প্রচ্ছদ উদ্যোক্তা

ইন্টেরিয়র ডিজাইন ব্যবসার সবচেয়ে বড় মূলধন সৃজনশীলতা!

20
ইন্টেরিয়র ডিজাইন ব্যবসার সবচেয়ে বড় মূলধন সৃজনশীলতা!
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

ইন্টেরিয়র ডিজাইন ব্যবসার সবচেয়ে বড় মূলধন সৃজনশীলতা!

শহরে পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে। ঘর-গৃহস্থালিতেও এর ছোঁয়া লাগছে। অন্যের সুন্দর সাজানো-গোছানো বাড়ি দেখলে মনে হয়, আহা, যদি নিজের বাড়িটাও এমন সুন্দর হতো! এত সুন্দর করে কিভাবে সাজিয়েছে বাড়িটা? এমন প্রশ্ন উঁকি দেয় মনের কোণে। আবার অফিসের বেলায়ও তাই।

দিনের বেশির ভাগ সময় যেখানে কাটে সেই কর্মস্থলটাও যদি পরিপাটি করে নান্দনিক উপায়ে সাজানো-গোছানো থাকে তাহলে একধরনের প্রশান্তি পাওয়া যায়। এ কারণে দিন দিনই ইন্টেরিয়র ডিজাইনের চাহিদা বাড়ছে। বাড়ি কিংবা অফিসের ইন্টেরিয়র ডিজাইন করে দেয় এমন প্রতিষ্ঠানও দেশে গড়ে উঠেছে।

এক্স-ইন কনস্ট্রাকশনও এমন একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) দুরদানা হোসেন দিলিয়া সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, কিভাবে তিনি একটি ইন্টেরিয়র ডিজাইন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুললেন এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় তাঁকে কী কী ধরনের প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয়েছে।

এইচএসসি পাসের আগেই বিয়ে হয়েছিল দুরদানা হোসেন দিলিয়ার। এরপর সংসার সামলে গ্র্যাজুয়েশন করেন। স্বপ্ন ছিল স্থপতি হওয়ার। ইন্টেরিয়র ডিজাইনে ঝোঁকার কারণে তা সম্ভব হয়নি। নান্দনিক এই শিল্পে আসতে তিনি প্রথমে ১৯৯৯ সালে এক বছরের ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোর্স করেন। পাস করে ২০০০ সালে তিন বন্ধু মিলে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

আরও পড়ুন:  ভিন্নধর্মী ৬ অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া!

প্রথম হাজব্যান্ডের অফিসের ২০ হাজার স্কয়ার ফিট জায়গায় ইন্টেরিয়র ডিজাইনের কাজ করেন। এরপর নিজের আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধবদের মধ্যে থেকেও কাজ পান। এভাবে কিছুদিন চলার পর সব ছেড়ে সংসারে মনোযোগী হন। বাচ্চা তখন ছোট ছিল। পাশাপাশি একটি বুটিকসও করেন।

সংসার নিয়ে ব্যস্ততা কমলে ৯ বছর পর ২০০৯ সালে আবারও ব্যবসায় ফেরেন দিলিয়া। এবার যাত্রা শুরু করেন নিজের প্রতিষ্ঠান এক্স-ইন কনস্ট্রাকশন নিয়ে। শুরুতে ঢাকার বাইরে গিয়ে কাজ করতে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয়। কর্মনিষ্ঠার জোরে তা কাটিয়ে ওঠেন এই নারী উদ্যোক্তা।

দেড় বছর ধরে ভবন নির্মাণের কাজও করছে এক্স-ইন কনস্ট্রাকশন। এ ছাড়া বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ব্র্যান্ড আউটলেট, ব্যাংকের ব্রাঞ্চ অফিসের এক্সটেরিয়র, ইন্টেরিয়র এবং কনস্ট্রাকশনের কাজও করা হয়। এই প্রতিষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ার, অফিস স্টাফ, শ্রমিকসহ ৬০ জনের মতো নিয়মিত কাজ করছে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুন:  ২ লাখ দিয়ে ব্যবসা শুরু করে কয়েক কোটি টাকার মালিক!

দিলিয়া বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানের শুরুর দিককার প্রধান প্রতিকূলতা ছিল অনেকেই তখন ইন্টেরিয়র ডিজাইনকে গুরুত্ব দিত না। এখন যেমন এর প্রচুর চাহিদা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে ১০০ স্কয়ার ফিটের একটি দোকান নিলেও লোকেরা সেখানে ইন্টেরিয়র করার কথা ভাবেন।’

মেধা ও সৃজনশীলতাকে ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং প্রতিষ্ঠানের প্রধান মূলধন উল্লেখ করে তিনি বলেন, গ্রাহককে তার পছন্দসই নতুন নতুন ডিজাইন দিতে হয়। মেধা খাটিয়ে নতুন নতুন চিন্তা করতে হয়। আর শুরুতে অফিস সাজানোর জন্য কিছু টাকা লাগে। এটা খুব বেশি না, চার-পাঁচ লাখ টাকাই যথেষ্ট।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।