প্রচ্ছদ প্রবাস

সৌদি আরবে অবস্থান করা বাংলাদেশীদের ফেরত পাঠাচ্ছে সৌদি সরকার

66
সৌদি আরবে অবস্থান করা বাংলাদেশীদের ফেরত পাঠাচ্ছে সৌদি সরকার
ছবি : সংগৃহীত
পড়া যাবে: 1 minute

সৌদি আরবে অবস্থান করা বাংলাদেশী শ্রমিকরা আকামায় (কাজের অনুমতিপত্র) উল্লিখিত পেশা ও যে কোম্পানি বা মালিকের অধীনে কাজ করার জন্য নির্দিষ্ট করা আছে, সেখানে কাজ না করে অন্য স্থানে বা অন্য কোনো পেশায় কাজ করায় সৌদি আরব সরকার তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসেবে দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে। সম্প্রতি সৌদি আরব থেকে ১৪৪ জন শ্রমিক দেশে ফিরে আসা প্রসঙ্গে সৌদির বাংলাদেশ দূতাবাস এ তথ্য জানিয়েছে।

জানা গেছে, সম্প্রতি সৌদি আরব সরকার ১২টি পেশায় প্রবাসীদের কাজ করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এসব ক্ষেত্রে কেবল সৌদি আরবের নাগরিকরা কাজ করতে পারবে। প্রবাসীদের জন্য নিষিদ্ধ করা কর্মক্ষেত্রগুলো হলো— ঘড়ির দোকান, চশমার দোকান, ওষুধ সরঞ্জামের দোকান, বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিকস দোকান, প্রাইভেটকারের খুচরা যন্ত্রাংশের দোকান, ভবন নির্মাণের উপাদানের দোকান, কার্পেটের দোকান, অটোমোবাইলের দোকান, ফার্নিচারের দোকান, প্রস্তুতকৃত তৈরি পোশাকের দোকান, শিশু ও পুরুষদের পোশাকের দোকান, চকোলেট ও মিষ্টির দোকান। বর্তমানে যেকোনো অভিবাসীকে উল্লিখিত পেশায় নিয়োজিত পাওয়ামাত্র তাদের অবৈধ বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

গতকাল সৌদির বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ইতোপূর্বে নিষিদ্ধ সবজির দোকানে বাংলাদেশীদের কর্মরত পাওয়া যাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। অবৈধ শ্রমিকদের নিজের দেশে ফেরত পাঠানো সৌদি সরকারের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। আকামা ফি নির্ধারণ সৌদি সরকারের নিজস্ব নীতিগত বিষয়, যা সব বিদেশী শ্রমিকের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। সৌদি আরব সরকার যেকোনো সিদ্ধান্ত কার্যকর করার কমপক্ষে ছয় থেকে ১৮ মাস পূর্বে নোটিস প্রদান করে থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে সৌদি সরকারের সম্পর্ক অত্যন্ত সহযোগিতাপূর্ণ এবং বাংলাদেশের শ্রমিকদের সহায়তা প্রদানে সৌদি সরকার খুবই আন্তরিক ও সহানুভূতিশীল।

সর্বশেষ আপডেট

Loading...

আপনার মতামত লিখুন :

Loading Facebook Comments ...