ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ কক্সবাজার থেকে ১,১৭৫ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণ–পশ্চিমে

লেখক: বাংলা ম্যাগাজিন
প্রকাশ: ২ সপ্তাহ আগে

বঙ্গোপসাগরে থাকা গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’তে পরিণত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান সকালে কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ–পশ্চিমে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।আজ রোববার সকালে আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ স্বাক্ষরিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ–পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় থাকা গভীর নিম্নচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় অশনিতে পরিণত হয়েছে। এটি একই এলাকায় অবস্থান করছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কসংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

আজ দুপুরে রাজধানীতে এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে । সকাল ৯টায় দেওয়া আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ঢাকা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের দু–এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় রাঙামাটিতে, ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন ছিল তেঁতুলিয়ায়, ২২ দশমিক ৪ ডিগ্রি। এ সময় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয় পটুয়াখালীতে, ৪৮ মিলিমিটার।  

সকাল ৬টার দিকে অশনি কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ–পশ্চিমে, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ–পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

ঘূর্ণিঝড়কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।