প্রচ্ছদ ডাক্তার পরামর্শ

শারীরিক মি”ল’নে’র যে নিয়ম ইসলামে নি*ষি’দ্ধ !

58
শারীরিক মি”ল’নে’র যে নিয়ম ইসলামে নি*ষি’দ্ধ !
পড়া যাবে: 5 মিনিটে

ইদানীং নারী পুরুষের বিবাহিত সে’ক্সুয়াল লাইফ এ কিছু কিছু সমস্যা প্রকট আকারে সামনে চলে এসেছে। বিবাহিত জীবন গড়াচ্ছে ডিভোর্স পর্যন্ত। অস্বাভাবিক সে’ক্সুয়াল লাইফের বলি হিসেবে মহিলারা মা’রাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা পি, আই, ডিতে ভুগছেন।আসুন আজ আমর’া সহ’বাসের স্বাভাবিক পন্থাগু’লো জেনে নেই।

সহ’বাসের স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে। প্রত্যেক প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষ’তি হয়। এ দিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ই”ঙ্গিত করা হয়েছে পবিত্র কুরআনে।

আয়াতের অর্থ হলোঃ ‘যখন স্বামী-স্ত্রীকে ঢেকে ফেললো তখন স্ত্রীর ক্ষীণ গ’র্ভ সঞ্চার হয়ে গেলো।’

আর স্ত্রী যখন নিচে থাকবে এবং স্বামী তার উপর উপুড় হয়ে থাকবে তখনই স্বামীর শরীর দ্বারা স্ত্রীর শরীর ঢাকা পড়বে। তাছাড়া এ পন্থাই সর্বাধিক আরা’ম’দায়ক। এতে স্ত্রীরও কষ্ট সহ্য করতে হয় না এবং গ’র্ভধারণের জন্যেও তা উপকারী ও সহায়ক।

বিখ্যাত চিকিৎসা বিজ্ঞানী বু-আলী ইবনে সীনা তার অমর’ গ্রন্থ “কানুন” নামক বইয়ে এই পন্থাকেই সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং ‘স্বামী নিচে আর স্ত্রী উপরে’ থাকার পন্থাকে নিকৃষ্ট পন্থা বলেছেন।

কেননা এতে পুংলিংগে বীর্য আট’কে থেকে দুর্গন্ধ যুক্ত হয়ে কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই অবশ্যই আমা’দের লক্ষ্য রাখতে হবে যেন আনন্দঘন মুহুর্তটা পরবর্তিতে বেদনার কারণ হয়ে না দাড়ায়।

স্বামী-স্ত্রী সহ’বাসে উভয়ের বীর্য বাহির হওয়ার পর কিছু সময় নড়াচড়া না করে মিলিত অবস্থায় থাকতে হবে। অর্থাৎ স্ত্রী নীচে এবং স্বামী উপরে থাকবে। তাতে বীর্য জরায়ুতে ঠিক মত প্রবেশ করতে সুবিধা হয়। তা না হলে বীর্য বাহিরে পড়ে যেতে পারে। আর বীর্য বাহিরে পড়লে গ’র্ভ সঞ্চার হয় না।

সহ’বাসের পর হালকা গরম পানি দিয়ে স্বামী স্ত্রীর দুই জনের যৌ’না”ঙ্গ ধুয়ে ফেলতে হয়। ঠাণ্ডা পানিতে ধোয়া উচিৎ নয়। তারপর স্বামী স্ত্রী দুইজনে কিছু মধু সেবন করে নিবেন। তারপর দুই জনে ফরজ গোসল করে ফযরের নামাজ আ’দায় করে নিবেন।

সকল নেয়ামতের মধ্যে সবচাইতে তীব্র আনন্দের নেয়ামত স্বামী-স্ত্রীর সহ’বাস। স্বামী-স্ত্রীর সহ’বাসের মাধ্যমে মানুষ পৃথিবীতেই জান্নাতের সুখের কিঞ্চিত নিদর্শন পেয়ে থাকে।

আল্লাহ সহ’বাসের আহবায়ক করেছেন পুরুষ মানুষকে। সাধারণত স্ত্রী লাজুক স্বভাবের হয়ে থাকে এবং সহজাতভাবে সহ’বাসের জন্য তাড়িত হয় না। কেবলমাত্র যখন তার স্বামী তাকে বুকে টেনে নেয় ও নানাবিধ উপায়ে আদর-সোহাগ করতে থাকে, তখনই স্ত্রীর দে’হ-মনে সহ’বাসের কামনা জেগে উঠে।

স্বামীর পুরুষা”ঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থায় নরম থাকে ও সহ’বাসকালীন যোনিগহবরে প্রবেশের উপযুক্ততা অর্জনের জন্য শক্ত হয়। এ সময় তা নরম অবস্থার চাইতে কারও ক্ষেত্রে ছোট হয়, কারও ক্ষেত্রে অ’পরিবর্তিত থাকে, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে কিঞ্চিত বর্ধিত হয়।

