প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয়

শীতের আগেই করোনামুক্ত হবে বাংলাদেশ

31
শীতের আগেই করোনামুক্ত হবে বাংলাদেশ
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

অধ্যাপক ড. বিজন কুমা’র শীল একজন বাংলাদেশী অণুজীববিজ্ঞানী। তিনি সার্সের কুইক টেস্টের আবিষ্কারক। গণবিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান বিজ্ঞানী।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের র‌্যাপিড ডট ব্লট কিটেরও উদ্ভাবক তিনি। সম্প্রতি বাংলাদেশে করোনা ভাই’রাসের সর্বশেষ পরিস্থিতি ও ভবিষ্যতসহ নানা বিষয়ে কথা বলতে ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি-এর সঙ্গে মুঠোফোনে যু’ক্ত হয়েছিলেন তিনি। তার সঙ্গে কথা বলেছেন ব্রেকিংনিউজের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট এস এম আতিক হাসান।

ড. বিজন কুমা’র শীল বলেন করো’নার সর্বোচ্চ সংক্রমণ কিংবা সর্বনিম্ন সংক্রমণ নির্ভর করবে এলাকাভিত্তিক। যেমন যু’ক্তরাষ্ট্রে এক প্রদেশে পিক হচ্ছে, আরেক এলাকায় শুরু হচ্ছে। যার জন্য সারা দেশের সর্বোচ্চ সংক্রমণের চিত্র দিতে পারছে না তারা, তবে ইউরোপের দেশগুলো পেরেছিল।

আমা’র মনে হয়, আম’রা ইতোমধ্যে করো’নার পিক টাইমে চলে এসেছি কিংবা কাছাকাছি এসেছি। আমা’র যেটা অ’ভিজ্ঞতা হয়েছে, আপনারা যে পরিমাণ আ’ক্রান্ত দেখেছেন, তার চেয়ে অধিক মানুষ কিন্তু (করো’না থেকে) সেরে উঠেছেন এবং তারা তা জানেন না। তাদের কোনও আইডিয়াই নেই। হয়তো তাদের একটু গা ব্যথা করেছে, হালকা জ্বর হয়েছে, একটু কাশি হয়েছে বা একটু পেটে সমস্যা হয়েছে ইত্যাদি। কিন্তু তারা এখন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

ড. বিজন বলেন যাদের মধ্যে অ্যান্টিবডি (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) এসে গেছে, তারা কিন্তু করো’না ভাই’রাসের প্রাদুর্ভাবকে বন্ধ করে দিতে পারে। কারণ তাদের ভেতরে ভাই’রাস গ্রো করতে (টিকতে বা বেড়ে উঠতে) পারবে না। ভাই’রাস যখনই গ্রো করতে না পারবে, তখন ভাই’রাসের পরিমাণ কমে আসবে। যখনই কমে আসবে, তখনই মানুষ আর আ’ক্রান্ত হবে না। এটা খুব দ্রুত কমে যাবে। কারণ, ঢাকা শহরেই অনেক মানুষের শরীরে অ্যান্টিবডি চলে এসেছে, তারা এই ভাই’রাসকে তৈরি হতে আর সাহায্য করবে না। সঙ্গত কারণেই তখন ভাই’রাসের প্রকোপ কমে যাবে এবং আম’রা সবাই তখন এর থেকে পরিত্রাণ পাব। সংক্রমণটা যত দ্রুত উঠছে তার চেয়ে দ্রুত নেমে যাবে। তবে শূন্যের কাছাকাছি যেতে আরও সময় লাগবে।

আমা’র মনে হয়, শীতের আগেই পরিত্রাণ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় থাকতে পারে। যেসব এলাকায় একেবারে করো’না হয়নি। ঢাকায় পিক আসতে সময় লেগেছে প্রায় চার মাস। নামতে প্রায় ১০ থেকে ১১ সপ্তাহ লাগবে।

বিজন কুমা’র শীল বলেন আম’রা এটা পর্যবেক্ষণ পেয়েছি। একটা পরিবারের স্যাম্পল দেখলাম- প্রথমে একজন পিসিআরে করো’না পজিটিভ ছিল, বাকি ৮ জনের মধ্যে অ্যান্টিবডি চলে এসেছে। হয়তো আপনি অনুভব করেন যে, মা’থাব্যথা হচ্ছে বা একটু পেটে সমস্যা, সামান্য কাশি- পরে সেরে গেছে। এই সংখ্যা কিন্তু বাংলাদেশে এখন অনেক। তারা কিন্তু আমাদের দেশের ভাই’রাসকে ই’রাডিকেট (ধ্বংস) করতে সাহায্য করবে। কারণ এই মানুষগুলোর মধ্যে ভাই’রাস আর গ্রো (টিকতে না পারা) করতে পারবে না। না করতে পারলে ভাই’রাস কিন্তু আস্তে আস্তে বিলীন হয়ে যাবে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।