প্রচ্ছদ আইন-আদালত

২০ হাজার টাকার জন্য গৃহবধূকে ধর্ষণ : তিনজন কারাগারে

32
২০ হাজার টাকার জন্য গৃহবধূকে ধর্ষণ : তিনজন কারাগারে
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

বাংলা ম্যাগাজিন ডেস্ক  :     ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূকে ২০ হাজার টাকার জন্য ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার এক তরুণ ও তার দুই সহযোগীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকার চিফ সিনিয়ার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহজাদী তাহমিদা তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সোমবার ঢাকার চিফ জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে এ তথ্য জানা যায়। আদালতের সূত্র মতে, রোববার তাদের আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- পিরোজপুর জেলার কাইখালী উপজেলার কাঠালীয়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. তাইজুল ইসলাম বাপ্পি (২৩), তার দুই সহযোগী শরীয়তপুর সদর উপজেলার মাকসাহারা গ্রামের মৃত ঈসমাইল সরকারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (২৮) ও ঝালকাঠি জেলার নলসিটি উপজেলার চরকাঠি গ্রামের মো. শাহীন মিয়ার ছেলে মো. একরাম (১৮)।

আরও পড়ুন:  কোতোয়ালির ওসিসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

এর আগে ১০ জুলাই সন্ধ্যায় র্যাব-১০ এর অধিনায়ক এডিশনাল ডিআইজি মো. কাইয়ুমুজ্জামান খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গত মাসের (জুন) ২৯ তারিখে ভিকটিম (২৪) তার স্বামীর সাথে পারিবারিক কলহ করে তার বোনের বাড়ি কেরানীগঞ্জের জিনজিরায় চলে যান। পরবর্তীতে তার স্বামী তাকে নিয়ে আসতে গেলে ভিকটিমের বোন নাগরমহল এলাকায় ইব্রাহিমের ক্লাবে তার স্বামীর বিরুদ্ধে বিচার দিলে ইব্রাহিম তাদের ক্লাবে ডেকে নিয়ে বিষয়টির মীমাংসা করে দেয়।’

‘এরপর ৭ জুলাই বিকেলে তাইজুল ও আরও কয়েকজন ভিকটিমের বাসায় গিয়ে তার স্বামীর নিকট মীমাংসা বাবদ ২০ হাজার টাকা দাবি করে। তখন তার স্বামী টাকা দিতে অস্বীকার করলে একই দিন রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টায় ওই আসামিরা ভিকটিমকে পুনরায় ক্লাবে ডেকে নিয়ে মীমাংসা বাবদ ২০ হাজার টাকা দাবি করে। এতে ভিকটিম টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাইজুল ভিকটিমকে ক্লাবের পাশে অন্ধকার গলিতে নিয়ে ছুড়ি দিয়ে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে। তখন বাপ্পীর সহযোগী ইব্রাহিম ও একরামসহ আরও অজ্ঞাত দুইজন পাহারায় ছিল।’

আরও পড়ুন:  সাহেদের বিরুদ্ধে মামলার প্রথম রায় আসছে দুপুরে

‘পরে ৯ জুলাই ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ র্যাব-১০ এ হাজির হয়ে তাইজুল, ইব্রাহিম ও একরামসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুইজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব-১০ এর কোম্পানি কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল রাতেই ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলার নাগরমহল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ওই তিনজনকে আটক করে।’

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 43
    Shares