প্রচ্ছদ বাংলাদেশ শিক্ষাঙ্গন

মুজিববর্ষে চালু হচ্ছে ইউজিসির ‘বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ’

15
মুজিববর্ষে চালু হচ্ছে ইউজিসির ‘বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ’
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

বাংলা ম্যাগাজিন ডেস্ক  :     বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ’ চালু হচ্ছে। এর মাধ্যমে গবেষণা প্রকল্প তৈরি, ডক্টরেট ডিগ্রি, পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপসহ বিভিন্ন ধরনের ডিগ্রি প্রদান করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) উদ্যোগে এটি বাস্তবায়িত হবে।

কমিশন বলছে, খুব শিগগিরই এটি চালু হবে। অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসরদের এ ফেলোশিপ দেয়া হবে। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। চলতি মাসে প্রত্যাশীদের কাছ থেকে আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউজিসির রিসার্চ সাপোর্ট অ্যান্ড পাবলিকেশন ডিভিশনের পরিচালক মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘আমরা জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এ ফেলোশিপ চালু করতে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে আমরা কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত একটি বৈঠকের কথা রয়েছে। সেখানে এটি বাস্তবায়নের একটি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির আলাপ আলোচনার মাধ্যমে আমরা খুব শিগগিরই সার্কুলার দিয়ে দেব। গবেষণার ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর ওপর একটি বই প্রকাশ করা হবে।’

আরও পড়ুন:  ১০ বছরেও শেষ হয়নি জবির একমাত্র ছাত্রী হল নির্মাণের কাজ

জানতে চাইলে ইউজিসির গবেষণা সহায়তা ও প্রকাশনা বিভাগের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির কারণে যেহেতু বিদেশ পাড়ি দেয়া জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে, সে কারণে মানসম্মত উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে দেশের অভ্যন্তরে বৃত্তির সংখ্যা কীভাবে বাড়ানো যায় সেই চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির কারণে ইন্টারন্যাশনাল বৃত্তি কিছুটা কমে যাবে। সম্ভাবনা থাকলেও বাংলাদেশের অনেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন। বৈশ্বিক মহামারির কারণে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। যেগুলো খোলা রয়েছে সেগুলোতে অর্থ বাজেট বরাদ্দ কমিয়ে দেয়া হয়েছে বলে বিদেশি অনেক বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা বা স্কলারশিপ থেকে পিছিয়ে যাচ্ছেন।’

এদিকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্টের আওতায় প্রতিবছর বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশে-বিদেশে এমএস, পিএইচডি এবং পিএইচডি পরবর্তী গবেষণার জন্য ফেলোশিপ দেয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১০-১১ অর্থবছর থেকে ২০১৯-২০ অর্থ-বছর পর্যন্ত ৫১৯ জনকে ১৫৫ কোটি ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ফেলোশিপ দেয়া হয়েছে। ২০০৯-১০ অর্থ-বছর থেকে এমফিল, পিএইচডি ও পিএইচডিত্তোর পর্যায়ে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের মধ্যে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (এনএসটি) ফেলোশিপ দেয়া হচ্ছে। ২০১৮-১৯ অর্থ-বছর পর্যন্ত ১৩ হাজার ২২৫ জন ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকের মধ্যে ৮২ কোটি ৬২ লাখ টাকার ফেলোশিপ দেয়া হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩ হাজার ২০০ জনকে ১৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ফেলোশিপ দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:  সীমিত পরিসরে শেকৃবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে গবেষণা ও উন্নয়ন কাজে উৎসাহ ও সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ২০০৯-১০ অর্থ-বছর থেকে গবেষণা প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বিজ্ঞানী-গবেষকদের মধ্যে গবেষণা অনুদান প্রদান করা হচ্ছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছর পর্যন্ত ৩ হাজার ২৪২টি প্রকল্পের অনুকূলে ১৩০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা গবেষণা অনুদান প্রদান করা হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৫৬১ প্রকল্পের জন্য ৫৬১ জনকে ১৬ কোটি টাকা গবেষণা অনুদান দেয়া হয়।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 4
    Shares