প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য

জেনে নিন.. যেকোনো প’রি’স্থিতে মা’থা’ব্য’থা দূর করার ১০টি কৌশল!

34
জেনে নিন.. যেকোনো প’রি’স্থিতে মা’থা’ব্য’থা দূর করার ১০টি কৌশল!
পড়া যাবে: 3 মিনিটে

গবেষণা বলছে, মানবজাতির অর্ধেকের কাছাকাছি প্রা’প্তবয়স্ক মানুষ বছরে অন্তত একবার মাথাব্যথায় আ’ক্রা’ন্ত হয়। বিভিন্ন প্রকারের মাথাব্যথা রয়েছে, যেমন- মাইগ্রে’ন, সাইনাস, ক্লাস্টার হেডেক এবং দুঃশ্চিন্তা ও চোখের সমস্যা থেকে সৃষ্ট মাথাব্যথা। দুশ্চিন্তা থেকে তৈরি হওয়া মাথাব্যথা সবচেয়ে বেশি ‘হতে দেখা যায় এবং বিশ্বজুড়ে প্রায় ১.৬ বিলিয়ন লোক এতে আ’ক্রা’ন্ত।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মাথাব্যথা শুরুর আগে সতর্ক হওয়ার সময় পাওয়া যায় না। যেহেতু মাথাব্যথা শুরুর আগে আপনি জানবেন না কখন মাথাব্যথা শুরু ‘হতে পারে তাই আপনাকে জানতে হবে কিভাবে মাথাব্যথা দ্রুত সারিয়ে তোলা যায়। তাই আপনার জন্য থাকছে যেকোনো পরিস্থিতে মাথাব্যথা

সারিয়ে তোলার ১০টি কৌশল। তবে প্রথমে নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার র’ক্তচাপ স্বাভাবিক রয়েছে। র’ক্তচাপ স্বাভাবিক না থাকলে এই কৌশলগু’লো কাজে লাগাবেন না।

তাপমাত্রা থেরাপিঃগরম পানিতে গোসল করলে আমা’দের মাংসপেশি নমনীয় হয় এবং এতে মাথাব্যথা কমে যায়। কিন্তু সবসময় তো আর গোসল করার সুযোগ থাকে না, সেই ক্ষেত্রে তোয়ালে গরম করে মাথা মুড়ে নিন। দেখবেন ভালো লাগতে শুরু করেছে।

অ্যারোমাথেরাপিঃঅ্যারোমা মানে সুগন্ধি। অর্থাৎ সুগন্ধি আপনার মাথাব্যথা সারিয়ে তুলতে পারে। অ্যারোমাথেরাপিতে ব্যবহার হয় বিভিন্ন রকম এসেনশিয়াল অয়েল। বিশেষ করে ল্যাভেন্ডার অয়েল মাথাব্যথা সারিয়ে তোলার ব্যাপারে বেশ কার্যকর। হাতে ল্যাভেন্ডার অয়েল নিয়ে কপাল এবং চোয়ালে মেখে ঘরের আলো নিভিয়ে কিছুক্ষণ নিঃশ্চুপ নিরিবিলিতে শুয়ে থাকুন। দেখবেন ধীরে ধীরে ব্যথা কমে যাচ্ছে।

ইরানের সিরাজ ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পিপারমেন্ট অয়েলও মাথাব্যথা সারিয়ে তুলতে সক্ষম। এই তেল মাইগ্রে’নের ব্যথাও সারিয়ে তুলতে সমান দক্ষতা দেখিয়েছে।

পানি পান করুনঃ পানি স্বল্পতা মাথাব্যথার অন্যতম কারণ। মাথাব্যথা দূরে রাখতে চাইলে, নিজেকে সতেজ রাখু’ন। যখনই মনে হবে মাথাব্যথা শুরু হচ্ছে,

আরও পড়ুন:  এ প’রী’ক্ষিত ঔ’ষধ’টি ব্য’বহা’রে শ্বে”তী রোগ চলে যাবে চিরতরে

পানি পান করতে হবে। তবে এ সময় মাথায় রাখবেন, যেন অতিরিক্ত পানি পান করা না হয়। এতে হাইপোনেট্রেমিয়া হয়ে যেতে পারে। হাইপোনেট্রেমিয়া হলো র’ক্তে উপস্থিত সোডিয়ামের পরিমাণ কমে যায়। এর ফলে মাথাব্যথা, বমিভাব এবং হেঁচকির মত ঘটনা ঘটতে শুরু করে, যা পানি স্বল্পতাজনিত মাথাব্যথার সাথে গু’লিয়ে ফেলেন অনেকে।

