পদ্মা সেতুর উদ্বোধনঃ হাতিরঝিলে লেজার শো, পাঁচ দিনব্যাপী অনুষ্ঠান

লেখক: বাংলা ম্যাগাজিন
প্রকাশ: ৪ সপ্তাহ আগে

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান একযোগে সারা দেশে দেখানো হবে। জেলায় জেলায় উৎসব করেও এই ক্ষণ উদ্‌যাপন করা হবে। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। আর ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুরসহ কয়েকটি জেলায় এ উপলক্ষে ২৫ জুন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠান চলবে। এর মধ্যে ঢাকার হাতিরঝিলে লেজার শোর আয়োজন করা হবে।

২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরায় হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এরপর মাদারীপুরের শিবচরে জনসভায় বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এ উপলক্ষে ওই এলাকায় ১০ লাখ মানুষের জমায়েত করার পরিকল্পনা করেছে আওয়ামী লীগ।পদ্মা সেতুর মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সারা দেশে একযোগে দেখানোর ব্যবস্থা করতে ১ জুন সব জেলা প্রশাসককে (ডিসি) চিঠি দিয়েছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উদ্যোগে আজ শুক্রবার বিকেলে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে পদ্মা সেতু উদ্বোধন উদ্‌যাপনে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা জেলা প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা বলেন, নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে হাতিরঝিলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখানোর পাশাপাশি লেজার শোর আয়োজন করা হবে। সন্ধ্যায় থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ২৯ জুন পর্যন্ত তাঁদের অনুষ্ঠান পালন করতে বলা হয়েছে। পরবর্তী দিনগুলোর অনুষ্ঠান হাতিরঝিল ছাড়াও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বা অন্য কোনো সুবিধাজনক জায়গায় করা হতে পারে। অনুষ্ঠানমালায় পদ্মা সেতুকেন্দ্রিক ভিডিও দেখানোসহ বিভিন্ন আয়োজন থাকবে।

কয়েকটি জেলায় বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে বলা হলেও ৫৬টি জেলায় এক দিনের জন্য অনুষ্ঠান পালন করতে বলা হয়েছে। তবে কোনো জেলা চাইলে একাধিক দিনও অনুষ্ঠান করতে পারবে বলেও জানানো হয়েছে। এখন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে লিখিত নির্দেশনা পাওয়ার পর বিস্তারিত কর্মসূচি ঠিক করা হবে।পদ্মা সেতুর মূল কাজ শেষ হয়েছে। বাকি টুকটাক কাজও ১৫ জুনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহ বিভাগের একটি জেলার একজন ডিসি বলেন, ২৫ জুন সকাল ১০টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি তাঁদের জেলায় সুবিধামতো কোনো স্থানে উৎসবমুখর পরিবেশে দেখানোর জন্য বলা হয়েছে। একই দিনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে বলা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে জায়গা ঠিক করা হবে।