প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি

দেশে পরিবর্তন আসবে, এজন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হবে: মির্জা ফখরুল

29
দেশে পরিবর্তন আসবে, এজন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হবে: মির্জা ফখরুল
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

দেশে পরিবর্তন আসবে, এজন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হবে: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দেশে পরিবর্তন আসবে ।

তিনি বলেন, হতাশার কোনো জায়গা নেই। পরিবর্তন তো হবেই, পরিবর্তন আসতে হবে। সেই পরিবর্তনের জন্যই কাজ করতে হবে।

মঙ্গলবার বিকালে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রয়াত সভাপতি শফিউল বারী বাবু ও বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আউয়ালের স্মরণে এই ভার্চুয়াল আলোচনা সভা হয়। গত ২৮ জুলাই শফিউল বারী বাবু ফুসফুসের জটিলতায় ও ২০ জুলাই করোনায় আক্রান্ত হয়ে আবদুল আউয়াল মারা যান।

মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণকে সামনে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে, সবার মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করে আমাদেরই পরিবর্তন আনতে হবে। দেশে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে। শফিউল বারী বাবু ও আবদুল আউয়ালের যে ত্যাগ তার মূল্যায়ন তখনই আমরা করতে পারি- যদি সেই সংগ্রামে, সেই লড়াইয়ে আমরা সবাই সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে এ ভয়ংকর ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করতে পারি।

তিনি বলেন, আমরা যে লড়াইটা লড়ছি সেটা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই। এ দেশের মানুষের বেঁচে থাকার জন্য লড়াই, এ দেশের মানুষের যে মালিকানা তা ফেরত পাওয়ার লড়াই। এ লড়াইয়ে প্রায় বেশিরভাগ মানুষের সমর্থন রয়েছে। গণতান্ত্রিক অবস্থা তারা ফিরে পেতে চায়, গণতন্ত্রকে ফিরে পেতে চায়, অধিকার ফিরে পেতে চায়, ভোট দিতে চায়। কিন্তু হচ্ছে না, পারা যাচ্ছে না। এখানে এমন একটা শক্তি যারা পুরোপুরিভাবে সমস্ত রাষ্ট্রযন্ত্রকে দখল করে নিয়ে, ক্ষমতা দখল করে বসে সেই স্বপ্নগুলোকে খান খান করে দিচ্ছে। এজন্য এখন আমাদের ভাবতে হবে।

আরও পড়ুন:  ‘ঢাকার যেখানে যাই সড়কের অফিস’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এখন বিশ্বে যে রাজনীতি এসে দাঁড়িয়েছে, সেখানে আমাদের গণতন্ত্রের উত্তরণটা কীভাবে? এটা এত সহজ নয়। ডিক্টেটর থেকে ডেমোক্রেসি অথবা ফ্যাসিজম থেকে ডেমোক্রেসি- এটা এত সহজে আসে না। এর জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়, অনেক প্রাইজ পে করতে হয়। আমরা কিন্তু গণতান্ত্রিক দল হিসেবে ইতোমধ্যেই প্রচুর দাম দিয়েছি, দিচ্ছি, দিয়ে চলেছি। ২০ লাখ নেতাকর্মী মিথ্যা মামলায়, এক লাখের ওপরে মামলা। আমাদের প্রায় হাজারের ওপর মানুষ গুম হয়ে গেছে, হাজারের ওপরে মানুষ খুন হয়ে গেছে। কথা বলার কোনো স্বাধীনতা নেই, বিচার পাওয়া যাচ্ছে না। অর্থনৈতিক ন্যূনতম যেটুকু স্বাধীনতা ছিল সেটাও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এক্ষেত্রে আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব বলে আমরা মনে করি আমাদের রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগণকে সংগঠিত করা। যেই জনগণ আমরা বিশ্বাস করি, আজকে এই যে ভয়াবহ স্বৈরাচার ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে একটা বিক্ষুব্ধ হয়ে আছে, তাদের আমাদের সংগঠিত করতে হবে। জনগণকে সংগঠিত করার মধ্য দিয়েই কিন্তু আমরা তাদের অধিকারটা ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হব, এছাড়া হবে না।

আরও পড়ুন:  বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সাজা নিশ্চিতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে: ওবায়দুল কাদের

বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন- দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল।

বাংলা ম্যাগাজিন ডেস্ক

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 6
    Shares