পেটের গ্যাস বিক্রি করে ৪২ লক্ষ টাকা আয়

লেখক: বাংলা ম্যাগাজিন
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

পেটের গ্যাস বোতলে ভরে বিপুল দামে বিক্রি করে কিছুদিন আগে নজরে এসেছিলেন স্টেফানি মাটো। অতিরিক্ত গ্যাস তৈরি করতে গিয়ে তিনি এবার হাসপাতালে।সপ্তাহে প্রায় ৩৮ হাজার পাউন্ড। বাংলাদেশী টাকায় হিসাব করলে সপ্তাহে প্রায় ৪২ লক্ষ টাকা। এটাই রোজগার করছিলেন স্টেফানি মাটো। ‘৯০ ডেজ ফিয়ান্সে’ নামক শো-এর জন্য খ্যাত এই অভিনেত্রীর এই পেশা অবশ্য একটানা বেশি দিন চলল না। তার আগেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে তিনি। এবং তার কারণ আরও বেশি মাত্রায় গ্যাস তৈরি করার চেষ্টা। 

সংবাদমাধ্যমকে স্টেফানি জানিয়েছে, ‘অতিরিক্ত পরিমাণে গ্যাস তৈরির চেষ্টা করছিলাম। হঠাৎ মনে হল হার্ট অ্যাটাক হয়েছে।’কী করে এমন হল? অভিনেত্রী বলেছেন, গ্যাসের উৎপাদনের হার বাড়াতে দিনে তিন গ্লাস প্রোটিন শেক, তার সঙ্গে বিরাট এক পাত্র ব্ল্যাক বিন স্যুপ খেতেন তিনি। আর এই করতে গিয়েই একদিন মনে হল, ‘কিছু একটা গণ্ডগোল হয়েছে’। তলার দিকের বদলে ওপরের দিকে ধাক্কা দিতে শুরু করল গ্যাস!

সপ্তাহ খানেক আগেই স্টেফানির নাম সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল। কারণ ইনস্টাগ্রামে তাঁর এই কাণ্ডকারখানা হঠাৎ ছড়িয়ে পড়ে। নিজের পেটের গ্যাস বোতলে ভরে বিক্রি করছিলেন তিনি। এক বোতলের দাম ১ হাজার ডলার। স্টেফানি জানিয়েছিলেন, চাহিদা এমন বেড়েছিল, কোনও কোনও সপ্তাহে ৫০টা পর্যন্ত বোতল বিক্রি করতে হয়েছে তাঁকে। কিন্তু এই অর্থের চাহিদা এবং অতিরিক্ত গ্যাস উৎপাদনের লোভেই তাঁকে যেতে হল হাসপাতালে।

স্টেফানির কথায়, ‘শ্বাস আটকে গেল! হার্টের কাছে ব্যথা করছে। মনে হল, মরেই যাব। ভয় বাড়তে লাগল। আর দেরি না করে একজন বন্ধুকে ফোন করে বললাম আমায় হাসপাতালে নিয়ে যেতে।’তবে চিকিৎসকদের এই অদ্ভুত রোজগারের পদ্ধতি সম্পর্কে কিছু বলেননি তিনি। চিকিৎসকরা শুধু তাঁর খাদ্যাভ্যাসের কথা শুনে বলেছেন, অবিলম্বে তা বদলাতে।তাই আপাতত ‘গ্যাসের ব্যবসা’ থেকে অবসর নিচ্ছেন স্টেফানি।