প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য

অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি খেয়ে অজান্তেই করছেন নিজের যে সর্বনাশ

14
অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি খেয়ে অজান্তেই করছেন নিজের যে সর্বনাশ
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

ঘরে বাইরে অসহ্য গরম। গরমে ঘরে-বাইরে হাঁসফাঁ’স অবস্থা। অতিরিক্ত গরমে ঠাণ্ডা পানি খাওয়ার চাহিদা থাকে বেশিরভাগ মানুষের। ঘরে ফিরেই ফ্রিজ খুলে ঠাণ্ডা পানি বের করে পান করেন।

শীত ছাড়া গরমে সারা বছর ঠাণ্ডা পানি পান করে থাকেন অনেকে। তবে আপনি জানেন কি? এই ঠাণ্ডা পানি পান করার অভ্যাস ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ বিপদ।

আসুন জেনে মাত্রাতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি পান করলে যেসব ভয়াবহ বিপদ ’হতে পারে।

১. খাবার খাওয়ার পরে ঠাণ্ডা পানি খাবেন না। ঠাণ্ডা পানি শ্বা’সনালীতে অতিরিক্ত পরিমাণে শ্লেষ্মা’র আস্তরণ তৈরি হয়, যা থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

২. ঠাণ্ডা পানি পান করলে র’ক্তনালী সংকুচিত হয়ে পড়ে ও স্বাভাবিক পরিপাক ক্রিয়াও বাধাপ্রা’প্ত হয়। ফলে হজমের মা’রাত্মক সমস্যা ’হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওয়ার্কআউটের পর ঠাণ্ডা পানির পরিবর্তে কুসুম গরম পানি পান করলে বেশি উপকার পাওয়া যাব’ে।

৩. শরীরচর্চা করার পর ঠাণ্ডা পানি একেবারেই পান করা যাব’ে না। কারণ ঘণ্টাখানেক শরীরচর্চা করার পর শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটা বেড়ে যায়। এ সময় ঠাণ্ডা পানি পান করলে হজমের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৪. দন্ত চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি পান করলে দাঁতের ভেগাস স্নায়ুর ওপর ক্ষ’তিকর প্রভাব পড়ে। ফলে আমা’দের হৃদযন্ত্রের গতি অনেকটা কমে যেতে পারে।

আরও পড়ুন:  শরীরে রোগ প্র’তিরোধ ক্ষ’মতা বাড়ায় এই ৫ খাবার

তাই ঠাণ্ডা পানি পানের অভ্যাস থাকলে ত্যাগ করুন।

সূত্র: জিনিউজ প্লাস্টিকের কাপে চা পানে ভয়াবহ ক্ষ’তি: গবেষণাচা একটি জনপ্রিয় পাণীয়। সারা দিনের কাজের ক্লান্তি দূর করতে এক কাপ চা বা কফির বিকল্প নেই। তবে এই চা বা কফি পানের ক্ষেত্রে সর্তক থাকতে হবে।সবার আগে দেখতে হবে কোন কাপে চা পান করছেন। কাপটি যদি প্লাস্টিকের হয় তবে ভুলেও এই কাপে চা পান করবেন না।

রাস্তার ধারের কোনও দোকানে দাঁড়িয়ে চা-কফি খাওয়া মানেই হলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্লাস্টিকের কাপে খাওয়া।এসব অভ্যাস ত্যাগ করুন।

গবেষকদের মতে, ভুলেও প্লাস্টিকের কাপে চা খাওয়া ঠিক নয়।

তাদের মতে, প্লাস্টিকের তৈরি পানির বোতল ও শিশুদের দুধের বোতল, প্লাস্টিকের পাত্রের খাবার মাইক্রোওয়েভেনে গরম করা, প্লাস্টিক মোড়কে বিক্রি হওয়া খাবার ডেকে আনছে এমন নানা রোগ।

গবেষকদের মতে, প্লাস্টিকের মধ্যে থাকা বিসফেনল-এ নামের টক্সিক এ ক্ষেত্রে বড় ঘা’তক। গরম খাবার বা পানীয় প্লাস্টিকের সংস্পর্শে এলে ওই রাসায়নিক খাবারের স’ঙ্গে মেশে। এটি নিয়মিত শরীরে ঢুকলে নারীদের ইস্ট্রোজেন হরমোনের কাজের স্বাভাবিকতা বিঘ্নিত হয়। পুরুষদের ক্ষেত্রে শুক্রা’ণু কমে যায়।

আরও পড়ুন:  টানা ৩০ দিন আ’দা খে’লে কী হয়, জান’লে অ’বাক হয়ে যাবে’ন!

এছাড়া হার্ট, কিডনি, লিভার, ফুসফুস এবং ত্বকও মা’রাত্মক ক্ষ’তিগ্রস্ত ’হতে পারে। এমনকী, স্তন ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কাও থাকে।

গবেষণায় থেকে আরো জানা যায়, প্লাস্টিকের কাপ তৈরিতে যে উপাদান ব্যবহার করা হয়, সেগু’লি বেশি মাত্রায় শরীরে প্রবেশ করলে ক্লান্তি, হরমোনের ভারসাম্যতা হারানো, মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমে যাওয়া-সহ একাধিক রোগে আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

যেমন, বোতল বা পাত্র তৈরিতে ব্যবহৃত পলিভিনাইল ক্লোরাইডকে (পিভিসি) নরম করা হয় থ্যালেট ব্যবহার করে। এই থ্যালেট আমা’দের শরীরের পক্ষে বি’ষ।

শরীরে এই রাসায়নিক নিয়মিত ঢুকতে থাকলে শ্বা’সকষ্ট, স্থূলতা, টাইপ ২ ডায়াবিটিস, কম বু’দ্ধাঙ্ক, অটিজম, ব্রেস্ট ক্যানসারের মতো অসুখ শরীরে বাসা বাঁধে। তাই দীর্ঘদিন সুস্থ শরীরে বাঁচতে এখই বর্জন করুন, এড়িয়ে চলুন প্লাস্টিকের কাপ, গ্লাস, পাত্র।

আর্টিকেলটি শেয়ার করুণ

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 4
    Shares