দেড় মিনিটের কিলিং মিশনে খুন হন জাহিদুল ইসলাম টিপু

লেখক: বাংলা ম্যাগাজিন
প্রকাশ: ২ মাস আগে

নব্বই সেকেন্ডের কিলিং মিশন। টার্গেট মতিঝিল আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু। মিশনে অংশ নেয় দু’জন। মোটরসাইকেলে আসা সন্ত্রাসীদের একজন ঘটনাস্থল থেকে একটু দূরে অপেক্ষা করছিল। আরেকজন সরাসরি অংশ নেয় কিলিং মিশনে। দেড় মিনিটের ওই মিশনে কিলার ১২ রাউন্ড গুলি করে।

হেলমেট ও মাস্ক পরা ওই দুর্বৃত্তের মুহুর্মুহু গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যায় টিপুকে বহনকারী মাইক্রোবাসের দু’পাশের গ্লাস। টিপুর শরীরে সবক’টি গুলি লাগে।ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। ১টি গুলি লাগে মাইক্রোবাসের চালক মুন্নার হাতে। আর এলোপাতাড়ি ছোড়া গুলিতে নিহত হয় আরেক নিরীহ রিকশা আরোহী সামিয়া আফরান জামাল প্রীতি।

অনুসন্ধান ও বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, মতিঝিল আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ছিলেন টিপু। ১০ বছর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এ সময়টাতে তার যেমন অনুসারী ছিলেন ঠিক তেমনি তার শত্রুর সংখ্যাও কম ছিল না। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন ব্যবসাবাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

হোটেল ব্যবসা, ফার্মেসি ব্যবসা ও ঠিকাদারি করতেন। বাংলাদেশ ক্রীড়া পরিষদ ঠিকাদার সমিতির সভাপতিও ছিলেন। এছাড়া মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য ছিলেন পাঁচ বার। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকায় এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কোন্দল ছিল।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টা। মতিঝিল এজিবি কলোনি থেকে মাইক্রোবাসে বাসায় ফিরছিলেন জাহিদুল ইসলাম টিপু। শাহজাহানপুরের বাগিচার বাসায় সাদা রঙের মাইক্রোবাসে করে ফেরার সময় তিনি চালকের পাশের সিটে বসে ছিলেন। গাড়ি চালাচ্ছিলেন চালক মনির হোসেন মুন্না। পেছনের সিটে ছিলেন টিপুর ঘনিষ্ঠ দু’জন বন্ধু। এজিবি কলোনি থেকে রওয়ানা দিয়ে মাত্র ৮ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে তারা পৌঁছান উত্তর শাহজাহানপুর বাটার দোকানের সামনে। ঢিল ছোড়া দূরত্বে খিলগাঁও রেলক্রসিং। ওই সময়টাতে ট্রেনের সিগন্যাল ছিল। তাই তারা যানজটে আটকা পড়েন।

রাস্তার একপাশে যানবাহনের চাপ আর অন্য পাশ ফাঁকা। ঠিক তখনই ফাঁকা রাস্তায় উল্টোপথে লাল রঙের মোটরসাইকেল চালিয়ে আসে দুই সন্ত্রাসী। একজন অবস্থান করে মোটরসাইকেলে আর অপরজন রাস্তা পার হয়ে টিপুকে বহনকারী মাইক্রোবাসের সামনে গিয়ে তাকে উদ্দেশ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে। গতকাল দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে নিহত টিপু ও প্রীতির সুরতহাল সম্পন্ন হয়। এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি ফরেনসিক চিকিৎসক। দুপুর ২টার দিকে তাদের মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় গতকাল সকালে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে শাহজাহানপুর থানায় একটি মামলা করেছেন নিহত টিপুর স্ত্রী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর ফারহানা ইসলাম ডলি।

এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে খুনোখুনির ঘটনা এর আগেও ঘটেছে। ২০১৩ সালের ২৯শে জুলাই আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তৎকালীন দক্ষিণ যুবলীগ নেতা রিয়াজুল হক খান মিল্কিকে খুন করা হয়। ওই মামলার আসামি ছিলেন টিপু। এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেল খেটেছেন টিপু। পরে জামিনে মুক্ত হন। মামলার এজাহারে নাম থাকলেও তদন্তে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, টিপু হত্যার পেছনে বেশ কিছু কারণ সামনে উঠে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রথমত রাজনৈতিক কোন্দল। টিপুর স্ত্রী মামলার এজাহারেও বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। এছাড়া ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ, মতিঝিল আইডিয়ালের গভর্নিং বডির সদস্য হয়ে ভর্তিবাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ, মতিঝিলের বিভিন্ন এলাকায় দোকানপাট বসিয়ে দখলদারি নিয়ন্ত্রণ করার মতো বিষয়ও আলোচনায় আছে। সূত্র মতে, টিপুর একক আধিপত্য নিয়ে বেশ কয়েকজনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। টিপুকে বারবার নিয়ন্ত্রণ ছাড়ার জন্য বলা হয়। কিন্তু তা করেননি টিপু। এজন্য মোবাইলে হুমকিও দেয় দুর্বৃত্তরা। 

ঘটনাস্থলে দেখা যায়, খিলগাঁও রেলগেট থেকে ফ্লাইওভারের ৫ ও ৬ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি স্থান। পেছনে শাহজাহানপুর আমতলা মোড়। ঘটনাস্থলের ডানদিকে রয়েছে রেলওয়ে হাফিজিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা। তার সামনে রয়েছে আমতলা রেলওয়ে মার্কেট। রাস্তার লাগোয়া মার্কেটটিতে রয়েছে পরপর বরিশাল বেডিং ফোম অ্যান্ড পর্দা গ্যালারি, গোপালগঞ্জ বেডিং  অ্যান্ড পর্দা গ্যালারিসহ আরও বেশ কয়েকটি দোকান।

সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়াতে দোকানগুলো বন্ধ ছিল। আর ঘটনাস্থলের বাম দিকে রয়েছে সাউথইস্ট ব্যাংকের উপ-শাখা ও একটি বাটার শোরুম। প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানা যায়। প্রত্যক্ষদর্শী চায়ের দোকানি হাবিব জানান, ঘটনার কয়েক মিনিট আগে আমি দোকান বন্ধ করে আরেকটি দোকানে যাচ্ছিলাম। তখন আমার আশেপাশের সবক’টি দোকান বন্ধ ছিল। আমি ওই দোকানে পৌঁছানোর আগে শব্দ পেলাম। সঙ্গে মানুষের হৈ-চৈ। আমি দৌড়ে এসে দেখি রাস্তার দুই পাশ দিয়ে মানুষ ছোটাছুটি করছে। সাদা একটি মাইক্রোবাস থেকে একজনকে বের করতে দেখি।

