প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য

হ’ঠা’ৎ না’ক কা’ন বা গ’লায় কিছু ঢু’ক’লে দ্রু’ত যা করবেন!

30
হ’ঠা’ৎ না’ক কা’ন বা গ’লায় কিছু ঢু’ক’লে দ্রু’ত যা করবেন!
পড়া যাবে: 3 মিনিটে

অনেক’সময় খেলতে গিয়ে বাচ্চারা না বুঝেই কিছু জিনিস নাকে কানে বা গলায় দিয়ে ফে’লে । ঠিক তখনই বাচ্চার স’’ঙ্গে অ’ভি’ভাবকদেরও বি’পদে পড়তে হয়। অনেক সময় তা অনেক বেশি বি পজ্জ নকও ’হতে পারে।

তাই জে’নে নিন নাকে কানে কিংবা গলায় কোনও বস্তু আ টকে গেলে কী করবেন-কানে কিছু ঢুকলে বাচ্চাদের কৌতু’হলের শেষে নেই।

তাই খেলতে খেলতে কোনও বস্তু কানে ঢুকিয়ে দিতে বাচ্চা’রা দুবার ভাবে না। আর সেখানেই কেলে ঙ্কারি।

শুধু বাচ্চা নয়, বড়’দের ক্ষেত্রেও একটি ঘ’টনা ঘটতে পারে। এই প’রিস্থিতিতে সময় থাকতে থাকতে সঠিক সি’’দ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জ’রুরি। কানের ফুটোর মধ্যে পোকামাকড়, মশা-মাছি প্রভৃতি ঢুকে আ’টকে পড়ে, সে ক্ষেত্রে বাড়িতে নিজে’রা খোঁচা’খুঁচি করলে স’মস্যা আরও জটিল হওয়ার আশ’ঙ্কা থাকে।

শি’শু ছাড়াও বড়’দের কানের ভি’তরে পোকা’মাকড়, মশা-মাছি অনেক সময় ঢুকে যায়। এক্ষেত্রে জ’রুরি ভিত্তিতে শি’শুকে অথবা আ’ক্রা’’ন্ত ব্য’ক্তিকে চিকিত্সকের কাছে নিয়ে যেতে না পারলে বাড়িতে প্রথমেই বুঝতে চেষ্টা করুন, কানের মধ্যে যে জিনিস’টি ঢুকেছে, সেটি জীবন্ত কিছু না কি জড় পদার্থ।

জড় পদার্থ ঢুকে থাকলে চিকিত্সকের কাছে যেতে সামান্য দেরি হলেও অ’সুবিধা নেই। কিন্তু কানে মশা-মাছি, তেলা’পোকা, পিঁপড়ে বা অন্য কোনো জীব ঢুকে পড়লে সেটিকে মে রে ফে লতে চেষ্টা ক’রতে হবে, না হলে কানের ভেতরে আ’টকা পড়া প্রা’ণীটির নড়া’চড়ার কারণে শি’শুর কানে ব্য’থা ও অ’স্বস্থি ’হতে থাকবে।

নিজে’রা চেষ্টা করলে অনেক সময় কানের পর্দা ছিদ্র হয়ে যায় অথবা কানের ভি’তরে ক্ষ’ত হয়ে যায়। এমন স’মস্যার ক্ষেত্রে হাতের কাছে পাতলা যে’কোনো ধ’রনের তেল (অলিভ ওয়েল অথবা নারিকেল তেল) ধীরে ধীরে ফো’টায় ফো’টায় কানের মধ্যে দিন। বাড়িতে এর বেশি কিছু করার প্র’য়োজন নেই। এরপর যত দ্রুত সম্ভব, শি’শুকে হাস’পাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত।

আবার উদ্ভিজ্জ বস্তু ঢুকে গেলে যেমন ধ’রুন মটর’শুঁটি সেই বস্তুর কানের ভি’তরে বেড়ে ওঠার ভয় থাকে। এক্ষেত্রে মটরশুঁটি

আরও পড়ুন:  গায়ে আ*গু*ন লাগলে যে ৫টি কাজ করা অ’ত্য’ন্ত জ’রুরি

কানের ঘাম ও আবহাওয়ার কারণে ফুলে যেতে পারে। ফলে কানের ব্য’থা বাড়ে।

সেই বস্তু’টিকে বের করার সময়ও বেগ পেতে হয়। তাই এক্ষেত্রে এক’দ’ণ্ড সময় ন’ষ্ট না করে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের কাছে আনতে হবে। এর আগে অবশ্য নি’র্দিষ্ট কানে দুই-এক ফোঁটা গ্লিসা’রিন দেওয়া দর’কার। কানে গ্লিসারিন দিলে উদ্ভিজ্জ বস্তুটি আ’কারে ছোট হয়ে যাব’ে। কমবে ব্য’থা। আবার বেশ কিছু মানুষ কানে জল ঢোকার স’মস্যার অ’ভিযোগ করেন।

