Bangla News

সিএনজিতে খাঁচার মতো গ্রিল কেন থাকে

লাইফস্টাইল ডেস্ক : কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাসের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো সিএনজি। যানবাহন চালানোর জন্য সাধারণত প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয় যা প্রধাণত মিথেন গ্যাস হয়ে থাকে। রাস্তায় বের হলেই আমরা যে সবুজ রঙের গাড়িগুলো দেখতে পাই সেগুলোকেই মূলত আমরা সিএনজি বলতেই এখন অভ্যস্ত।

ঢাকায় সর্বপ্রথম এ যানটি নামে ২০০৬ সালে। পরিবেশ দূষণরোধে এ যান চালু করার পাশাপাশি বন্ধ করে দেওয়া হয় সব ধরনের ইঞ্জিনবিশিষ্ট অটোরিকশা বা বেবি ট্যাক্সি।

আরো পড়ুন: আলমারি গুছিয়ে মাসে আয় ৬০ হাজার টাকা

এ কারণে ঢাকার রাস্তায় এখন শুধু বেবি ট্যাক্সি বলতে এই সবুজ রঙের গাড়িগুলোকেই দেখা যায়। এসব যানবাহন দুই স্ট্রোক ইঞ্জিন বিশিষ্ট, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও মিটার বসানো।

পেট্রোল ও ডিজেলচালিত যানবাহনের তুলনায় সিএনজিতে চলা যানবাহনের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ সাধারণত কম হয়ে থাকে। গাড়ি স্টার্ট দেওয়ার পর যখন সিএনজি দহন চেম্বারে পৌঁছায় তখন এটি বাতাসের সঙ্গে মিশে যায়। এরপর একটি স্পার্ক দ্বারা প্রজ্বলিত হয় এবং বিস্ফোরণ থেকে পাওয়া শক্তির মাধ্যমে গাড়িটি নড়াচড়া করে।

সবুজ রং পরিবেশ বান্ধবের প্রতীক হলেও সিএনজিতে উঠতে প্রায় মানুষই ভয় পায়। এ জন্য অবশ্য শক্ত কারণও আছে। বেশিভাগ সিএনজি চালকরাই ছিনতাই চক্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় বা রাতে ছিনতাইকারীর খপ্পরে চালক ও প্যাসেন্জার দুজনেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এসব যানে যাত্রীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে।

এসব নিরাপত্তাহীনতা ঘোচাতে পুলিশি সমাধান হলো গ্রিলড সিএনজি। গ্রিলড সিএনজি বলতে বুঝানো হচ্ছে সিএনজির দরজাগুলোতে খাঁচার মতো গ্রিল দেওয়াকে। রাত-বিরাতে সিএনজি যাত্রীদের নিরাপত্তা প্রশ্নে এক্ষেত্রে যাত্রী ও চালক উভয়কেই গ্রিলে ঘেরা খাঁচার মধ্যে অবস্থান করতে হয়।

Flowers in Chaniaগুগল নিউজ-এ বাংলা ম্যাগাজিনের সর্বশেষ খবর পেতে ফলো করুন।ক্লিক করুন এখানে

Related Articles

Back to top button