প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য

চি’রতা’র পানি পানের উ’পকা’রিতা, জানলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন।

28
চি’রতা’র পানি পানের উ’পকা’রিতা, জানলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন।
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

স্বাস্থ্য: সুপ্রাচীনকাল থেকে চিরতা ভারতবর্ষে গু’রুত্বপূর্ণ ভেষজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ভারতবর্ষ চিরতার আদিনিবাস। বিশেষ করে হিমালয়ের পাদভূমিতে তার উৎপত্তি। সেখান থেকে ভারতের বিভিন্ন অংশে, নেপাল ও ভুটানে তা ছড়িয়ে পড়ে। ভারতবর্ষ থেকে ১৮৩৯ সালে চিরতা ইউরোপে প্রবেশ করে। প্রাচীন আয়ুর্বেদ ও চরক সংহিতায় এর উল্লেখ আছে। চিরতার আয়ুর্বেদিক নাম কিরাততিক্তা।

চিরকালের তিতা গাছ বলে হয়তো বাংলায় এর নাম দেয়া হয়েছে চিরতা। কালোমেঘ গাছও তিতা। সে গাছের বাংলা নাম কালোমেঘ, ইংরেজী নামের অর্থ সবুজ চিরতা। তবে চিরতা ও সবুজ চিরতা আলাদা দুটি গাছ। এর বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজী নাম মোটামুটি একই।

এ গাছের হিন্দি নাম চিরেইতা, ইংরেজী নাম চিরেত্তা Chitretta), পাঞ্জাবী নাম চিরেইতা, তামিল নাম নিলাভেম্বু,

আরবী নাম কাসাবুজাজারেয়ী। এ গাছের সব অংশই রোগ নিরাময়ে ব্যবহার করা যায়। আয়ুর্বেদিক বৈশিষ্ট্যে চিরতার রসা বা স্বাদ তিতা, গু’ণ বা ধ’র্ম লঘু ও শুষ্ক, বীর্য ঠাণ্ডা, বিপাক কটু।

আরও পড়ুন:  মাথায় নতুন চুল গজা’তে দারুণ কার্যকরী পেঁয়াজের র’সের ব্যবহার

রোগ নিরাময়ে চিরতার সমস্ত গাছই ব্যবহার করা হয়। তবে এর শিকড় সবচেয়ে বেশি কার্যকর। চিরতা চর্ম রোগ ও জ্বর সারাতে

এক ওস্তাদ গাছ। এছাড়াও হেপাটাইটিস, ডায়াবেটিস, ম্যালেরিয়া জ্বর, অ্যাজমা প্রভৃতি কঠিন অসুখের চিকিৎসাতেও চিরতা ব্যবহার করা হয়। নিচে চিরতার উল্লেখযোগ্য কিছু ভেষজ গু’ণ ও ব্যবহার সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো-

১। শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ২। নিয়মিত তিতা খাবার খেলে অসুখ হওয়ার প্রবণতা কম থাকে। চিরতা এরমধ্যে অন্যতম।

৩। চিরতা খেলে যেকোনো কা’টা, ছেঁড়া, ক্ষতস্থান দ্রুত শুকায়। ৪। ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য চিরতা ভীষণ জরুরি পথ্য। চিরতার রস দ্রুত র’ক্তে চিনির মাত্রা কমিয়ে দেয়।

৫। উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল, উচ্চর’ক্তচাপ, অতি ওজনবিশিষ্ট ব্যক্তির জন্যও চিরতা দরকারি। ৬। টাইফয়েড জ্বর হওয়ার পর আবারও অনেকের প্যারাটাইফয়েড জ্বর হয়। তাই টাইফয়েড জ্বরের পরে চিরতার রস খেলে যথেষ্ট উপকার পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন:  যেসব খাবার ডেকে আনছে অ’কা’ল মৃ*ত্যু!

৭। চিরতার রস কৃমিনাশক। ৮। তারুণ্য ধরে রাখতেও চিরতার গু’রুত্ব অ’পরিসীম। ৯। শরীরের ঝিমুনিভাব, জ্বরজ্বর লাগা দূর করে চিরতার রস।

১০। নিয়মিত তিতা বা চিরতার রস খেলে ফুড পয়জনিং হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। ১১। চিরতা র’ক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে।

১২। যাদের ডায়াবেটিস নেই কিন্তু র’ক্তে চিনির পরিমাণ সবসময় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকে, তাদের জন্য চিরতা গু’রুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 6
    Shares