প্রেমিকা পানিতে ঝাঁপ দিলেও তাঁর প্রেমিক ঝাঁপ না দিয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন

লেখক: বাংলা ম্যাগাজিন
প্রকাশ: ২ সপ্তাহ আগে

যমুনা নদীতে একসঙ্গে ঝাঁপ দিতে যাচ্ছিলেন প্রেমিক-প্রেমিকা। কিন্তু সব কিছু ওলটপালট হয়ে গেল! বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন দুজন। তাঁদের সম্পর্ক পরিবার, সমাজ কেউ মেনে নেবে না। তাই দুজন অনেক ভেবেচিন্তে যমুনা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৩২ বছর বয়সী ওই নারী বয়সে দুই বছরের ছোট চান্দু নামের এক যুবকের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। তাঁদের এই পরকীয়ার সম্পর্ক মাসখানেক বেশ ভালোই চলছিল। কিন্তু সমস্যার সূত্রপাত ঘটে এক মাস আগে।  

নারী তাঁর ছয় বছরের কন্যাকে নিয়ে কিছুদিনের জন্য দেশটির পুনেতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেই ফাঁকে ওই নারীকে না জানিয়ে বিয়ে করে ফেলেন ‘প্রেমিক’ চান্দু। গত ১৮ মে প্রয়াগরাজে ফিরে নারী তাঁর প্রেমিকের বিয়ে করার কথা জানতে পারেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝামেলাও হয়।   

পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট দিনে দুজন হাত ধরে পৌঁছেও গিয়েছিলেন যমুনার তীরে। কিন্তু প্রেমিকা পানিতে ঝাঁপ দিলেও তাঁর প্রেমিক ঝাঁপ না দিয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন! তাই দেখে সাঁতরে তীরে ফিরে এসে প্রেমিকের বিরুদ্ধে থানায় বিশ্বাসঘাতকতা ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রেমিকা। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে।

দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা যমুনা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করবেন। আত্মহত্যার দিন ঠিক করে ফেলেন তাঁরা। কিন্তু নির্দিষ্ট দিনে যমুনার তীরে যাওয়ার পরই ঘটল এই ঘটনা।ওই নারী অভিযোগ করেছেন, আত্মহত্যা করার জন্য তাঁরা দুজনই নির্দিষ্ট দিনে যমুনা নদীর ওপর সেতুতে হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি জলে ঝাঁপ দিলেও ওই যুবক ঝাঁপ দেননি।

এটা দেখে তড়িঘড়ি তিনি সাঁতার কেটে পাড়ে ফিরে আসেন। এর পরই ওই যুবকের বিরুদ্ধে কয়েদগঞ্জ থানায় বিশ্বাসঘাতকতা ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেন। বর্তমানে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এই নারী। পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে আটক করেছে।