সূরা আল-আলাক্বে বর্ণনা অনুযায়ী আল্লাহ মানুষকে একফোঁটা বীর্য থেকে সৃষ্টি করেন। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে এক থেকে তিন মিলিলিটার পরিমাণ বীর্যপাত হয়, যা ঘনীভূ’ত হয়ে থাকে বলে এক ফোঁটার ন্যায় দেখায়, যা ‘পবিত্র কোআন’-এর বর্ণনার সাথে একেবারে মিলে যায় এবং ‘পবিত্র কোরআন’এর সত্যতা প্রমাণ করে।

তবে অনেক স্বামীর বীর্যের পরিমাণ বেশি এবং এমনকি দশ-বারো ফোঁটা পর্যন্ত বীর্যও সহ’বাসে নির্গত ‘হতে পারে। তবে সন্তান জন্ম’দানে ব্যয় হবে এক ফোঁটাই, বাকি অংশ স্ত্রীর গ’র্ভে শুকিয়ে যাব’ে।

সহ’বাসকে সার্থক ও আনন্দদায়ক করে তুলতে স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই গু’রুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।

স্ত্রী যদি অকার্যকর হয়ে কেবল পড়ে থাকে, স্বামীর সাথে সাথে নিজের মত করে অগ্রসর না হয়, তাহলে সেই সহ’বাসে স্ত্রীও আনন্দ পায় না, স্বামীও স্ত্রীর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে পড়ে, এমনকি পরনারীর প্রতি আকর্ষণ পর্যন্ত এভাবেই জন্মায়।

তাই সহ’বাসকালীন স্ত্রীর করণীয় সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা সকল নারীরই কর্তব্য।

সহ’বাস অন্তে স্বামী অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এমনকি কথা বার্তাও বলা থেকে বিরত থাকতে পারে। এই সময় স্বামীকে মিষ্টি দুগ্ধজাতীয় কোন খাদ্য দিলে স্ত্রীর প্রতি তার মহব্বত অত্যন্ত বৃ’দ্ধি পায়। সহ’বাসের পূর্বেই এই খাবারের ব্যবস্থা রাখবে। স্বামীর গায়ে হাত বুলিয়ে দিবে। স্বামীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে চুম্বন করবে।

আরও পড়ুন:  এই ১০টি যৌ**ন রো*গ সম্পর্কে সকল প্রা’প্ত ব’য়’ষ্ক’দে’রই সতর্ক থাকা উ’চিৎ

প্রথম কয়েকদিনেই জেনে নিবে কোন স্থানে চুম্বন ও স্পর্শ স্বামীর পছন্দনীয়। ওই সমস্ত স্থানে অধিক মনোযোগ দিবে কিন্তু অবশিষ্ট শরীরেও সোহাগ করবে। তবে নারীসুলভ কোমলতায়। স্বামী উগ্রভাবে আদর করলেও স্ত্রীর উচিত হবে স্পর্শে কোমলতা বজায় রাখা।

তবে চুম্বনে স্বামীর সাথে সমভাবে অংশগ্রহণ করবে এমনকি চুম্বনের প্রতিযোগিতা করবে। স্বামীকে আদরের সময় মৃ’দুভাবে অণ্ডথলিতে স্পর্শ করে রাখলে স্বামী স্ত্রীর ভক্ত হয়ে যায়। তবে সাবধান থাকবে, কেননা অণ্ডোথলি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও অতি মৃ’দু আঘা’তেও মা’রাত্মক যন্ত্রণা ‘হতে পারে।

স্বামীর আনন্দ স্ত্রীর যোনিগহবরে প্রবেশের মাধ্যমে। কিন্তু স্বামী অনেক সময় জানে না যে স্ত্রীর আনন্দ সহ’বাসের পূর্বে আদর সোহাগে। তাই এই বি’ষয়ে অসন্তুষ্টি থাকলে স্বামীকে খুলে বলতে হবে এবং নিজের চাহিদা স্বামীর গোচরে আনতে হবে।

২৫ বছরের কম বয়সী পুরুষ সাধারনত বেশি সময় নিয়ে মিলন করতে পারে না। তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যাব’ধানে পুনরায় উত্তেজিত/উত্ত’প্ত ‘হতে পারে। ২৫ এর পর বয়স যত বাড়বে মিলনে পুরুষ তত বেশি সময় নেয়।

কিন্তু বয়স বৃ’দ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জাগ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যাব’ধানও বাড়তে থাকে। এক নারী কিংবা একপুরুষের সাথে বার বার মিলন করলে যৌ’ন মিলনে বেশি সময় দেয়া যায় এবং মিলনে বেশি তৃ’প্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরুপ: নিয়মিত মিলনে একে অ’পরের শরীর এবং ভাললাগা/ মন্দলাগা, পছন্দসই আসনভ”ঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার প’দ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালভাবে অবহিত থাকে।