ভেষজ চিকিৎসাঃসাধারণ মাথাব্যথা থেকে শুরু করে মাইগ্রে’নের মত তীব্র ব্যথা সারাতেও প্রাচীন কাল থেকে আ’দার ব্যবহার হয়ে আসছে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণায়ও এর প্রমাণ মিলেছে। মাথাব্যথা শুরু হলে, আধা চা চামচ আ’দা দিয়ে তৈরি এক গ্লাস আ’দার জুস পান করুন।

ইউনিয়ন ভ্যালিতে মাসাজঃ কিভাবে চিহ্নিত করবেন: এই বিন্দুটি পাওয়া যাব’ে বৃ’দ্ধা”ঙ্গু’লি এবং তর্জনীর মধ্যবর্তী স্থানে যে বাক তৈরি হয় সেখানে।

প’দ্ধতি: প্রথমে বিন্দুটি খুঁজে বের করুন এবং খুব আস্তে চাপ দিতে থাকুন। এরপর ১০ সেকেন্ড চেপে ধরে রাখু’ন। ১০ সেকেন্ড পর, জায়গাটি বৃ’দ্ধা”ঙ্গু’লি দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মাসাজ করে দিন। ঘড়ির কা’টার দিকে ১০ সেকেন্ড, আর ঘড়ির কা’টার বিপরীতে ১০ সেকেন্ড করে মাসাজ করুন। আপনার অন্য হাতেও একই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন। এই আকুপ্রেশার পয়েন্টটি দুঃশ্চিন্তাজনিত মাথায় এবং ঘাড়ের ব্যথা দূর করতে বেশ কার্যকর।

সিন ইয়ান জিয়াও পয়েন্টে আকুপ্রেশারঃ কিভাবে চিহ্নিত করবেন: এই আকুপ্রেশার পয়েন্টটি গোড়ালি থেকে ৪ আ”ঙ্গু’ল উপরে অবস্থিত।

প’দ্ধতি: পয়েন্টটি খুঁজে বের করুন এবং বৃ’দ্ধা”ঙ্গু’লি দিয়ে হালকা চাপ দিয়ে ৪-৫ সেকেন্ড মাসাজ করুন। এই পয়েন্টে চাপ প্রয়োগ করলে মানসিক চাপ কমে এবং মন প্রশান্ত হয়।

আরও পড়ুন:  ক’রো’না প্র’তিরো’ধে ই’মিউনি’টি বাড়াতে সকালের নাস্তায় যা খাবেন!

চেতন বিন্দুতে চাপঃ কিভাবে চিহ্নিত করবেন: ঘাড়ের পেছনে লম্বা হয়ে নেমে আসা দুটি মাংসপেশি এবং মাথার খুলির মাঝে যে ফাঁ’কা অংশ সেখানে এই বিন্দুটি অবস্থিত।

প’দ্ধতি: উভয় হাতের তর্জনী এবং মধ্যমা দিয়ে হালকা করে ১০ সেকেন্ড দুই পাশ থেকেই চাপ দিয়ে ধরে রাখু’ন। ১০ সেকেন্ড পর ছেড়ে দিন এবং আবার করুন। এতে মানসিক চাপজনিত মাথাব্যথা কমে যাব’ে। এই কৌশল মাইগ্রে’নের ব্যথাতেও সমান কার্যকরী।

ড্রিলিং ব্যাম্বু পয়েন্টে মাসাজঃকিভাবে চিহ্নিত করবেন: এই বিন্দুটি নাকের উভয় পাশে অবস্থিত, যেখানে নাক দুই ভ্রুর সাথে গিয়ে মেশে।

প’দ্ধতি: আপনার তার্জনি দিয়ে দুইপাশে ধা’রাবাহিক ভাবে আলতো করে চাপ দিন এবং ১০ সেকেন্ড ধরে রাখু’ন। ১০ সেকেন্ড পর ছেড়ে দিন এবং কয়েক মুহূর্ত পর আবার চাপ দিয়ে ধরুন। এই চাপ বিন্দুটিতে মাসাজ করে চোখের চাপজনিত ব্যথা এবং সাইনুসাইটিসের ব্যথাও নিরাময় করা সম্ভব।

সোল্ডার ওয়েল লোকেশনে মাসাজঃকিভাবে চিহ্নিত করবেন: ঘাড় এবং কাঁধের মিলনস্থলে এই বিন্দুটি অবস্থিত।

প’দ্ধতি: আপনার বাম পাশে অবস্থিত বিন্দুটি ডান হাতের বৃ’দ্ধা”ঙ্গু’লি দিয়ে ১ মিনিট ধরে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মাসাজ করুন। ১ মিনিট পর একই প্রক্রিয়ায় ডান পাশের বিন্দুতেও মাসাজ করুন। এই মাসাজের ফলে ঘাড় ও কাঁধের শক্ত হয়ে যাওয়া পেশী নমনীয় হবে এবং এর কারণে সৃষ্ট মাথাব্যথাও দূর হয়ে যাব’ে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।