প্রচ্ছদ অপরাধ

পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী শিক্ষকের বাড়িতে পড়তে গিয়ে অন্তঃসত্ত্বা

35
পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী শিক্ষকের বাড়িতে পড়তে গিয়ে অন্তঃসত্ত্বা
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

বগুড়ার নন্দীগ্রামে হাফেজ রুহুল কুদ্দুসের (৫৫) বাড়িতে আরবি পড়তে গিয়ে ধ’র্ষ’ণের শি’কা’র হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে পঞ্চম শ্রেণির স্কুলছাত্রী (১১)।

অভিযোগে জানা গেছে, জোতদার হাফেজ রুহুল কুদ্দুস নন্দীগ্রাম উপজেলার দারিয়াপুর শাহ্পাড়ায় মৃত অপি প্রামাণিকের ছেলে। সে প্রতিদিন সকালে বাড়িতে গ্রামের শিশুদের আরবি পড়ায়। অন্য শিশুদের সঙ্গে প্রতিবেশীর মেয়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী পড়তে যায়।

প্রায় তিন মাস আগে সকালে হাফেজ রুহুল কুদ্দুস অন্য শিশুদের ছুটি দেয়। ওই ছাত্রীকে পড়া ধরার নামে বসতে বলে। অন্য শিশুরা চলে গেলে হাফেজ রুহুল কুদ্দুস মুখে কাপড় গুজে দিয়ে তাকে ধ’র্ষ’ণ করে।

ধ’র্ষ’ণের কথা প্রকাশ করলে হত্যা করা হবে বলে ভ’য় দেখায় তাকে। এ ভয়ে শিশুটি ধ’র্ষ’ণের কথা পরিবারের কাউকে বলেনি; হাফেজের বাড়িতে পড়তেও যায়নি।

এ দিকে সম্প্রতি শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে বাবা-মা তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসক বুঝতে পারেন ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন:  প্রেমিকাকে ধ’র্ষ’ণ করে স্থানীয় যুবকদের হাতে তুলে দেন প্রেমিক!

তার পরামর্শে গত ৪ জুলাই নন্দীগ্রাম হেলথ কেয়ার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয়। রিপোর্টে ছাত্রীকে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা উল্লেখ করা হয়।

ঘটনাটি জানাজানি হলে ছাত্রীর সহপাঠী, অভিভাবক ও গ্রামবাসীর মাঝে প্রচণ্ড ক্ষো’ভের সৃষ্টি হয়। প্রভাবশালী হাফেজ রুহুল কুদ্দুস ঘটনাটি চাপা দিতে টাকা দিয়ে তার লোকজনকে মাঠে নামায়।

নন্দীগ্রাম উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মতিন শিশু ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গত বুধবার গ্রামের মাতবর এনামুল হক, এসরাক আলী ও জিল্লুর হাজীর এ ঘটনা চাপা দিতে ওই শিশু ছাত্রীর বাবাকে পাঁচ লাখ টাকা দেয়ার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু ছাত্রীর বাবা এতে রাজি হননি।

শিশুর ফুফু বলেন, তার ভাই একজন ভটভটিচালক। আর হাফেজ বিত্তশালী জোতদার। সে কারণে তার পক্ষে অনেকে ঘটনাটি গোপন করতে চাপ দেয়া হচ্ছে। তিনি প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চেয়েছেন।

আরও পড়ুন:  পরিকল্পিত খু’নি হলেন মাত্র ১৬ বছর বয়সে!

নন্দীগ্রাম থানার ওসি শওকত কবির জানান, ধ’র্ষ’ণের শিকার ও ১০ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা শিশুর বাবা শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে থানায় ধ’র্ষ’ক হাফেজ রুহুল কুদ্দুসের বি’রু’দ্ধে মা’ম’লা করেছেন।

ঘটনাকে চাপা দেয়ার চেষ্টায় জড়িত তার ভাতিজা সাকিবুল ও বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। এ ছাড়া হাফেজকে গ্রে’ফ’তারে অ’ভি’যান চলছে। ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য শিশুকে শনিবার সকালে হাসপাতালে পাঠানো হবে।

বাংলা ম্যাগাজিন ডেস্ক

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 13
    Shares