প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য

অ*তি*রি*ক্ত ভাত খে’লে শ*রী*রে বা’সা বাঁ*ধ*তে পারে না’না রো*গ

31
অ*তি*রি*ক্ত ভাত খে’লে শ*রী*রে বা’সা বাঁ*ধ*তে পারে না’না রো*গ
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

স্বাস্থ্য: “পেটপুরে ভাত খেলাম” বা “ভাত না খেলে মনে হয় পেটই ভরেনি” ইত্যাদি কথাগু’লোর সাথে আমর’া কমবেশি সকলেই পরিচিত। পেটপুরে ভাত খাওয়াটা আমা’দের বাঙালি সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে আছে।

কিন্তু আসলেই কি পেটপুরে ভাত খাওয়াটা ভালো? হ্যাঁ, ভাতে তেল নেই বিধায় এটা অনেক স্বাস্থ্যকর খাবার সন্দে’হ নেই। কিন্তু পেটপুরে ভাত খাওয়াটা আসলে এমন মা’রাত্মক একটি অভ্যাস, যা আপনাকে টেনে নিয়ে যাব’ে মৃ’ত্যুর দিকে! কীভাবে? চলুন জেনে নেই!

ভাত খাওয়া নিয়ে সমস্যা নেই কিন্তু বৈজ্ঞানিক মতে অতিরিক্ত ভাতের যোগান শরীরে নানা সমস্যা তৈরি করে। যা সম্পর্কে জানা না থাকলে অবশ্যই জেনে নিন। অতিরিক্ত ভাত খাওয়া শরীরের জন্য খুবই ক্ষ’তিকারক। ভাত বেশি পরিমান খেলে শরীরে ওজন বৃ’দ্ধির সাথে সাথে নানা সমস্যা দেখা দেয়।

ধমনীতে র’ক্ত চলাচলে সমস্যা দেখা দেয় ওজন বেড়ে গেলে। হজম হবার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়। খাবার ঠিক ভাবে হজম হয় না ফলে পাচনপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে না। ওজন বেড়ে গেলে খাবার শরীরের ভিতরে গিয়ে বিভাজিত হয় না ঠিকঠাক, সেই জন্য হজমের সমস্যা দেখা দেয়। ভাত শরীরের কার্বোহাইড্রেট মেটাবোলিজম কমিয়ে দেয় ফলে নানা সমস্যার সম্মুখীন ‘হতে হয়।

যদি নানান রোগের থেকে বাঁচতে চান তাহলে ভাত খাওয়া কমিয়ে দিন। কিছু ক্ষেত্রে ডাক্তাররা দেখেছেন যে অনেক সময়

আরও পড়ুন:  প্রা’ণ’ঘা’তী ব্লা’ড ক্যা*ন্সা*রে*র আ’গাম ল’ক্ষ’ণগু’লো জেনে নিন

শুধুমাত্র অতিরিক্তভাত খাওয়ার ফলে নানা রোগের আবির্ভাব হয়। এবং বৈজ্ঞানিকভাবেও একথা প্রমাণিত।

এশিয়া মহাদেশের অধিকাংশ জায়গায় ভাত প্রধান খাবার। ৮৫% জায়গায় ভাত প্রধান খাবার হিসেবে মানুষ উপভোগ করে থাকে। ভাত খাওয়া সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি, যে ভাত খেতে হলে একেবারে কম পরিমান খাওয়াই উচিত। কিছুদিন ভাত না খেয়ে থাকুন দেখবেন হজমের সমস্যা, ওজন বেড়ে যাওয়া সব কমে যাব’ে। শরীর ফিট থাকবে।

অতিরিক্ত ভাত শরীরের ভিটামিন, আয়রনের বৃ’দ্ধিতে বাধা তৈরি করে। আপনার ডায়েটে যদি অধিক মাত্রায় ভাত থাকে তাহলে আপনার শরীরে ভিটামিন বি হ্রাস পাবে। শরীর থেকে জিঙ্ক অ’পসারিত ‘হতে থাকবে যা শরীরের জন্য ভালো না। যদি আপনি অতিরিক্ত পরিমান ভাত খাওয়ার অভ্যেস থাকে তাহলে তা একেবারে ছেড়ে দেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু ভাত খাওয়ার পরিমান কমানো সম্ভব।

মানবদে’হের শক্তির মূল উৎস শর্করা, কার্বোহাইড্রেট, চিনি। কিন্তু অধিক মাত্রায় এগু’লি শরীরে থাকলে শরীরে সমস্যা তৈরি হয়। কার্বোহাইড্রেট শরীরে পর্যা’প্ত পরিমানের বেশি থাকলে শরীর নানাভাবে ক্ষ’তিগ্রস্ত হয়। ভাত অরিতিক্ত পরিমান খেলে দে’হে শর্করা, চিনি, কার্বোহাইড্রেট বেড়ে যায় ফলে নানারকম রোগ চলে আসে শরীরে।

ভাত বেশিমাত্রায় খাওয়ার ফলে গ্যাস্ট্রিক আলসারের সমস্যা ৯০% মানুষের মধ্যে দেখা দেয়। সার্ভে করে দেখা গিয়েছে গ্যাস্ট্রিক আলসারের সমস্যা ভাত খাওয়ার থেকে বেশি মাত্রায় হয়। অতিরিক্ত চিনি থাকে ভাতে যা থেকে গ্যাসের সমস্যা হয়। এই গ্যাস থেকে অ্যাসিডিটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ৯০% । যা গ্যাস্ট্রিক আলসারের মত সমস্যার তৈরি করে শরীরে।

আরও পড়ুন:  যেকোনো প’রিস্থি’তে অ’স’হ্য মা’থা ব্য’থা দূ’র করার ১০টি সহজ কৌ’শ’ল শিখে নিন

চিনি বেশি মাত্রায় শরীরে জমতে শুরু করলে ডায়বেটিস হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। শরীরে থাকা বীটাকোষ ইন্সুলিন পর্যা’প্ত পরিমান তৈরি করতে অক্ষম হয়ে যায়। র’ক্তে চিনির পরিমান বেড়ে যেতে থাকে। ডায়বেটিস হলে মানবদে’হ ধীরে ধীরে নানান রোগের মুখোমুখি ‘হতে থাকে।

বৈজ্ঞানিক মতে ভাত খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষ’তিকারক নয়। কিন্তু অধিক মাত্রায় ভাত খাওয়া শরীরের পক্ষে ভালো না।

ভাত আলস্যতা বাড়িয়ে দেয় শরীরে। ফলে পরিশ্রম করার ক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। যারা রুটি খান তারা বেশি উৎসাহ নিয়ে কাজ করতে পারেন। কিন্তু ভাত খেলে শরীরে আলসেমি তৈরি হয়। কাজ করার উৎসাহ কমে যায়।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।