প্রচ্ছদ বাংলাদেশ শিক্ষাঙ্গন

স্যার যেভাবে ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে পি*টিয়েছেন এভাবে একজন চো*রকেও মানুষ পে*টায় না

71
স্যার যেভাবে ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে পিটিয়েছেন এভাবে একজন চোরকেও মানুষ পেটায় না
পড়া যাবে: < 1 minute

কলেজ ক্যাম্পাসে ঝালমুড়ি বিক্রি করায় ফজলু মল্লিক নামের এক ব্যক্তিকে পি*টিয়ে আ*হত করেছেন এক শিক্ষক। সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। ওই শিক্ষকের নাম আহ্সান কবীর রানা। তিনি উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান। এর আগে তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অ*পব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। খবর : পূর্বপশ্চিমবিডির

এ দিকে নিরপরাধ ব্যক্তিকে পি*টিয়ে আ*হতের ঘটনায় ফুঁ*সে উঠেছে স্থানীয় ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তারা ওই শিক্ষকের বিচার দাবি করেছেন। ঘটনার পর কলেজ ক্যাম্পাসে দেখা যায় ঝালমুড়ি বিক্রেতা ফজলু মল্লিকের পা থেকে ঘাড় পর্যন্ত সারা জায়গায় লা*ঠির আ*ঘাতের চিহ্ন, র*ক্ত ঝ*রছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, দুপুর ১২টার দিকে জাহিদ ও সালাম নামের দুই কর্মচারী এসে ঝালমুড়ি বিক্রেতা ফজলু মামাকে অফিসে ডেকে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর দেখি ফজলু মামা কাঁ*দতে কাঁ*দতে অফিস থেকে বেরিয়ে আসছে। পরে দেখি তার পুরো শরীরে লা*ঠির আ*ঘাতের চিহ্ন। স্যার যেভাবে ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে পি*টিয়েছেন এভাবে একজন চো*রকেও মানুষ পে*টায় না। এই ফজলু মামা সারাদিন ঝালমুড়ি বিক্রি করে আর সন্ধ্যায় সব কাগজ কুড়িয়ে পু*ড়িয়ে ফেলে।

আরও পড়ুন:  চাঁ*দাবা*জির অভিযোগে আরও দুই যুবলীগ নেতা গ্রে*ফতার

ফজলু মল্লিক বলেন, ‘আমি ৮ বছর ক্যাম্পাসে ঝালমুড়ি বিক্রয় করি। প্রতিদিনের মতো আজও ঝালমুড়ি বিক্রি করতে এসেছিলাম। হঠাৎ রানা স্যার আমাকে ডেকে তার রুমে নিয়ে লা*ঠি দিয়ে পি*টিয়েছে। সে সময় আমাকে মা*রছেন কেন জিজ্ঞাসা করায় আরও বেশি মা*রধর করে রানা স্যার।’

ঘটনার পর ফজলু মল্লিকের পরিবার চিকিৎসার জন্য তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঝালমুড়ি বিক্রেতা ফজলু মল্লিক কুষ্টিয়া শহরের কোর্টপাড়া এলাকার আকবর মল্লিকের ছেলে।

উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আহ্সান কবীর রানা বলেন, ‘আমরা ক্যাম্পাস এরিয়া বহিরাগতমুক্ত করার চেষ্টা করছি। এতে কারও সঙ্গে একটু আধটু ধা*ক্কাধা*ক্কি হতেই পারে।’

আরও পড়ুন:  আমাকে মা*রছে,আমার ভাবিকে মা*রছে? ২মি*নিটে জা*নাযা শে*ষ করতে বলেন কিভাবে?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন রানা স্যার একজন ব*দ মে*জাজি শিক্ষক। তিনি শিক্ষকের ভূমিকায় না থেকে মা*স্তানের ভূমিকায় থাকেন। যে কারণে ভ*য়ে শিক্ষার্থীরা তাকে এড়িয়ে চলে। কিছু জানতে চাওয়ার সাহস পাই না। আড়ালে শিক্ষার্থীরা তাকে মা*স্তান স্যার বলে ডাকে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

  • 2
    Shares