ভিন্ন স্বাদের খবর

গাজীপুরে হাসপাতাল থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, শ্বাশুড়ী আটক

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্ত্রী আলপনা আক্তারের (১৮) লাশ রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী শাহ আলম শাহীন (২৪)। গতকাল শনিবার রাত ৮টার দিকে হাসপাতাল থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শাশুড়ি মোছা. নুরুন্নাহারকে পুলিশ আটক করেছে।

পুলিশের হাতে আটকের আগে আলপনার শাশুড়ি ও শাহ আলমের মা মোছা. নুরুন্নাহার বলেন, তিনি শ্রীপুরের আসপাডা এলাকার আতাব উদ্দীনের বাড়িতে প্রায় আট বছর ধরে ভাড়া থেকে একটি কারখানায় চাকরি করেন।

গতকাল তাঁর ছেলে ও ছেলের বউ তাঁর ভাড়া বাসায় আসেন। তিনি সকাল থেকে তাঁর কর্মস্থলে ছিলেন। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে এক স্বজন তাঁকে ফোন দিয়ে ঘটনাটি জানান। তাঁর ছেলে ও ছেলের বউয়ের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতো।

আলপনা আক্তার নেত্রকোনার সদর উপজেলার বিজয়পুর গ্রামের রহমত আলীর মেয়ে। গতকাল বেলা সাড়ে ৩টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুরের আসপাডা এলাকার আতাব উদ্দীনের বাড়ির একটি কক্ষের ধরনায় ঝুলন্ত অবস্থায় আলপনাকে উদ্ধার করা হয়।

পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর স্বামী শাহ আলম শাহীন নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার কামতলা গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে। শাহ আলম স্ত্রীকে নিয়ে গাজীপুরের শ্রীপুরের ১ নম্বর সিঅ্যান্ডবি এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়া থেকে কারখানায় কাজ করেন। হাসপাতালে লাশ নিয়ে যাওয়ার পর থেকে স্বামী পলাতক।

শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আসমাউল হোসনা বলেন, মৃত অবস্থায় ওই নারীকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাঁর শরীরে দুটি স্থানে আঘাতের চিহ্ন আছে।শ্রীপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ ইমতিয়াজ ভূঁইয়া বলেন, হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে এ বিষয়ে জানা যাবে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আলপনা আক্তারের শাশুড়ি মোছা. নুরুন্নাহারকে পুলিশ আটক করেছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

বাংলা ম্যাগাজিনে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Flowers in Chaniaগুগল নিউজ-এ বাংলা ম্যাগাজিনের সর্বশেষ খবর পেতে ফলো করুন।ক্লিক করুন এখানে

Related Articles

Back to top button