প্রচ্ছদ বাংলাদেশ কূটনীতি

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং সমবৃদ্ধিকে ক্ষতিগ্রস্থ করবে

47
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং সমবৃদ্ধিকে ক্ষতিগ্রস্থ করবে
ছবি: সংগৃহীত
পড়া যাবে: < 1 minute

যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগের সাথে একমত পোষণ করে সম্প্রতি পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) বাকস্বাধীনতা দমন এবং অপরাধযোগ্য হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, যা সর্বোপরি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং সমবৃদ্ধিকে ক্ষতিগ্রস্থ করবে।

এক বিবৃতিতে বার্নিকাট বলেন, আমরা তথ্যমন্ত্রী ইনুর গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সাথে ডিএসএ নিয়ে আলোচনার আহ্বানকে স্বাগত জানাই।

 

আমরা বাংলাদেশ সরকারকে উৎসাহিত করি, এ আইনের পরিবর্তন বিবেচনা করতে যাতে এটি বাংলাদেশর সংবিধান এবং মানব, নাগরিক এবং রাজনৈতিক অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।

নৈশভোজে মঈন খানের বাসায় বিদেশি কূটনীতিকরা

আরও পড়ুন:  ভয়াবহ একটি কালো আইন হতে যাচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন

যুক্তরাষ্ট্রে বিদায়ী রাষ্ট্রদূত মার্শা ব্লুম বার্নিকাটের সৌজন্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খানের বাসায় আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতারা। মঙ্গলবার রাতে বিএনপি নেতার গুলশানের বাসায় এই নৈশভোজ হয়।

সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটসহ অন্তত আটটি দেশের কূটনীতিকরা এই নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন। তারা সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত সোয়া ১১টা পর্যন্ত মঈন খানের বাসায় অবস্থান করেন। নৈশভোজে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ এবং জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রবও ছিলেন।

আরও পড়ুন:  প্রিয়া সাহার মি*থ্যাচার নিয়ে যা বললেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

নৈশভোজে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, নেদারল্যান্ডস, নেপাল, ভুটানসহ বেশ কয়েকটি দেশের কূটনীতিকেরা অংশ নেন।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিদেশি কূটনীতিকেরা একে একে মঈন খানের বাসা থেকে বের হন। রাত ১১টার কিছু আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট ওই বাসা থেকে বের হন।

এ সময় সাংবাদিকরা তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি কিছু বলেন নি। রাত সোয়া ১১টার দিকে বাসা থেকে বের হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনিও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নি।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি