প্রচ্ছদ জীবন-যাপন

করো’নাভাই’রাসের ৫ সাধারণ উপসর্গ ,জেনে রাখা জরুরী

65
করো’নাভাই’রাসের ৫ সাধারণ উপসর্গ ,জেনে রাখা জরুরী
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

কিভাবে বোঝা যাবে যে কোনো ব্যক্তি করো’নাভাই’রাসে আ’ক্রান্ত? সর্দি, কাশি হলেই কি ধরে নিতে হবে যে তিনি করো’নাভাই’রাসের শিকার? করো’নাভাই’রাসের উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে সর্দি, কাশি, শুষ্ক গলা ও জ্বর। তবে শুরুতেই এসব উপসর্গ দেখে অনেক সময় বোঝা কঠিন যে এটি ভাই’রাস নাকি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ৷

করোনা ভাই’রাসের সাধারণ লক্ষণগুলো :

জ্বর
শুষ্ক কাশি
শ্বা’সক’ষ্ট
মাংসপেশিতে ব্যথা
ক্লান্তি

করো’না ভাই’রাসের সচরাচর দেখা যায় না এমন লক্ষণগুলো :

কফ তৈরি হওয়া
মা’থাব্যথা
কফে র’ক্ত আসা
ডায়রিয়া

করোনা ভাই’রাসের বিরল লক্ষণগুলো :

সর্দি
গলা ব্যথা
সর্দি এবং গলা ব্যথা হচ্ছে শ্বা’সযন্ত্রের উর্ধাংশের সংক্রমণ৷ ফলে যাদের সর্দি আছে এবং গলাব্যথা করছে তারা সাধারণ কোনো ঠান্ডা বা ফ্লুতে আ’ক্রান্ত বলে ধরে নেয়া যায়৷

শুরুতে অনেকের কোনো লক্ষণই দেয়া যায় না৷

করোনা ভাই’রাসে আ’ক্রান্ত হওয়ার পর প্রাথমিকভাবে অনেকের শ’রীরেই কোনো লক্ষণ দেখা যায় না৷ জার্মান সরকারের রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিরোধ বিষয়ক সংস্থা রবার্ট-কখ্-ইনস্টিটিউটের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই ভাই’রাসটির ইনকিউবেশন পিরিয়ড হচ্ছে ১৪ দিন৷

আপনি যদি অ’সুস্থ বোধ করার পর নিশ্চিত না হন যে কী’’ হয়েছে তাহলে অবশ্যই একজন চি’কিৎসকের শরণাপন্ন হোন৷ একজন চি’কিৎসক আপনার কফ পরীক্ষার পর নিশ্চিত হতে পারবে আপনার ঠিক কী’’ হয়েছে৷

আরও পড়ুন:  রাগী স্বামীকে বশে আনার কিছু টিপস

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, অধিকাংশ ঠান্ডা বা ফ্লু হয় ভাই’রাসের কারণে৷ ফলে সেগুলোর বি’রুদ্ধে ল’ড়তে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার অর্থহীন৷ এন্টিবায়োটিক শুধু ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে কাজে লাগে, ভাই’রাস নয়৷

এন্টিবায়োটিক তখনই কাজে লাগে যখন কারো শ’রীরের দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার সুযোগ নিয়ে ব্যাকটেরিয়া তার শ’রীরে প্রবেশ করে এবং সংখ্যা বৃদ্ধি করতে থাকে৷ আর এভাবে সংক্রমণ সৃষ্টি হতে পারে যা আ’ক্রান্ত ব্যক্তির শ’রীরের অঙ্গপ্রতঙ্গের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে৷ নিউমোনিয়া, টন্সিলে প্রদাহ, সিসটাইটিস বা মেনিনজাইটিস অধিকাংশক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে৷ তাই সেসব রোগের বি’রুদ্ধে ল’ড়াইয়ে এন্টিবায়োটিক প্রয়োজন৷

করো’না যেভাবে ছড়ায়
মোট সাতটি প্রজাতির করো’না ভাই’রাস মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে৷ তার একটি ২০১৯ এন করো’না ভাই’রাস৷ এই ভাই’রাসটি প্রথমে প্রা’ণী থেকে মানুষে এবং এখন তা মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হচ্ছে৷ এটি ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়৷ হাঁচি, কাশি, কফ, থুথু বা আ’ক্রান্ত ব্যক্তির সংস্প’র্শেও এই রোগ ছড়ায়৷

যেসব লক্ষণ দেখা যায়
শ’রীরে নভেল করো’না ভাই’রাস প্রবেশের পর দুই থেকে ১৪ দিনের মধ্যে লক্ষণ দেখা দেয়৷ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রথমে জ্বর হয়৷ এছাড়াও শুকনো কাশি, গলা ব্যথা, শ্বা’সক’ষ্ট, নিউমোনিয়া হতে পারে৷ কারো ডায়াবেটিস, উচ্চ র’ক্তচাপ, শ্বা’সক’ষ্ট, হৃদরোগ, কিডনি সমস্যা, ক্যান্সার থাকলে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিকল হতে পারে৷

আরও পড়ুন:  মে'য়েদের যে ৫ জিনিস আকৃষ্ট করে ছেলেদের

সরকারের নির্দেশনা
কেউ যদি চীন, সিঙ্গাপুর, জা’পান, দক্ষিন কোরিয়া, ইতালি, ই’রান এসব দেশে ভ্রমণ করে থাকেন এবং ফিরে আসার ১৪ দিনের মধ্যে যদি জ্বর-কাশি-গলা-ব্যথা-শ্বা’সক’ষ্ট দেখা দেয়, তাহলে অ’তি দ্রুত আইইডিসিআর-এর হটলাইন নাম্বারে যোগাযোগ করুন এবং কুয়েত-মৈত্রী সরকারি হাসপাতা’লের ডা’ক্তারের পরাম’র্শ নিন৷

আইইডিসিআর-এর হটলাইন
করো’না নিয়ন্ত্রণ কক্ষ- ০১৭০০৭০৫৭৩৭ হটলাইন নাম্বার- নাম্বার: ০১৪০১১৮৪৫৫১, ০১৪০১১৮৪৫৫৪, ০১৪০১১৮৪৫৫৫, ০১৪০১১৮৪৫৫৬, ০১৪০১১৮৪৫৫৯, ০১৪০১১৮৪৫৬০, ০১৪০১১৮৪৫৬৩, ০১৪০১১৮৪৫৬৮, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯৩৭১১০০১১৷

রেসপিরেটরি মাস্ক কি উপকারী?

আসলে না৷ বর্তমান করোনা ভাই’রাস নাক ঝাড়া এবং কাশির মাধ্যমে সংক্রমিত ব্যক্তির দেহ থেকে বের হওয়া ‘ড্রপলেটের’ মাধ্যমে ছড়ায়৷ ফলে, নিরাপদ থাকার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে যারা সংক্রমিত বা সম্ভবত সংক্রমিত, তাদের কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকা৷ সংক্রমণমুক্ত থাকতে সাবান এবং গরম পানি দিয়ে নিয়মিত বিরতিতে হাত ধোয়া অ’ত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ শুধু তাই নয়, সম্ভব হলে হাত ধোয়ার পর তা মুছতে ‘ডিসপোসেবল টাওয়েল’ ব্যবহার করলে ভালো হয়৷

সূত্র : ডয়চে ভেলে

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 2
    Shares