প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য

কি’ডনি ও পি’ত্ত’থ’লি’র পাথর গলবে একটি ডিমেই!

13
কি’ডনি ও পি’ত্ত’থ’লি’র পাথর গলবে একটি ডিমেই!
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

কোয়েলের ডিম ওষুধ হিসেবে বেশ কার্যকরী। বিভিন্ন প্রকার রোগ দাওয়াই এই পাখির ডিম। যেমন- হার্ট, অতিরিক্ত ওজন, দুর্বলতা, পাকস্থলীর অসুখসহ ফুসফুসের রোগ সারায় এই ডিম।

এছাড়াও স্মৃ’তিশক্তি হ্রাস, র’ক্তশূন্যতা, ডায়াবেটিস, পুরুষত্বহীনতা এবং উচ্চ কলোস্ট্ররেল ইত্যাদি রোগও কোনো রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া নিরাময় হয়। কেন কোয়েল পাখির ডিম খাবেন?

১. কোয়েলের ডিম সর্দি ও কাশির বিরু’দ্ধে কাজ করে। এতে রয়েছে অ্যালার্জি প্রতিরোধকারী উপাদান। গবেষণায় দেখা যায়, কোয়েলের কাঁচা ডিম অ্যালার্জির লক্ষণ ও মাত্রা উভয়ই কমিয়ে দিতে পারে।

২. কোয়েলের ডিমের অ্যালার্জি প্রতিরোধকারী উপাদান হাঁপানির বিরু’দ্ধেও কাজ করে। ধুলোবালির জীবাণুতে আ’ক্রা’ন্ত ১৮০ জন হাঁপানি আ’ক্রা’ন্ত শিশু নিয়ে করা একটি গবেষণায় দেখা যায়, যারা কোয়েল পাখির ডিম খেয়েছে তাদের হাঁপানির তীব্রতা ও অস্থিরতা উল্লেখযোগ্য হারে কম।

৩. কোয়েলের ডিমের সাদা অংশে লাইসিন-৮ নামে এক ধরণের অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে। ত্বকে কোলাজেন গঠনে লাইসিন গু’রুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যদিও আমা’দের শরীর এ ধরণের অ্যামিনো অ্যাসিড তৈরি করে না। তাই এর ঘাটতি পূরণে কোয়েল পাখির ডিম খাওয়া প্রয়োজন।

৪. এই ডিম ভিটামিন ‘এ’ এর ভালো উৎস। যা চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ভিটামিন ‘এ’ অল্প আলোয় চোখকে দেখতে সাহায্য করে ও অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে।

আরও পড়ুন:  দুধ ও চিনির সঙ্গে ডুমুরের রস খান, ব’ন্ধ হয়ে যাবে আপনার…

৫. ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধ অনুযায়ী, কোয়েলের ডিম বয়সের বৃ’দ্ধি কমিয়ে দিতে পারে। কোয়েলের ডিমে কোলিন নামে এক ধরণের পুষ্টি থাকে যা মস্তিষ্ক তীক্ষ্ম রাখে, বিশেষত বয়স বাড়ার ব্যাপারে। এছাড়াও এতে ভিটামিন এ, সেলেনিয়াম ও জিঙ্ক থাকে যা ত্বকের জন্য ভালো। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের বার্ধক্য প্রতিরোধ করে।

৬. ডায়াবেটিস একটি বিপজ্জনক অবস্থা যা কেবল বাড়তেই থাকে। ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধে, খাবার তালিকায় কোয়েলের ডিমের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা করা হয়।

৭. মুরগির ডিমের স”ঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, কোয়েল ডিমে কোলেস্টেরল ১ দশমিক ৪ শতাংশ আর মুরগির ডিমে ৪ শতাংশ এবং প্রোটিনের পরিমাণ মুরগির ডিম থেকে প্রায় শতকরা ৭ ভাগ বেশি।

৮. কোয়েলের ডিম কিডনি, লিভার এবং পিত্তথলির স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। এই ডিম কিডনির পাথরের বৃ’দ্ধিতে বাধা দেয় এবং সিস্টগু’লো ভেঙে ফেলতে সহায়তা করে। এই ডিম লেসিথিন সমৃ”দ্ধ। যা কিডনি বা পিত্তথলির পাথর ভা”ঙ্গতে সহায়তা করে।

কোন বয়সে কয়টি ডিম?’ ১-৭ বৎসর পর্যন্ত বয়সের ক্ষেত্রে দিনে ২/৩ টা করে কোয়েলের ডিম ২০/৩০ দিন খাওয়ার পরামর’্শ দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:  ওজন ক’মানোসহ কা’লি’জিরা’র ১২ গু’ণ

‘ ৮-১০ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৩ টা করে কোয়েলের ডিম নিয়মিত খাওয়ার পরামর’্শ দেয়া হয়।

‘ ১১-১৫ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৩ টা করে ১ মাস খাওয়ার পরামর’্শ দেয়া হয়।

‘ ১৬-১৮ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে ২৬ দিনে ১২০ টা ডিম খাওয়ার পরামর’্শ দেয়া হয়ে থাকে।

‘ প্রা’প্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে ৪৯ দিনে ২৪৯ টা কোয়েল পাখির ডিম খাওয়ার পরামর’্শ দেয়া হয়।

সতর্কতা কোয়েল পাখির ডিম পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর একটি খাবার। কিন্তু এটি অতি উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল সম্পন্ন। ১০০ গ্রাম

কোয়েলের ডিমে ৮৪৪ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল থাকে। যা মুরগির ডিমের চেয়েও বেশি মাত্রার কোলেস্টেরল। তাই কোলেস্টেরল

নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে অথবা যদি কোলেস্টেরল জনিত সমস্যা থাকে তাহলে কোয়েল পাখির দিন এড়িয়ে চলতে পারেন। সূত্র: গু’ডহেলথঅল

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।