প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয়

হাসপাতালে ডা. মিলনের সঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক সাবরিনার

43
হাসপাতালে ডা. মিলনের সঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক সাবরিনার
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল থেকে বহিষ্কৃত ডা. সাবরিনা আরিফকে ৩ দিনের রি’মান্ড দিয়েছে আ’দালত।

আজ সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে তাকে আ’দালতে নেয়া হলে এই রায় দেয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগকে অনিয়মের স্বর্গরাজ্য করে রেখেছেন ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। আর ছায়া হয়ে পাশে থেকেছেন ‘ইউনিট প্রধান’ ডা. কাম’রুল হাসান মিলন।

গত এক বছর ধরে কার্ডিয়াক সার্জারির বিভাগীয় প্রধানের কক্ষ এবং পদবি অ’বৈধভাবে দখল করে রেখেছেন মিলন। তাদের অনিয়মে অ’তিষ্ঠ হাসপাতা’লের কর্মক’র্তা-কর্মচারীরাও। দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনের রিপোর্টে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য।

বেসরকারি টেলিভিশনের ওই রিপোর্টে বলা হয়, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের একটি ইউনিটের প্রধানের দায়িত্বে আছেন ডা. কাম’রুল হাসান মিলন। তার অধীনেই রেজিস্ট্রার চিকিৎসক হিসেবে কাজ করতেন ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী।

অ’ভিযোগ রয়েছে, মিলনের ছত্রছায়াতেই অনিয়মের চূড়ায় উঠিছিলেন সাবরিনা। সাবরিনার কর্মকা’ণ্ডের অনুসন্ধানে হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সহকর্মী বা অধীনস্ত কেউই সরাসরি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে সাহস করেন না। তবে সবার ভেতরেই ক্ষোভ, রয়েছে অ’ভিযোগের ফিরিস্তিও। অ’ভিযোগ রয়েছে, সাবরিনা দিনের পর দিন কাজ না করেই নিতেন বেতন। ডা. মিলনের সুনজরে থাকায় অনুপস্থিত থাকার পরও নাম উঠে যেত হাজিরা খাতায়।

একজন স্টাফ জানান, ‘ওনাকে একদিনও আমি দেখিনি।’ সাবরিনা-মিলনের ঘনিষ্ঠতায় চটে গিয়েছিলেন সাবরিনার স্বামী আরিফ চৌধুরীও। এ নিয়ে হাসপাতা’লের ভেতরেই মিলনের সঙ্গে বিবাদেও জড়ায় জেকেজি কর্নধার আরিফ। এ ঘটনায় জিডিও হয় থা’নায়। সাবরিনা বলেন, ‘যদি এরকম কোনো স’ম্পর্ক হত, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমা’র বি’রুদ্ধে মা’মলাই করত।’

কেঁচো খুঁড়তে বেরিয়ে আসে সাপ, পদে না থেকেও কার্ডিয়াক সার্জারির বিভাগীয় প্রধানের কক্ষটি দীর্ঘদিন ধরে দখলে রেখেছেন ‘ইউনিট প্রধান’ কাম’রুল হাসান মিলন। মিলন, নিজের নামের পাশেও লিখে রেখেছেন বিভাগীয় প্রধান। বাধ্য হয়ে বর্তমান বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক রামাপদ সরকার ছোট একটি কক্ষে নেমপ্লেট লাগিয়ে কোনোমতে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে রাজিন হননি ডা. কাম’রুল হাসান মিলন। মিলন বলেন, ‘পরিচালক সাহেব বলেছেন, মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার আগে তাকে জানাতে।’ প্রশ্নের মুখোমুখি হৃদরোগ ইনস্টিটিউট প্রশাসনও। চোখের সামনে সবকিছু ঘটার পরও লিখিত অ’ভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবে, বলছে হাসপাতাল প্রশাসন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 13
    Shares