যারা বলেন “এক তরকারী দিয়ে প্রতিদিন খেতে ভাল লাগে না – তাই পর নারী ভোগের লালসা” – তাদেরকে অনুরোধ করছিঃ দয়াকরে মিথ্যাচার করবেন না। এমন যুক্তি ভিত্তিহীন। প’রকীয়া আমা’দের সমাজ ব্যবস্থাকে ধ্বং’স করছে।

মাত্র কয়েক মিনিটের কাম যাতনা নিবারনের জন্য আজীবনের সম্পর্কে অবিশ্বা’সের কালো দাগ লাগাবেন কেন? আজকালকের দিনে এমনকি আমা’দের দেশের ১০-১২ বছরের ছেলে-মেয়েরা পর্যন্ত জেনে যাচ্ছে কিভাবে সে’ক্স করতে হয়।

তাই বলা যায় বিয়ে তো বহুদূরের কথা, এখনকার ছেলেমেয়েদের গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড হওয়ার আগেই তারা এ বি’ষয়ে বহু কিছু জানে। ঠোট নারীদে’হের সবচাইতে যৌ’নত্তেজক অ”ঙ্গগু’লোর মধ্যে একটি। ঠোটের মাধ্যমেই সমগ্র নারীদে’হ উত্তেজনার সূচনার সবচেয়ে জোরালো সংকেতটি গ্রহন করে থাকে।

মেয়েটি তার স”ঙ্গীর গালে, গলায়, বুকে, কান এদের স্পর্শ করলে ছেলেটি যেমন আনন্দ পায়, তেমনি মেয়েটিও অন্যরকম এক আনন্দ লাভ করে। অনেক প’র্ন মুভিতে দেখা যায় যে সেখানে মেয়েগু’লো ছেলেদের লি”ঙ্গ চুষতে খুব পছন্দ করে। বিদেশে বাস্তবেও অনেক মেয়েই ছেলেদের লি”ঙ্গ শুধু তাকে আনন্দ দেওয়ার জন্যই চুষে না। সে নিজেও এতে আনন্দ পায়।

এর মূল কারনই হল তার ঠোট ও জিহবার স্পর্শকাতরতা। ছেলেটির দে’হের অন্যান্য অংশে এ দুটি দিয়ে স্পর্শ করে সে যে আনন্দ লাভ করে, একই কারনে নিজের ছেলেটির লি”ঙ্গের স্পর্শে তার আনন্দ হয়। মেয়েদের যৌ’ন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ।

কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌ’ন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ‘ইসলামে নারীদের যৌ’ন চাহিদার কোন মূল্য নেই’ ‘ইসলামে পুরুষকে স্ত্রীর ওপর যথেচ্ছ যৌ’নাচারের ফ্রি লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে’ ‘ইসলামে যৌ’ন অধিকার একতরফাভাবে পুরুষকে দেওয়া হয়েছে’ এই জাতীয় অ’ভিযোগ সুস্থবু’দ্ধিসম্পন্ন কেউ আশা করি করবেন না।

সূরা বাকারা’র (২২৩)- নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে-তোমা’দের স্ত্রীরা হলো তোমা’দের জন্য শস্য ক্ষেত্র। তোমর’া যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর।

ম’দিনার ইহুদিদের মধ্যে একটা কুসংস্কার এই ছিল যে, কেউ যদি তার স্ত্রীর সাথে পেছন দিক থেকে যোনিপথে স”ঙ্গম করত তবে বিশ্বা’স করা ‘হতো যে এর ফলে ট্যারা চোখবিশিষ্ট সন্তানের জন্ম হবে। ম’দিনার আনসাররা ইসলামপূর্ব যুগে ইহুদিদের দ্বারা যথেষ্ট প্রভাবিত ছিল। ফলে আনসারগণও এই কুসংস্কারে আচ্ছন্ন ছিলেন।

আরও পড়ুন:  কি’ভা’বে শা*রী*রি*ক মি*ল*ন স্বা’মী-স্ত্রী’র উ’পকা’রে আ’সতে পারে?

