প্রচ্ছদ খেলা ক্রিকেট

নিয়মের ভুল প্রয়োগ, জিতিয়ে দেয়া হয়েছে ইংল্যান্ডকে

113
পড়া যাবে: 3 মিনিটে

ফাইনাল শেষ হয়ে গেছে, শেষ হয়নি উত্তাপ। স্টোকসের সেই ব্যাটে লাগা ওভারথ্রো নিয়ে এখনও চলছে আলোচনা-সমালোচনা। অনফিল্ড আম্পায়ারদের এমন হাস্যকর ভুল যেমন অবাক করেছে সবাইকে, তেমনি হতাশায় পোড়াচ্ছে কোটি ক্রিকেটপ্রেমীকে। বিশ্বকাপ ফাইনালের মতন গুরুত্বপুর্ণ ম্যাচে এমন ভুল কি অনিচ্ছাকৃত নাকি উদ্দেশ্যপূর্ণ? আবারও ভুল আম্পায়ারিং এর শিকার হল ক্রিকেট?

শেষ ওভারে জেতার জন্য ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ১৫ রান। ১৪ রান নিয়ে ম্যাচ টাই করলেন স্টোকসরা। বল করতে আসেন ট্রেন্ট বোল্ট। প্রথম দুই বলে রান দেননি। চাপ তৈরি করেন ইংল্যান্ড শিবিরে। প্রথমে ইয়র্কার তারপর অফস্টাম্পের বাইরে বল রেখে খেলতে দেননি স্টোকসকে। কিন্তু তৃতীয় বল মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দেন ইংল্যান্ড প্লেয়ার বেন স্টোকস। ডিপ মিড উইকেটের ওপর দিয়ে বল চলে যায় বাউন্ডারির বাইরে। এর পরের বলেই ঘটে সেই বিতর্কিত ঘটনা।

বোল্টের চতুর্থ বল ফুলটস হয়ে যায়। কিন্তু স্টোকস এ বার মিড উইকেটে মেরে দু’রানের জন্য ছোটেন। গাপটিল বল ছোড়েন উইকেট লক্ষ্য করে। বল উইকেটে নয়, লাগে ডাইভ দেওয়া বেন স্টোকসের ব্যাটে। শুধু তাই নয় সেই বল চলে যায় বাউন্ডারির বাইরে।

ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির নিয়ম বলছে, ওভার থ্রোয়ে যদি চার হয়, তবে তার আগে সেই রানই যোগ হবে, যে রান ব্যাটসম্যানরা ফিল্ডার বল ছোড়ার আগে শেষ করেছেন। অর্থাৎ গাপ্তিল বল ছোড়ার আগে যে রানটি স্টোকস ও রশিদ নিয়েছেন, সেই রানই যোগ হবে। প্রথম রান তাঁরা শেষ করলেও দ্বিতীয় রান তাঁরা নেওয়া শুরু করলেও ক্রস করেননি।

অর্থাৎ নিয়ম অনুযায়ী পাঁচ রান দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু দেওয়া হয় ছয় রান। এই এক রানই ম্যাচের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়। টাই হয়ে যায় ম্যাচ। নিয়ম মেনে পাঁচ রান দিলে হয়তো বদলে যেত ম্যাচের ফল।

ফক্স স্পোর্টসকে দেওয়া এক বিশ্লেষণে সায়মন টাফেল জানান- ‘অন ফিল্ড আম্পায়াররা এই ওভার থ্রোর ব্যাপারে এমসিসির থাকা নিয়মের ভুল প্রয়োগ করেছেন। এটাকে তিনি দেখছেন ‘বিচার করার ভুল’ হিসাবে। ইংল্যান্ড ঐ ঘটনায় ৫ রান পাবে, ৬ রান নয়। ওটা ছিল পরিষ্কার ভুল, বিচার করতে পারার ভুল।’ খারাপ আম্পায়ারিং এ বারের বিশ্বকাপে বার বার আলোচিত হয়েছে। ফাইনালেও তা পিছু ছাড়ল না।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট