ ফুট উঁচু ফ্ল্যাটফরমের উপর তৈরি করা হয়েছে। বানি নদীর তীরে এই ম’সজিদটি অবস্থিত। বর্ষাকালে বানি নদীর প্লাবিত পানি হতে ম’সজিদটিকে সুরক্ষা করে থাকে এই ফ্ল্যাটফরম। ম’সজিদের দেয়ালগুলো তাল গাছের কাঠ, যা স্থানীয়ভাবে টরল নামে পরিচিত।

সেগুলো দিয়েই মূলত নকশা তৈরি করা হয়েছে। শুধু নকশাই নয়, তাল গাছের কাঠ ম’সজিদের দেওয়ালে এমনভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে যাতে করে মাটির দেওয়াল সহ’জে ধ্বসে না যায়। প্রতি বছর স্থানীয় মু’সলিম সম্প্রদায়ের উদ্যোগে এই ম’সজিদটির সংস্কার কাজ করা হয়ে থাকে।

আপনি কখনও আফ্রিকা অঞ্চলে বেড়াতে গেলে আফ্রিকার উত্তরাঞ্চলে ডিজেনি শহরে গিয়ে প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক বাহক ‘গ্র্যান্ড মস্ক অব ডিজেনি’ ম’সজিদটি দেখে আসবেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

  • 26
    Shares