প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয়

চাঁদপুরে ফের ভয়াবহ ভাঙন, সাইক্লোন শেল্টার নদীগর্ভে

18
চাঁদপুরে ফের ভয়াবহ ভাঙন, সাইক্লোন শেল্টার নদীগর্ভে
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

বাংলা ম্যাগাজিন ডেস্ক: চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নে আবারও পদ্মা-মেঘনার ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। খবর ইউএনবি’র।

উত্তরাঞ্চল থেকে নেমে আসা বন্যার পানির প্রবল স্রোতে গত দু’সপ্তাহ ধরে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে এ এলাকায়।

ভাঙনে শুক্রবার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে তিন তলা বিশিষ্ট সদ্য নির্মিত রাজরাজেশ্বর ওমর আলী স্কুল, যেটি একই সাথে সাইক্লোন শেল্টারও। মাত্র দুই মাস আগে দৃষ্টিনন্দন এ ভবনটি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল।

এদিকে, গত কয়েক দিনের ভাঙনের ফলে নদী তীরবর্তী প্রায় দুই শতাধিক বসতবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে। হুমকির মুখে রয়েছে আরও অনন্ত পাঁচ শতাধিক বাড়িঘর।

স্থানীয় ইউপি সদস্য পারভেজ গাজী রনি বলেন, ‘ঐতিহ্যবাহী ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয়টি আগেও কয়েকবার নদী ভাঙনের শিকার হয়েছে। পরে এখানকার শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া এবং ইউনিয়নবাসীর কথা চিন্তা করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এখানে ২ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে তিন তলা বিশিষ্ট বিদ্যালয় ভবন করে দেন। এ ভবনটির জায়গা নির্বাচনের সময় নদী এখান থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে ছিল। শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে আমরা খুব দ্রুততার সাথে মানসম্মতভাবে ভবনটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করি। দুই মাস আগে কর্তৃপক্ষের কাছে ভবনটি হস্তান্তর করি। কিন্তু ভাঙনের তীব্রতায় সেটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।’

আরও পড়ুন:  ঢাবি অধ্যাপক চাকরিচ্যুত

স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. সফিউল্লাহ সরকার জানান, নবনির্মিত ভবনটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর পড়ালেখা অনিশ্চিত হয়ে গেল।

স্থানীয়রা জানান, নদীতে ভাটার সময় ভাঙন শুরু হয়। গত ৩০ বছরের ইতিহাসে এবারই ভাঙনের ভয়াবহতা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ বছর পাশের জেলা শরীয়তপুরের নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ এলাকায় মেঘনার ভাঙন রোধে যে বাঁধ দেয়া হয়েছে তার পানি প্রবাহের মুখটি রাজরাজেশ্বরের দিকে হওয়ায় ওই বাঁধের ধাক্কা খাওয়া স্রোত এখানকার পাড়ে আঘাত হানতে পারে।

ভাঙন রোধে স্থানীয় এমপি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

আরও পড়ুন:  বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় চীন

রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী হযরত আলী বেপারী জানান, গত ১০ দিনের ভাঙনে ইতোমধ্যে ইউনিয়নের রাজারচর, খাসকান্দি, জাহাজমারাসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে।

ভাঙন শুরু হওয়ার আগেই সাইক্লোন সেন্টার, কমিউনিটি ক্লিনিকসহ মানু্ষের বাড়িঘর রক্ষায় পদক্ষেপ নিতে ইউএনও এবং উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর লিখিতভাবে আবেদন জানানো হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

., . .।. : বাংলা ম্যাগাজিন ডেস্ক

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 5
    Shares