প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জেলা

নিম্নমানের খাবার ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অমানবিক আচারনের অভিযোগ যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে

12
নিম্নমানের খাবার ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অমানবিক আচারনের অভিযোগ যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

স্টাফ রিপোর্টার

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে শিশু কিশোরদের সরবরাহকৃত খাবার ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আচারন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেন্দ্রে অবস্থানকৃত শিশু কিশোর ও তাদের অভিভাবকরা। এমনকি বাড়ী থেকে খাবারও দিতে দেওয়া হয় না তাদের। নাগরিক সমাজ বলছে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের আচারন ও পরিবেশ শিশু কিশোরদের মানসিকভাবে অপরাধী করে তোলে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সমাজ সেবা কর্মকর্তা। আর ধারন ক্ষমতার প্রায় দ্বিগুন শিশু কিশোর অবস্থান করছে এখানে।

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে শিশু কিশোরদের সরবরাহকৃত খাবারের মান ভাল নয়। আর শিশু কিশোরদের সাথে ব্যবহার করা হয় দাগী আসামীদের মতন। অভিযোগ শিশু কিশোরদের। চুয়াডাঙ্গা থেকে হত্যা মামলার আসামী কিশোর মোঃ পাবেল জানান, খাবার ঠিক মত দেয় না। মাঝে মাঝে ভাল খাবার দিলেও বেশির ভাগ সময় খারাপ খাবার দেয়। নোয়াখালি থেকে আসা মোঃ জাবেদ হোসেন হত্যা মামলার আসামী জানান, এখানে ০২ বছর ধরে আছি। কুরবানিতে আমাদের খারাপ মাংস খাওয়ানো হয়েছে। ঠিকমত খেতে দেয় না। বাড়ি থেকে খাবার আসলেও দেয় না। অপর আসামী যশোরের মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহিম জানান, আমরাতো আসামী আমাদের সাথে তারা আসামীর মত আচারন করে। একই অভিযোগ অভিভাবকদের। বাড়ী থেকে আনা খাবারও দিতে দেওয়া হয় না শিশু কিশোরদের।

আরও পড়ুন:  পিরোজপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জীবিকা নির্বাহ উপকরণ দিল নৌবাহিনী

শিশু কেন্দ্রের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার আসামী আনিসুর রহমান পোদ্দার এর বাবা আব্দুর রহমান জানান, গত বৃহষ্পতিবার এখানে তিন শিশু মারা গেছেন। আমরা এখনও আমাদের সন্তানদের সাথে দেখা করতে পারি নাই। গত ঈদের আগে তার সাথে দেখা করলে সে বরে এখানে ভাল খাবার দেয় না। খারাপ ব্যবহার করে। সে এখানে আর থাকবে না।

জয়পুরহাট থেকে আসা আরো একজন অভিভাবক একই কথা বলেন। তিনি বলেন, তার ছেলেও এখানে থাকতে চায় না। এখানে সমস্যা বলেই সে আর এখানে থাকতে চায় না। নাগকির সমাজের দাবি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিবেশ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আচারণ শিশু কিশোরদের মানসিকভাবে অপরাধী করে তোলে, বলছেন যশোরের সনাকের এই নির্বাহী সদস্য জিল্লুর রহমান ভিটু।

আরও পড়ুন:  মোংলায় কবি-গীতিকার জেম্স শরৎ কর্মকারের জন্মদিন পালন

তবে এসকল অভিযোগ মানতে নারাজ যশোরের সমাজ সেবা অধিদপ্তরে এই কর্মকর্তার। তার দাবি এখানে শিশু-কিশোররা পরিবারের মত থাকে। যশোর সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক অসিত কুমার সাহা আরো জানান, আমি এটি নিয়মিত পরিদর্শন করি। এখানে কেউ আমাকে এই অভিযোগ করিনি। যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের ধারন ১৫০ এর বিপরীতে শিশু কিশোর রয়েছে ২৭৭ জন।

সমাজের অপরাধ কর্মে জড়িয়ে যাওয়া শিশু কিশোরদের সংশোধনের জন্য নিয়ে আসা হয় শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে। এই শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিবেশ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিমাতা সুলভ আচারণ সংশয় সৃষ্টি করেছে এই শিশু কিশোরদের ভবিষ্যৎ নিয়ে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 4
    Shares