আমেরিকাএক্সক্লুসিভঢাকাবাংলাদেশ

নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে ট্রেনে কাটা পড়ে বাংলাদেশি এক কলেজছাত্রীর মৃত্যু

আমেরিকার নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে ট্রেনে কাটা পড়ে বাংলাদেশি এক কলেজছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার রাত নয়টার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাঁকে ধাক্কা দিয়ে পাতালরেলের লাইনে ফেলে দেয় বলে জানা গেছে।নিহত ছাত্রীর নাম জিনাত হোসেন (২৪)।ছিনতাইকারীরা জিনাতের ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার সময় ছিটকে পড়ে ট্রেন লাইনে কাটা পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়।

জিনাত হোসেন স্থানীয় হান্টার কলেজের ছাত্রী ছিলেন। ২০১৫ সালে বাবা আমির হোসেন ও মা জেসমিন হোসেন হিরাসহ নিউইয়র্কে যান। থাকতেন ব্রুকলিনের এইটথ অ্যাভিনিউয়ে।নিউইয়র্ক পুলিশের বরাতে নিহতের পরিবারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা বলেছেন, পুলিশ মনে করছে জিনাতকে ইউটিকা স্টেশনে যারা ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে, তারা ছিনতাইকারী। 

জিনাতের বাবা আমির হোসেনের ঢাকার ঠাটারিবাজারে ওষুধের ব্যবসা ছিল। তাঁদের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার জগতপুর গ্রামে। জিনাত তাঁর একমাত্র মেয়ে। আর একমাত্র ছেলে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনা করছেন।

নিউইয়র্কপ্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক মাহফুজ রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, জিনাতের মৃত্যুর খবরে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কমিউনিটির সদস্যদের কেউ কেউ মনে করছেন, যারা জিনাতকে ধাক্কা দিয়েছে, তারা সম্ভবত তাঁর সহপাঠী।মাহফুজ বলেন, বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটস, জ্যামাইকা ও ব্রুকলিনে গত কয়েক মাসে পাতালরেলে অপরাধ বেড়েছে। এসব এলাকায় গোলাগুলি হচ্ছে অহরহ।

জিনাত নিউইয়র্কে বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতির সভাপতি ডা. এনামুল হকের শ্যালিকার মেয়ে। তিনি বলেন, পুলিশ বলছে ইউটিকা স্টেশন থেকে জিনাতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু কেন কীভাবে সে ম্যানহাটন থেকে ইউটিকা স্টেশনে গেল, তা বোঝা যাচ্ছে না। বাংলাদেশ সময় গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তদন্ত চলছিল। তদন্ত শেষে মরদেহ হস্তান্তর বিষয়ে ব্রুকলিনে নিউইয়র্ক পুলিশের সঙ্গে নিহতের পরিবার ও বাংলাদেশি কমিউনিটির কয়েক নেতার বৈঠক চলছিল।

বাংলা ম্যাগাজিনে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Flowers in Chaniaগুগল নিউজ-এ বাংলা ম্যাগাজিনের সর্বশেষ খবর পেতে ফলো করুন।ক্লিক করুন এখানে

Related Articles

Back to top button