প্রচ্ছদ বাংলাদেশ বিভাগ

তিতাসে খাল নয়, এটি একটি সড়ক

21
তিতাসে খাল নয়, এটি একটি সড়ক
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

বাংলা ম্যাগাজিন ডেস্ক : অপরিকল্পিত সড়ক নির্মান করায় কুমিল্লার তিতাস উপজেলা ভিটিকান্দি ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের আওতাধীন দড়িকান্দি ভেড়ি বাঁধ থেকে কালিপুর পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়ক প্রায় ৩ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এলাকায় নতুন আসা যে কেউ প্রথম দেখায় এটিকে রাস্তা না ভেবে খাল মনে করে ভুল করবেন।

বর্ষার আসার সাথে সাথেই দড়িকান্দি বেড়ি বাঁধ থেকে ব্রীজ পর্যন্ত পুরো ১ কিলোমিটার পুরো সড়কটি পানিতে তলিয়ে যায়। এ কারণে বন্ধ হয়ে যায় সড়ক যোগাযোগ। এতে সময় ও অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি দুর্ভোগ বেড়ে গেছে এবং রাস্তা ভেঙে খাল-খন্দের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে গেছে।

সরেজমিন দেখা যায়, পানির লেভেল থেকে প্রায় ২/৩ ফুট নীচে তলিয়ে যাওয়া নির্মানাধিন রাস্তায় কোথাও কোমড় পানি আবার কোথাও হাটু পানি এ কারনে ইউনিয়নের দড়িকান্দি, ছালিয়াকান্দি, কালিপুর, শ্যাম্বুপুর, গাজিপুর, হাইদরকান্দি, রোগনাথপুর গ্রামের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে প্রায় ১০/১২ হাজার লোকের। ফলে ডবল ভাড়ায় তাদের চলতে হচ্ছে নৌকা যোগে ও বিকল্প রাস্তা দিয়ে।

ওই ইউনিয়নের জাতীয় পার্টির নেতা ও দড়িকান্দি গ্রামের বাসিন্দ মো. রফিকুল ইসলাম জানান , সড়কটি প্রথম অবস্থায় সরু ছিল সেই সরু সড়কটি চওড়া করার জন্যে মের্সাস লোকমান হোসেন ফার্মের ঠিকাদার ইয়াছিন অন্য খান থেকে মাটি না এনে , সরু সড়কটির মাটি দু পাশে ছড়িয়ে দেয়ার কারনে রাস্তাটি ৩ ফুট নীচু হয়ে যায়। যার ফলস্রুতিতে পুরো ১কিলোমিটার রাস্তাটিকে আজ কোথাও কোমড় পানি আবার কোথাও হাটু পানি। রাস্তাটি ৩ ফুট নীচু করে কাজ করা সময়ে আমরা সর্বস্তরের জনগন মিলে ঠিকাদার ইয়াছিনকে অনুরোধ করি এটি না করার জন্য। কিন্তু ইয়াছিন করো কথায় কর্নপাত না করে দুটি ভেকু দিয়ে মাটি কেটে রাস্তাটি নীচু করে ফেলে। তাছাড়া রাস্তায় নিন্ম মানের সামগ্রীও ব্যাবহার করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:  কুমিল্লায় বুধবারে আরও ৪২ জনের করোনা শনাক্ত, প্রাণ গেল ৩ জনের

বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও শিক্ষক আদিলুজ্জামান জানান , প্রতিদিন চারবার করে এই পথ পাড়ি দিয়েই হেঁটে চলাচল করতে হয়। রাস্তাটিতে হাটুর উপড় পানি থাকায় এই পানি দিয়ে চলাচলের কারণে অনেকেরই পায়ে ঘাঁ হয়ে গেছে। আক্রান্ত হচ্ছে নানা চর্মরোগে। এ ছাড়া রাস্তার গর্তে পড়ে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ে স্কুলের শিক্ষার্থী ও নারীরা।

এ ব্যাপারে মের্সাস লোকমান হোসেন ফার্মের ঠিকাদার ইয়াছিন বলেন, আমি রাস্তার বালু সড়াইনি রাস্তা নীচুও করিনি তবে রাস্তার দুই পাশে পানি থাকায় ইট ,সুড়কি, বালুর গাড়ি যাতায়াতকালে রাস্তার মাটি নিচে সড়ে রাস্তাটি নীচু হয়ে গেছে। এখন বর্ষাকাল চাইলেই সড়কের কাজ ধরতে পারবনা। বর্ষার পানি চলে গেলেই চায়ের দোকানের লেভেলেই সড়কের কাজ করব।

আরও পড়ুন:  প্রেমের টানে ঘর ছেড়ে কুমিল্লা থেকে মির্জাগঞ্জে বৃষ্টি সাহা

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মুিহব উল্লাহ বলেন, এ বিষয়টি আমাদের কানে আসার সাথে সাথেই পরির্দশনে যাই এবং কাজ বন্ধ রাখি। ওই এলাকায় চায়ের দোকান আছে এই দোকানের লেভেলে রাস্তাটি করলে র্বষার পানি আর রাস্তায় উঠবেনা। তাছাড়া বন্যাজনিত কারনে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার পানি বেশি হয়েছে। আগামী শুকনো মৌসুমে রাস্তাটির উন্নয়নকাজ শুরু করা যাবে বলে আমি আশা করছি।

বেহাল এই সড়কটি ব্যবহারকারী এলাকার প্রায় ১০/১২ হাজার মানুষের দুর্ভোগের অন্ত নেই, এ পরিস্থিতিতে দ্রুত সড়কটি উচু করে সংস্কারের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 4
    Shares