প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি

কোন পথে হাঁটছে হেফাজত?

24
পড়া যাবে: 1 minute

বাংলা ম্যাগাজিন ডেস্ক:

দেশের অন্যতম কওমি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হাটহাজারী মাদ্রাসার সহযোগী পরিচালক নির্বাচনের জের এখন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশে। হাটহাজারী মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক পদ থেকে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে অ’ব্যাহতি দেওয়ার পর আমির আল্লামা আহমদ শফীর অনুসারীদের মধ্যে বিরো’ধ এখন তুঙ্গে।

সর্বশেষ শফীপুত্র মাওলানা আনাস মাদানির একটি ফোনালাপ ফাঁ’স হয়। ওই ফোনালাপে আনাস মাদানি দাবি করেন জামায়াতের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরীর। এর পর থেকেই ফের দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে।

ওই ফোনালাপ ফাঁ’সের পর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী এক বিবৃতিতে বলেন, অতীত বর্তমান কোনো সময়ই জামায়াতের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল না। বরং বিভিন্ন বয়ানে জামায়াতের ভ্রা’ন্ত আকিদা নিয়ে আমি দেশবাসীকে সচেতন করে আসছি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হেফাজতে ইসলামের এক নেতা বলেন, হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফী ও মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীর বিরো’ধ এখন গোপন কিছুই নয়। এ দুই নেতার অবস্থান দুই মেরুতে। তাদের বিরো’ধে ভেঙে যেতে পারে হেফাজতে ইসলাম।

আরও পড়ুন:  গোটা বাংলাদেশটাই আজ ধর্ষিত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: গয়েশ্বর

জানা যায়, হাটহাজারী মাদ্রাসার সহযোগী পরিচালক হিসেবে প্রবীণ শিক্ষক আল্লামা শেখ আহমদকে ওই মাদ্রাসার মজলিসে শুরা নিয়োগ করলে হেফাজতে ইসলামের আমির ও মহাসচিবের মধ্যকার পুরনো বিরো’ধ ফের চাঙ্গা হয়।

জুনায়েদ বাবুনগরীর অনুসারীদের দাবি, শফীপুত্র ও হেফাজতের প্রচার সম্পাদক আনাস মাদানির চক্রা’ন্তে হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে পদব’ঞ্চিত হয়েছেন বাবুনগরী। যদিও শুরু থেকেই এ অভিযোগ অ’স্বীকার করে আসছেন আনাস মাদানি ও তার অনুসারীরা।

সর্বশেষ কয়েকদিন আগে অচেনা এক বক্তের সঙ্গে আনাস মাদানির একটি ফোনালাপ ফাঁ’স হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ওই ফোনালাপে আনাস মাদানি দাবি করেন, হেফাজত মহাসচিব মাওলানা বাবুনগরী জামায়াতে ইসলামীর এজেন্ট। তিনি জামায়াতের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করেন। জামায়াতের সঙ্গে আঁতাতের কারণে ঢাকা ঘেরাও কর্মসূচিতে হেফাজত নেতা-কর্মীদের মাইর খেতে হয়েছে।

আরও পড়ুন:  ❝সময় থাকতে দুঃসময়ের কর্মীদের মূল্যায়ন করুন❞

এদিকে গত ১ জুলাই হাটহাজারী মাদ্রাসায় জরুরি বৈঠকে বসেন মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষকরা। ওই বৈঠকে মাদ্রাসার সহযোগী পরিচালক আল্লামা শেখ আহমদ, আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, মুফতি আবদুস সালাম, মাওলানা আহমদ দিদার কাসেমীসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সবাই একযোগে কাজ করার মত পোষণ করেন। মাদ্রাসা বিষয়ে নেওয়া শুরা কমিটির সিদ্ধান্ত মেনে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দেন উপস্থিত শিক্ষকরা।

বাংলা ম্যাগাজিন ডেস্ক !

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 4
    Shares