মুহূর্তের মধ্যে এলাকার পরিবেশ অন্যরকম হয়ে গেছে। অথচ আমি যাওয়ার সময় দেখেছি ট্রেন সিগন্যালের জন্য রাস্তার একপাশ ফাঁকা আর অন্যপাশে যানবাহনের ভিড়। ঘটনার একেবারেই পাশে সাউথইস্ট ব্যাংকের উপ-শাখা। ওই ভবনের নিরাপত্তাকর্মী মো. লিটন বলেন, আমি মোটর দিয়ে পানি উঠাচ্ছিলাম। হঠাৎ করে শুনি চিৎকার। সঙ্গে সঙ্গে এসে দেখি সাদা মাইক্রোবাসে রক্ত লেগে আছে। গাড়ির ভেতরে একজন মানুষ মাথা নিচের দিকে ঝুঁকে পড়ে আছে। তার সামনে থেকে একটি মেয়েকে টেনে ব্যাংকের নিচে আনা হচ্ছে। তার কিছুক্ষণ পরে পুলিশ, র‌্যাব ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়। শাহ আলম নামের আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আমি ঘটনার সময় ওই সড়কে রিকশায় ছিলাম। ট্রেন সিগন্যালের জন্য রিকশায় বসে ছিলাম। হঠাৎ ঠাস ঠাস করে কিছু একটার শব্দ পেলাম। অন্তত ৮ থেকে ১০ বার শব্দ হয়েছে। তারপরই দেখি মানুষের ছোটাছুটি। কাছে গিয়ে দেখি রাস্তার মধ্যে পড়ে আছে এক মেয়ের মৃতদেহ। আর একটি সাদা মাইক্রোবাসের ভেতরে আরেকজন পড়ে আছে। গাড়ি চালকের হাত দিয়ে রক্ত ঝরছিল। বেশিক্ষণ অপেক্ষা না করে নিরাপত্তার স্বার্থেই আমি ঘটনাস্থল থেকে চলে যাই।

মামলার এজাহারে টিপুর স্ত্রী ফারহানা ইসলাম ডলি উল্লেখ করেছেন, আমার স্বামী বিগত ১০ বছর বৃহত্তর মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পাশাপাশি পাঁচবার মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য ছিলেন। মতিঝিল কাঁচাবাজারে গ্যান্ড সুলতান নামে আমাদের একটি রেস্টুরেন্ট আছে। আমার স্বামী ওই রেস্টুরেন্ট দেখাশোনা করতেন। মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন দলীয় কোন্দল ছিল। ৪-৫ দিন আগে অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী আমার স্বামীকে মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকি দেয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনীর তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, টিপু হত্যাকাণ্ডে যে কিলার অংশগ্রহণ করেছে সে একজন পেশাদার কিলার। এবং অস্ত্র চালনায় পারদর্শী। এত কম সময়ে প্রকাশ্য এতগুলো গুলি করে পালিয়ে যাওয়া সবার পক্ষে সম্ভব না। পাকা হাতের কাজ এটা। চুক্তিভিত্তিক এই খুনে পেশাদার কিলারকে বড় অঙ্কের টাকা দিয়ে চুক্তি হয়েছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে টিপু হত্যা ছোটখাটো কোনো বিষয় নিয়ে হয়নি। এর পেছনে বড় ধরনের কিছু থাকতে পারে। এজন্য একাধিক ক্লু নিয়েই তদন্ত করা হচ্ছে।

টিপুর স্ত্রী ফারহানা ইসলাম ডলি মামলায় আরও উল্লেখ করেন,  প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টায় চালক মনির হোসেন মুন্নাসহ মাইক্রোবাস নিয়ে হোটেলের উদ্দেশ্য রওয়ানা হন। ওইদিন রাতে আমার স্বামী তার সঙ্গী মিরাজ (৫৫), আবুল কালাম (৬০) ও ড্রাইভার মনির হোসেন মুন্নাসহ এজিবি কলোনিস্থ গ্রান্ড সুলতান রেস্টুরেন্টের কাজ শেষ করে বাসার উদ্দেশ্য ফিরছিলেন।রাত ১০টা ১৫ মিনিটের ২০২ উত্তর শাহজাহানপুর মানামা ভবনের জুতার দোকানের  সামনে মেইন রাস্তার ওপর অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারীরা পূর্বশত্রুতার জের ধরে আমার স্বামী জাহিদুল ইসলাম টিপুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্য এলোপাতাড়ি গুলি করে।

