প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয়

পশু কিনলে একেবারে কোরবানি দিয়ে বাসায় মাংস পৌঁছে দেয়ার চিন্তা

22
পশু কিনলে একেবারে কোরবানি দিয়ে বাসায় মাংস পৌঁছে দেয়ার চিন্তা
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

করো’নাভাই’রাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এবার অনলাইনের মাধ্যমে কোরবানির পশু কেনার পর নাগরিকদের বাসাবাড়িতে সেই পশুরু মাংস পৌঁছে দেয়ার কথা ভাবছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

অনলাইনে পছন্দের পশু কেনার পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের দিন একেবারে কোরবানি দিয়ে বাসায় পৌঁছে দেয়া হবে এই মাংস। ই-কমা’র্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের মাধ্যমে এমন উদ্যোগ নেয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন সংশ্লিষ্ট বিভাগ এই প্রক্রিয়াটা কী’ভাবে করলে ভালো হবে, কী’ কী’ চ্যালেঞ্জ সামনে আসতে পারে, এসব নিয়ে কাজ করছে।

বিষয়টি নিয়ে আজ (বৃহস্পতিবার) বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, করো’নাভাই’রাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এবার কোরবানির পশুর মাংস বাসা বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার যে উদ্যোগ নিচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, এই কার্যক্রমের সঙ্গে থাকবে ই-কমা’র্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।

ই-কমা’র্স অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে এবার দুই থেকে তিন হাজার কোরবানির পশুর মাংস প্যাকেটজাত করে বাসাবাড়িতে পৌঁছানোর চিন্তা করা হচ্ছে। ৪৫ টা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই কাজটি করবে ই-কমা’র্স অ্যাসোসিয়েশন।

একটি পশু জবাই করে মাংস কা’টার এই পুরো প্রক্রিয়ায় অনেক মানুষকে কাছাকাছি আসতে হয়। যেটা এই সময়ে ঝুঁ’কিপূর্ণ। তাই স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়গুলো মেনে পশু কোরবানি করে মাংস কে’টে ক্রেতার বাড়িতে দিয়ে আসার কথা ভাবা হচ্ছে।

এদিকে কোরবানির পশুর হাটের বিষয়ে এর আগে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইস’লাম বলেন, জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় রেখে রাজধানীর ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এবার কোরবানি পশুর হাট বসাবে না ডিএনসিসি। আমাদের শহরে ঘনবসতিপূর্ণ স্থানে যদি পশুর হাট বসে সেটি কিন্তু জনস্বাস্থ্যের জন্য অ’ত্যন্ত ঝুঁ’কিপূর্ণ। এ জন্য কিছু কিছু সিদ্ধান্ত আমি পরিবর্তন করতে বলেছি। হাট ইজারা দিয়ে হয়ত কোটি টাকা আয় করা যাবে, কিন্তু টাকার চেয়ে মানুষের জীবনের মূল্য অনেক বেশি। তাই আমি তুলনামূলক কম ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় হাট বসানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছি যাতে ব্যাবসায়ীরা পশু বিক্রিও করতে পারে আবার জনস্বাস্থ্যও বিবেচনায় রাখা যায়।

মেয়র বলেন, আমাদের তেজগাঁও, আফতাবনগর, ভাষাণটেক এলাকায় বড় হাট বসে প্রতিবার। সেখান থেকে আমাদের অনেক টাকা আয়ও হত। কিন্তু এ বছর করো’না বিবেচনায় আম’রা এলাকাবাসীর স্বাস্থ্যের কথা ভেবে এই স্থানে হাট বসতে দেব না। এ ছাড়া উত্তরা ১০,১১ ও ১২ এই তিনটি সেক্টরে বড় হাট বসত। গত বছর এই হাটে ইজারা মূল্য পাওয়া গিয়েছিল ৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। কিন্তু এ বছর এখানে আম’রা হাট বসতে দেব না। উত্তরাবাসীর জন্য উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরের বৃন্দাবন এলাকায় বড় হাট বসবে, তারা সেখান থেকে পশু কিনতে পারবেন এবং ওই এলাকায় মানুষের বসবাসও কম।

এ ছাড়া মোহাম্ম’দপুরের বাসিন্দাদের জন্য বসিলায় একটা হাট দেয়া হবে। এ ছাড়াও হাট থাকবে পূর্বাচল ব্রিজ সংলগ্ন মস্তুল ডুমনী ও ১০০ ফুট সড়কের সাইদ নগর এলাকায়, কাউলায়। গাবতলীতে আমাদের স্থায়ী পশুর হাট আছে, সেটি থাকবে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 5
    Shares