প্রেমিকাকে প্রলোভন দেখিয়ে বন্ধুদের সাথে নিয়ে একাধিবার গণ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার তিন

লেখক: বাংলা ম্যাগাজিন
প্রকাশ: ২ মাস আগে

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণের অভিযোগে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- মাসুম (২৩), গোপাল চন্দ্র মিস্ত্রি (২২) ও শাকিল (২৫)। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে ওই শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে কলাপাড়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। কলাপাড়া পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের বাড়ি পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায়।

কলাপাড়া থানার ওসি মো. জসিম জানান, শিক্ষার্থীকে মেডিকেল রিপোর্টের জন্য পটুয়াখালী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশ রাতেই পৌর শহরের রহমতপুর এলাকা থেকে শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেন।

আসামী মাসুম তাকে প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে শিক্ষার্থীর পরিবার অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে না পেয়ে সোমবার কলাপাড়া থানা পুলিশকে অবহিত করেন। ঐ শিক্ষার্থী খেপুপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত । 

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৩শে ফেব্রুয়ারি সকালে মাদ্রাসা সড়ক এলাকার বাসিন্দা ওই শিক্ষার্থী কলাপাড়া হাসপাতালে করোনার টিকা নিতে আসেন। এসময় পরিচয় হয় মাসুমের সঙ্গে।পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে ৮ই মার্চ বিকালে মাসুম ওই শিক্ষার্থীকে বাসা থেকে কৌশলে বের করে টিয়াখালী ইউনিয়নের ইটবাড়িয়া গ্রামে নিয়ে যায়। পরে রাত সাড়ে নয়টার দিকে ওই গ্রামের একটি তালগাছের নিচে শিক্ষার্থীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে মাসুম ও শাকিল।

এতে শিক্ষার্থী কিছুটা অসুস্থ বোধ করলে তারা তাকে কলাপাড়া হাসপাতালের ২০৬ নম্বর কক্ষে ভর্তি করেন। গভীর রাতেও তাকে হাসপাতালের বেডে বসেই ফের মাসুম ধর্ষণ করে হাসপাতালে রেখে চলে যায়। পরের দিন পরিবার লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি পর কলাপাড়া হাসাতালের সামনে পান। বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য মাসুম ভয়ভীতি দেখায়। ফলে সে তার পরিবার বা অন্য কাউকে কিছুই জানায়নি। এ ঘটনার দু’দিন পর ফের ১১ মার্চ দুপুরে ওই শিক্ষার্থী বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পথে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে মাসুম, শাকিল ও গোপাল তাকে পাখিমারা এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।