প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি

সরকারি কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ এর ৫০ বছর পূর্তিতে সাবেক ভিপি/জিএস মাসুম আশরাফীর শুভেচ্ছা। 

21
সরকারি কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ এর ৫০ বছর পূর্তিতে সাবেক ভিপি/জিএস মাসুম আশরাফীর শুভেচ্ছা। 
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

সরকারি কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ এর ৫০ বছর পূর্তিতে সাবেক ভিপি/জিএস মাসুম আশরাফীর শুভেচ্ছা। 

গত ৩০ জুন ছিল সরকারি কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ এর ৫০ বছর পূর্তি ১৯৭০ সালের এই দিনে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমে কলেজটির নাম ছিল কালীগঞ্জ কলেজ, পরে মসলিন কটন মিলের শ্রমিকদের সিংহ ভাগ অর্থায়নে কলেজটির নির্মাণ কাজ এগিয়ে নেওয়া হয় যে কারনে কলেজটির নাম পরিবর্তন করে কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ রাখা হয়।কলেজের জন্ম থেকে অদ্যবধি আমার পরিবার জড়িয়ে আছে কলেজটির সাথে কোন না কোন ভাবে!

কলেজটি নির্মাণে অনেক মানুষের অবদান ছিল যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য আমার দাদা মরহুম এডঃ সবুর আশরাফী যিনি ছিলেন কলেজটির গভর্নিং বডির প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি। যার স্বাক্ষরে কলেজটির ১ম প্রিন্সিপাল এর নিয়োগ হয়। ব্যাক্তিগত জীবনে যিনি একজন সৎ এডভোকেট হিসাবে খ্যাতি ছিল, যিনি কোনদিন কোন মিথ্যা মামলা লড়েননি, এমনকি সত্য আড়াল করে কোন মামলা ওনাকে দিয়ে কেউ করাতে চাইলে মাঝ পথে মামলা ছেড়ে দেওয়ার রেকর্ড ও ওনার আছে। যার ঝুলিতে রয়েছে আওয়ামিলীগ ও বিএনপির উভয় প্রার্থীর কে পরাজিত করে ঢাকা বার কাউন্সিলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয় লাভ করার বিরল রেকর্ড। প্রথম জীবনে গাজীপুর রাণী বিলাসমনি উচ্চ বিদ্যালয়েও তিনি কিছু দিন শিক্ষকতা করেছেন। এই কলেজে আমার বাবা আশরাফী হাবিবুল্লাহ গভর্নিং বডিতে তিন বার সদস্য ছিলেন যার মধ্যে দুই বার বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় ও একবার বর্তমান সরকারের আমলে। তিনি বিএনপির কালীগঞ্জ থানার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কালীগঞ্জ সদর বা বর্তমান পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতির দ্বায়িত্বে ছিলেন।

আরও পড়ুন:  কচুয়ায় আওয়ামী লীগের বিজয় হয়েছে

এই কলেজের ৫০ বছরের ইতিহাসে আমি  Masum Ashrafee ই একমাত্র ব্যাক্তি যে কলেজ ছাত্র সংসদের একবার নির্বাচিত জিএস ও পরবর্তীতে নির্বাচিত ভিপি হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছিলাম। বর্তমানে কলেজটিতে আমার ছোট বোন মুনমুন আশরাফী বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করে। সে এই কলেজ থেকে এইচএসসি করে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় অনার্স, মাস্টার্স করে আবার তার নিজের কলেজেই শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করে।

এছাড়াও আমার আরেক চাচা আশরাফী মেহেদী হাসান এই কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য ছিলেন যিনি কালীগঞ্জ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও বর্তমানে গাজীপুর জেলা আওয়ামিলীগ এর যুগ্ম সম্পাদক এর দ্বায়িত্বে রয়েছেন। মোর্শেদ আলম মিন্টু আমার চাচাতো ভাই উক্ত কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ৮০’র দশকে ছাত্রদল মনোনীত জিএস প্রার্থী ছিলেন এবং কালীগঞ্জ থানা যুবদলের সাবেক সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও কলেজটিতে পড়াশোনা করেছেন আমার স্ত্রী সহ আমার চাচা ফুফু চাচাত ভাই বোনরা ও বিভিন্ন জায়গায় নেতৃত্ব দিয়েছেন আশরাফী পরিবারের অসংখ্য সদস্য সদস্যরা।

আরও পড়ুন:  মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ

তাই কলেজটির সাথে রয়েছে আমাদের ও আমাদের পরিবারের এক আত্মীক টান, জীবনের সোনালী সময় গুলো কেটেছে এই ক্যাম্পাসে, কত ভালোলাগা স্মৃতি জরিয়ে রয়েছে এখানে, ফিরে যেতে মন চায় আবরো সেই দিন গুলোর মাঝে যা আর কোন দিন সম্ভব নয়! আজ কলেজটির ৫০ বছর পূর্তিতে কলেজটির জন্য রইল শুভ কামনা কলেজের প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে এর সাথে সম্পৃক্ত সকলের জন্য রইল ভালবাসা, সাবেক বর্তমান সকল ছাত্র শিক্ষক ছাত্রনেতাদের প্রতি রইল ভালবাসা, সুনামের সাথে এগিয়ে যাক আমার প্রাণের প্রতিষ্ঠান।

বাংলা ম্যাগাজিন ডেস্ক

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 4
    Shares