তবে সত্যি বলতে, কানে ঢোকা জল আপনা থেকেই বেরিয়ে আসা বা উবে যাওয়া দর’কার। তাই বেশি চিন্তা নয়। কিছুক্ষণ অ’পেক্ষা করলেই স’মস্যা মিটে যাব’ে। চাইলে কানে গরম সেক দিতে পারেন। তবে বারং’বার কানে জল ঢুকে যাও’য়ার ঘ’টনা ঘটার অর্থ ’হতে পারে কানের পর্দায় ছিদ্র রয়েছে। তাই বার’বার এই ঘ’টনা ঘটলে একবার অ’ন্তত চিকিত্সকের কাছে আসতে হবে।

নাকে কিছু ঢুকলে; নাকে কোনও কিছু ঢুকলে, সম’স্যার শেষ থাকে না। যদি দেখেন যে বস্তুটি নাকে ঢুকে গেছে তা ধা’রালো কোনও বস্তু নয়, গোল বস্তু নয় বা বস্তুটি বের করার মতো অবস্থায় রয়েছে তা আঙুল বা চিমটে দিয়ে বের করে নিতেই পারেন। তবে সাব’ধান থাকতে হবে।

খেয়াল রাখবেন, বাচ্চা’রা অনেক সময় কোনও বস্তুকে নাকের ভি’তর ঠে লতে ঠে লতে অনেক গ ভীরে নালীর মধ্যে ঢুকিয়ে ফে’লে । এমন অবস্থায় খালি চোখে নাকের ভি’তরে সেই বস্তুটিকে আর দেখা সম্ভব হয় না। এখানে মনে রাখার বি’ষয় হল, নাকে কোনও বস্তু ঢুকলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই নাকে সর্দি হয়। জল পড়ে টপ’টপ করে।

তখন নাকে বস্তু ঢুকে রয়েছে বলে ধ’রে নিয়ে চিকিত্সকের কাছে যাওয়ার ভালো। নাকে কী আছে তা ডাক্তারেরা এক্সরে করে নি’শ্চিত হন। ধাতব বাদে অন্য ধ’রনের কোনও বস্তু হলে নাকের মধ্যে ক্যামেরা’যুক্ত নল ঢুকিয়ে দেখেন ডাক্তা’রেরা।

আরও পড়ুন:  একটি কাজেই ‘বি*স্ম*য়*ক*র ভা’বে’ সেরে উঠবে ফু’স’ফু’স।

বস্তু এবং তার অব’স্থান সম্ব’ন্ধে নি’শ্চিত হওয়ার পর বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা বিভিন্ন যন্ত্র ব্যবহার করে সেই বস্তুটিকে বাইরে বের করে দেন। তাই নাকে কিছু আ’টকে গেলে দেরি না করে অব’শ্যই চিকিত্সকের কাছে যান।

গলায় ঢুকলে; গলায় কাঁ টা ঢু কলে অনেকেই নানা কিছু করার পরা’মর’্শ দিয়ে থাকে। তাতে খুব এখটা কাজ দেয় না। ভুক্ত’ভোগী মাত্রই জা’নেন, বি’ষয়টা ঠিক কতটা অস্বস্তিকর। তবে ভাত, কলা, রুটির মতো খাদ্যবস্তু খেলে কা’টা নেমে যেতে পারে।

সত্যি বলতে, কিছু ক্ষেত্রে এই প’দ্ধতি অব’লম্বন করে কাঁটা নেমে যায়। তবে মুশকিল হল, এই প’দ্ধতির কারণে বেশির’ভাগ সময়ই কাঁ’টা গলার আরও ভি’তরে ঢুকে যায়। তখন সেই কাঁটা বের করে আনাও ততো’ধিক ক’ঠিন হয়ে পড়ে। তাই প্রথমেই এসব ধারণা থেকে দূ’রে সরে আসুন।

তবে শুধু মাছের কাঁটা নয়, মাংসের টুকরো, ধানের তুষ সহ আরও হাজারো জিনিস গলায় গেঁথে যেতে পারে। সাধারণত টনসিলে বা জিভের পিছনের দিকেই এই বস্তু’গু’’লি গেঁথে যায়। এক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে হাত দিয়ে বের করার চেষ্টা করা যেতে পারে। জল’পান করেও দেখা যেতে পারেন। জলপানে সাধারণত আ’টকে থাকা বস্তু না বেরলেও, সেই বস্তু কোথায় আ’টকে রয়েছে, তা বোঝা যায়।

ঢুকে থাকা বস্তু না বেরিয়ে আ’সলে অবশ্যই চিকিত্সকের কাছে আসতে হবে। বাচ্চা’দের ক্ষেত্রে আরেকটি বড় স’মস্যা হল তা অনেক সময়ই পেনের ক্যাপ, খেলনার টুকরো গলায় আ’টকে ফে’লে । তাই অ’ভি’ভাবকদের দের না করে বাচ্চাকে নিয়ে চিকিত্সকের কাছে যাওয়া দর’কার।না হলে বি’পদ বাড়তে পারে।

আর্টিকেলটি শেয়ার করুণ

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 6
    Shares