এতে গাড়ির বাম পাশের জানালার গ্লাস ভেঙে আমার স্বামীর গলার ডান পাশে, বুকের বাম পাশে, বোগলের কাছাকাছি, বাম কাঁধের উপরে, পিঠে, কোমরে, নাভির উপরেসহ আরও একাধিক স্থানে গুলি লেগে মারাত্মকভাবে জখম হন। দুষ্কৃতকারী এলোপাতাড়ি গুলি করার সময় রিকশা আরোহী সামিয়া জামাল প্রীতি (২২) নামে একজন গুলিবিদ্ধ হয়। মাইক্রোবাসের ড্রাইভার মুন্নার ডান হাতে গুলি লেগে জখম হয়। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা আমার স্বামী ও প্রীতিকে মৃত ঘোষণা করেন।

গোয়েন্দা পুলিশের একটি সূত্র বলছে, চাঞ্চল্যকর এই কিলিং মিশনটি ছিল মাত্র দেড় মিনিটের। মানে ৯০ সেকেন্ডের। এই অল্প সময়ের ভেতরে কিলার মোটরসাইকেল থেকে নেমে রোড ডিভাইডারের কাটা দিয়ে রাস্তা পার হয়ে গাড়ির সামনে দিয়ে যায়। এ সময় তার মাথায় সাদা হেলমেট ও মুখে মাস্ক পরা ছিল। পরণে ছিল সাদা প্যান্ট। এছাড়া গায়ে ছিল গেঞ্জি। টিপুকে বহনকারী গাড়ির সামনে দিয়ে গিয়ে ড্রাইভিং সিটের পাশের সিটে বসা টিপুকে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। ৯০ সেকেন্ডের ভেতরে কিলিং মিশন শেষ করে আবার রাস্তা পার হয়ে মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহজাহানপুর থানার পরিদর্শক ঠাকুর দাস মালো বলেন, ঘটনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মাইক্রোবাসটি উদ্ধার করেছি। গাড়ির ভেতর থেকে ১২টি গুলির খোসা উদ্ধার করেছি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজসহ আরও বেশকিছু আলামত উদ্ধার করেছি। নিহত টিপুর স্ত্রী অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা করেছেন। আমরা এখন বিভিন্ন ক্লু নিয়ে কাজ করছি। আশা করছি শিগগির আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারবো।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিহত প্রীতির বাবা জামাল উদ্দিন বলেন, কুমিল্লার মুরাদনগরে তাদের বাড়ি। তিনি মিরপুরের ছোট একটি কারখানায় চাকরি করেন। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা ভাতা থেকে যা পেতেন তা দিয়েই সংসার চালাতেন। ইচ্ছা ছিল মেয়ে বড় হয়েছে চাকরি বাকরি করে সংসারে কিছুটা সহযোগিতা করবে। কিন্তু তা আর হলো না।

মেয়ে হত্যার বিচার চেয়ে মামলা করবেন কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মেয়ে হত্যার বিচার কার কাছে দেবো। বিচার করার মালিক একজন আল্লাহ। এখন বিশ্বে তো কোনো বিচার নেই। বিচার বলতে কিছু আছে? কোনো দেশেই ভালো বিচার নেই। তিনি বলেন, আমার মেয়ের সঙ্গে যা ঘটেছে তা অনিচ্ছাকৃত। টার্গেট ছিল একজন, দু’জন মারা গেছেন। আল্লাহ মরণ হয়তো এভাবেই লিখেছিলেন। কোনো বাবা-মা’ই সন্তানের এভাবে মৃত্যু চায় না। এটা সহ্য করার মতো না। কী করবো বলেন? তিনি বলেন, বিচার চেয়ে লাভ নেই। নিরীহ মানুষ আমরা। সাধারণ জীবন যাপন করি।

শুক্রবার কাওরানবাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে আমরা কিছু আলামত উদ্ধার করেছি। আমাদের তদন্তে কিছুটা অগ্রগতি আছে। আমরা ঘটনার বেশকিছু ফুটপ্রিন্ট, তথ্য ও আলামত পেয়েছি। বেশকিছু মোটিভ পেয়েছি। যে শুটার, তাকেও আমরা সিসি ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করার চেষ্টা করছি। আমরা অনেক দূর এগিয়ে গেছি।