প্রচ্ছদ এক্সক্লুসিভ

যেদিন থেকে কার্যকর ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে জানিয়ে দিলো সিঙ্গাপুর !

31
আপনার একটি শেয়ারের কারণে বেঁচে যেতে পারে মা ও সন্তানের জীবন!
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্রিকাগুলোতে দুইদিন পর খবর বের হয় ভ্যাকসিন চলে আসছে৷ আবার অনেক সোশ্যাল মিডিয়ার ভিডিওতে দে ভ্যাকসিন নাকি এখন হাতের মুঠোয়৷ আসল খবর হলো আগামী বছরের আগে আমরা করোনাভাইরাসে ভ্যাকসিন পাচ্ছি না৷ আজকে সিঙ্গাপুরের স্থানীয় পত্রিকা স্ট্রেইট টাইমসে বলা হয়, বেশ কয়েকটি বিশে’ষজ্ঞ জানিয়েছেন, কার্যকর কোভিড -১৯ এর ভ্যাকসিন পরের বছর শুরুতে পাওয়া যাব’ে।

ডিউক হিউম্যান ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউটের চিফ অপারেটিং অফিসার টমাস ডেনি বলেছেন, “আমাদের মধ্যে বছরের শেষের দিকে কিছুটা ভাল বিজ্ঞান থাকতে পারে এবং আমি মনে করি আমাদের কাছে কিছু শীর্ষস্থানীয় ভ্যাকসিন প্রার্থী রয়েছে,” তবে স্কেল তৈরি ও পরিচালনা করতে আরও বেশি সময় প্রয়োজন লাগবে৷ তিনি সম্প্রতি তিন ডিউক গবেষক দ্বারা আয়োজিত সাম্প্রতিক ওয়েবিনারের সময় বলেছিলেন।

আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ অ্যালার্জি এবং সংক্রামক রোগের পরিচালক ডাঃ অ্যান্টনি ফাউসি বলেছেন যে, এই বছরের শেষের দিকে কোভিড -১৯ টি ভ্যাকসিন কার্যকর করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অন্যরাও তেমন আশাবাদী নয়। ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুকু স্কুল অফ বিজনেসের স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ডেভিড রিডলি বলেছেন, “আপনি এবং আমি এই বছর ভ্যাকসিন পাবো? কোনও উপায় নেই,”

আরও পড়ুন:  মে’য়েকে বিয়ে দিবে বলে ৩ লাখ টাকার জন্য একটি কিডনি বিক্রি করবে অসহায় বাবা

“আমরা সম্ভবত কিছু লোককে এই বছর ভ্যাকসিন দিয়েছি, তবে এই বছর বেশীরভাগ ব্যক্তিকে টিকা দেওয়া হবে না।” ডিউক-এনউএস মেডিকেল স্কুলের উদীয়মান সংক্রামক রোগ প্রোগ্রামের উপপরিচালক অধ্যাপক ওই ইঞ্জি ইওং, একটি ভ্যাকসিন তৈরির জন্য আমেরিকান সংস্থা আর্কটরাস থেরাপিউটিক্সের অংশীদার হয়েছেন।

তিনি বলেন, “আমরা খুব শীঘ্রই এই করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি পাচ্ছি না। তিনি আরও যোগ করেছেন,টিকাদান কতক্ষণ ধরে মানুষকে এই রোগ থেকে রক্ষা করবে তা এখনও পরিষ্কার নয়। “আমরা যদি পর্যায়ক্রমে ভ্যাকসিন ব্যবহারের বিষয়ে চিন্তা করি, খুব সম্ভবত পরের বছর ভ্যাকসিন পেতে পারি৷ তিনি যোগ করেছিলেন।

এর আগে পেলে আমাদের জন্য মঙ্গলজনক। অন্যরা বলেছেন যে, আমরা এই বছরের শেষের দিকে এটি পেতে পারি। আমি একজন আশাবাদী ব্যক্তি, তবে আমি ভ্যাকসিনের ব্যাপারে তেমন আশাবাদী নই। যখন ধ্বংসাত্মক মহামারীটির জন্য একটি ভ্যাকসিন তৈরির কথা আসে তখন সময়টির মূল বিষয়টি থাকে।

আরও পড়ুন:  হঠাৎ তেলাপোকা খুব বেড়ে গেছে? জেনে নিন তেলাপোকা তাড়ানোর কিছু ঘরোয়া উপায়

সুতরাং, ভ্যাকসিনের জন্য যত বেশি প্রার্থী কাজ করে ভ্যাকসিন খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৪০ টি ভ্যাকসিন তৈরি করা হচ্ছে, এর মধ্যে ১৬ টি ক্লিনিকাল ট্রায়াল করা হচ্ছে। প্রফেসর অই বলেন যে, তাঁর দল আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আর্টারাসের সাথে যৌথভাবে কাজ করছে এমন এমআরএনএ ভ্যাকসিনের ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু করার পরিকল্পনা করেছে।

কত দ্রুত ট্রায়াল পরিচালিত ‘হতে পারে তাও নির্ভর করে সেই সময়ে সংক্রমণটির পরিস্থিতির উপর৷ এমনকি যদি ভ্যাকসিনের ট্রায়ালগুলো সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে যায়, তবে আরও অনেক বাধা এখনও রয়েছে, বিশে’ষজ্ঞরা জোর দিয়েছিলেন। – ওমরফারুকী শিপন, সিঙ্গাপুর৷ তথ্য ও ছবি : The Straits Times

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 6
    Shares