মক্কাবাসিদের ভেতর এই কুসংস্কার ছিল না। মক্কার মুহাজিররা হিজরত করে ম’দিনায় আসার পর, জনৈক মুহাজির যখন তার আনসার স্ত্রীর সাথে পেছন দিক থেকে স”ঙ্গম করতে গেলেন, তখন এক বিপত্তি দেখা দিল।

আনসার স্ত্রী এই প’দ্ধতিকে ভুল মনে করে জানিয়ে দিলেন রাসূলুল্লাহ (সা:)- এর অনুমতি ব্যতিত এই কাজ তিনি কিছুতেই করবেন না। ফলে ঘটনাটি রাসূলুল্লাহ (সা:) পর্যন্ত পৌঁছে গেল।

এ প্রস”ঙ্গেই কুরআনের আয়াত (২:২২৩) নাযিল হয়, যেখানে বুঝানো হচ্ছে- সামনে বা পেছনে যেদিক দিয়েই যোনিপথে গমন করা হোক না কেন, তাতে কোন সমস্যা নেই। শস্যক্ষেত্রে যেদিক দিয়ে বা যেভাবেই গমন করা হোক না কেন তাতে শস্য উত্পাদনে যেমন কোন সমস্যা হয় না, তেমনি স্বামী তার স্ত্রীর যোনিপথে যেদিক দিয়েই গমন করুক না কেন তাতে সন্তান উত্পাদনে কোন সমস্যা হয় না এবং এর সাথে ট্যারা চোখবিশিষ্ট সন্তান হবার কোন সম্পর্ক নেই।

বিয়ের পর প্রথম কিছুদিন স্বাভাবিক নিয়মে সহ’বাস করার পর ভিন্ন ভিন্ন আসনে চেষ্টা করে দেখতে হবে নিজেদের সবচাইতে উপযুক্ত আসন কোনটি এবং কোন আসনে পরস্পরের সর্বাধিক সুখ বোধ হয়। তারপর সেই আসনেই সর্বদা মিলিত হবে। কেননা ভিন্ন ভিন্ন আসনে সহ’বাস অনেক সময় দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক ল’জ্জার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

স্বামী আনন্দ পাচ্ছে, কিন্তু স্ত্রী সুখ বোধ করছে না, অথবা স্ত্রী সন্তুষ্ট, কিন্তু স্বামী সুখী নয়, এরূপ আসন নির্বাচন করা যাব’ে না। তাতে দাম্পত্য জীবনে আনন্দের ঘাটতি দেখা দিবে।

স্বামী কোন নির্দিষ্ট আসনে সহ’বাস না করে প্রায়ই ভিন্ন ভিন্ন আসনে সহ’বাস করে, এরূপ হলে স্ত্রীর বুঝতে হবে সে স্বামীকে পূর্ণা”ঙ্গরূপে তৃ’প্ত করতে পারছে না, যা একজন পুরুষ চায়। তখন স্বামীকে পূর্ণ তৃ’প্তি দিতে সচেষ্ট ‘হতে হবে।

হযরত মুহম্ম’দ (সঃ) আরো বলেছেন, জানোয়ারের মত হঠাত করে স্ত্রীর উপর কেউ ঝাঁপিয়ে পড়বে না, বরং তার উচিত হলো প্রথমে চুমু খেয়ে আলি”ঙ্গন করে এবং মিষ্টি মধুর কথায় তাকে আগ্রহী করে তোলা।

বীর্যপাতের পর সাথে সাথে স্বামী সরে যাব’ে না বরং ঐ অবস্থাতেই কিছুক্ষণ পড়ে থাকবে। যাতে স্ত্রীর চাহিদা পুরা হয়ে যায়। কেননা কোন কোন মহিলার বীর্যপাত দেরীতে হয়। তারপর স্বামী-স্ত্রী উভয়েই আলাদা আলাদা কাপড় দিয়ে ল’জ্জাস্থান মুছে পৃথক হয়ে যাব’ে।

আমি দুনিয়ার সম্পদ চাই না , আমা’র স্বামীকে চাই –এ সব কথা যে স্ত্রী বলেন তিনি কি সুখী না অসুখী ? যে কোন বিবেকবান মানুষ বলবেন এসব স্বামী গর্বে গর্বিতা সুখী স্ত্রীর মনের কথা ।

বাইবেলের পুরাতন সমাচারে আছে স্রষ্টার ছেলে দাউদ বৃ’দ্ধ বয়সে মৃ’ত্যুশয্যায় শুয়ে অল্পবয়সের কুমা’রীকে বিয়ে করেছিলেন । এটা প্রমাণ করে যে মেয়ের বয়স কম হওয়া বা স্বামী – স্ত্রীর মধ্যে বয়সের ব্যবধান বেশী হলেও সেটা ইয়াহুদী বা খ্রিস্টানদের বিয়েতে কোন বাধা নয়।

খ্রিস্টানদের প্রভু যিশুর কুমা’রী মা মেরীর সাথে জোসেফের যখন বিয়ে হয় , তখন সেই যুগের রীতি অনুসারে মেরীর বয়স খুব বেশী হলে ১৩/১৪ ছিল ; জোসেফের বয়স ছিল ত্রিশের বেশী ।

আল্লাহ তাআলা আমা’দের ইসলামী নিয়মানুযায়ী চলার তৌফিক দান করুন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 10
    Shares