প্রচ্ছদ রাজধানী খেলতে গিয়ে যেভাবে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হলো সাত বছরের মেয়েটি

খেলতে গিয়ে যেভাবে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হলো সাত বছরের মেয়েটি

139
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

ঢাকার পুরনো অংশের ওয়ারি এলাকায় একটি বহুতল ভবনে শুক্রবার রাত থেকে শোকের মাতম চলছে। ওপর তলার একটি ফ্ল্যাটে প্রায় প্রতিদিনের মত বিকেলে খেলতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে লাপাত্তা হয়ে যায় সাত বছরে একটি শিশু মেয়ে।

সন্ধ্যার পরও ঘরে না ফিরলে খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে রাত আটটা নাগাদ শিশুটির রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায় ভবনের সবচেয়ে উপর তলায় একটি শূন্য ফ্ল্যাটের রান্নাঘরে।

শনিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ময়না তদন্তের পর ডাক্তাররা তাদের রিপোর্টে বলেছেন, শিশুটিকে জবরদস্তি করে ধর্ষণ করা হয়েছে। তারপর গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

শিশুটি কখন কীভাবে এই ভয়াবহ ট্রাজেডির শিকার হলো সে সম্পর্কে বিবিসিকে ঘটনাপ্রবাহের সংক্ষিপ্ত একটি বর্ণনা দেন ওয়ারি জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ ইফতেখার।

আরও পড়ুন:  রাতে ঘুমন্ত স্ত্রীর পাশেই মেয়েকে ধর্ষণ করল বাবা!

কীভাবে ঘটলো এই ট্রাজেডি
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ যা জানতে পেরেছে সেটি এরকম: প্রতিদিনের মত বিকালের দিকে মেয়েটি ওপর তলার একটি ফ্ল্যাটে তার সমবয়সী একটি শিশুর সাথে খেলতে বের হয়ে যায়। দরজা খুলে ঐ ফ্ল্যাটের শিশুটি পরিবারের সাথে বাইরে যাবে বলে খেলতে পারবে না জানালে, মেয়েটি বাসার উদ্দেশ্যে লিফটে ওঠে।

‘শিশুটি তার খেলার সঙ্গী মেয়েটিকে লিফটে উঠতে দেখেছে বলে জানিয়েছে।’

সন্ধ্যার সময় মাগরিবের আজানের পরও বাসায় না ফিরলে, যে দুটি ফ্ল্যাটে মেয়েটি সাধারণত খেলতে যায় সেখানে গিয়ে খোঁজ করতে গিয়ে মেয়েটির পরিবারের লোকজন বুঝতে পারে সে লাপাত্তা।

খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে ভবনের সবচেয়ে ওপর তলা অবিক্রীত একটি শূন্য ফ্লাটের ভেতর রান্নাঘরের সিংকের নীচে মেয়েটির লাশ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন:  এবার ধর্ষকের তালিকায় বিসিসিআই সিইও

শাহ ইফতেখার বলেন, ‘শিশুটির নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বেরুচ্ছিল। গলায় রশি পেঁচানো ছিল।’ শনিবার ময়না তদন্তের পর জানানো হয়েছে, হত্যা করার আগে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়।

ধর্ষণের পর গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক ড. সোহেল মাহমুদ বিবিসিকে বলেন, শিশুটির দেহে ধ্বস্তাধস্তির চিহ্ন ছিল। তিনি বলেন, ‘তাকে জোর করে ধর্ষণ করা হয়েছে। পরে গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’

ওয়ারির অতিরিক্ত পুলিশ শাহ ইফতেখার জানিয়েছেন নিহত শিশুর বাবা একটি ধর্ষণ ও হত্যার মামলা করেছেন। ওই ভবনে কাজ করে এমন ছয়জনকে পুলিশ স্টেশনে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট: