প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য

আপনার হা’র্ট সু’স্থ রাখতে ঠিক কতটা ঘু’ম দর’কার, জেনে নিন বিস্তারিত

24
আপনার হা’র্ট সু’স্থ রাখতে ঠিক কতটা ঘু’ম দর’কার, জেনে নিন বিস্তারিত
পড়া যাবে: < 1 minute

সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান বর্জন করলেই কি হার্ট অ্যাটাককে ঠেকানো যাব’ে? গবেষকেরা বলছেন, বর্তমানে মানুষের ঘু’মের সময় কমে আসছে। কাজের চাপ, টেলিভিশন, কম্পিউটার আর মুঠোফোন মানুষের ঘু’মের সময় গড়ে দিনে তিন ঘণ্টা কমিয়ে দিয়েছে।

এর বিরূপ প্রভাব পড়ে শরীরের বিপাক ক্রিয়ার ওপর। ফলে বাড়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি (৬ ঘণ্টার কম ঘু’ম)। আবার অতিরিক্ত ঘু’মও (৯ ঘণ্টার ওপর) ঝুঁকি বাড়ায়।

গবেষকেরা বলছেন, ঘু’মের মধ্যে আমা’দের হৃৎস্পন্দন, র’ক্তনালির স্থিতিস্থাপকতা, র’ক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা ও হৃদ্‌যন্ত্র, মস্তিষ্কের কর্মকাণ্ডে নানা ধরনের শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে। ঘু’মের সময়টাতে আপনি জেগে থাকলে তাতে ছন্দপতন ঘটে। দে’হঘড়ির কাজ ব্যা’হত হয়। এর বিরূপ প্রভাব পড়ে র’ক্তসংবহনতন্ত্রের ওপর।

আদিকাল থেকে সূর্যাস্তের পর রাত নামলে মানুষের ঘু’মিয়ে পড়ার অভ্যাস। এটাই স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া। এ কারণেই সম্প্রতি আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন সুস্থ হার্ট পেতে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন এবং নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি জোর দিয়ে রাতে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন’্ন ঘু’মের কথা বলেছে।

আরও পড়ুন:  খুব কম সম’য়ে ৫-১০কেজি ও*জ’ন ক’মা*নো’র স’হ’জ উ’পা’য়

রাত জাগা, দেরি করে ঘু’মানোর অভ্যাস, ঘু’মের সময় নানা ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্র ও ডিভাইস ব্যবহার ইত্যাদি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করুন। অফিসের কাজ বাড়িতে বয়ে আনবেন না, রাতে ফাইল বা কম্পিউটারে অফিসের কাজ করবেন না। শোবার ঘরে তো নয়ই।

শোবার ঘরকে কেবল ঘু’মের জন্যই ব্যবহার করবেন। ঘু’মানোর আগে মস্তিষ্ক উত্তেজিত করে এমন কাজ (যেমন টিভি দেখা, ফেসবুক ব্যবহার ইত্যাদি) করবেন না।

রাতে বারবার ঘু’ম বিঘ্নিত হলে স্লিপ এপনিয়া, শ্বা’সকষ্টের সমস্যা, হৃৎস্পন্দনে অনিয়ম ইত্যাদি আছে কি না পরীক্ষা করুন।

ঘু’মের চক্র ঠিক রাখতে প্রতিদিন একই সময় ঘু’মাতে যাব’েন, একই সময় উঠবেন। সন্ধ্যার পর চা, কফি, অ্যালকোহল পান করবেন না।

আরও পড়ুন:  দুধ ও চিনির সঙ্গে ডুমুরের রস খান, ব’ন্ধ হয়ে যাবে আপনার…

রাতের খাবার ঘু’মানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে শেষ করবেন। বিকেলবেলা একটু ব্যায়াম ঘু’মে প্রশান্তি আনে। খাবারদাবার আর শারীরিক শ্রমের মতো ঘু’মও সুস্থ থাকার একটা গু’রুত্বপূর্ণ উপাদান—এটা বিশ্বা’স করতে শিখু’ন।

ডা. শরদিন্দু শেখর রায়, হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞ, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল।

আর্টিকেলটি শেয়ার করুণ

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।