প্রচ্ছদ এডিটরস পিক

শেখ হাসিনার নেতৃত্ব কেন অপরিহার্য

26
শেখ হাসিনার নেতৃত্ব কেন অপরিহার্য
পড়া যাবে: 5 মিনিটে

ড. রাশিদ আসকারী

চতুর্দশ শতাব্দীর মরোক্কান পরিব্রাজক ইবনেবতুতা ১৩৪৬ সালে যখন বাংলাদেশ পরিভ্রমণ করেন তখন তিনি এ দেশকে জলাবেষ্টিত একখন্ড ‘দারুণ উর্বর’ ভূমি হিসেবে দেখতে পেয়েছিলেন, যার বেশির ভাগ মানুষ কৃষি আর তাঁত বুননের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করত। পরিব্রাজকের বর্ণনায় এমনটিই উঠে এসেছে আশ্চর্যজনকভাবে। আজ সাত শতাব্দী পরেও ইবনেবতুতার এই বর্ণনা অনেকটাই প্রাসঙ্গিক। বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, তার সঙ্গে চোখে পড়ার মতো পোশাকশিল্প তো রয়েছেই। গত দশকে বাংলাদেশের অর্জন সবার কাছেই এক বিস্ময়। আর এই বিস্ময় সম্ভব হয়েছে যার নেতৃত্বে তিনি হলেন আমাদের ষোলো কোটি মানুষের নেতা জননেত্রী শেখ হাসিনা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বেশি সময় নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ যে আজ অনুন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করেছে তার কৃতিত্ব শেখ হাসিনার। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার প্রথম দফা দায়িত্ব গ্রহণ (১৯৯৬-২০০১) ছিল দেশকে এক ক্রান্তিকাল থেকে টেনে তোলার প্রথম ধাপ, যে ক্রান্তিকালের সূচনা হয়েছিল পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে। দেশ আবারও হোঁচট খায় বেগম জিয়ার প্রধানমন্ত্রিত্বের পুরো সময়জুড়ে (২০০১-২০০৬) বিএনপি-জামায়াতের সীমাহীন দুর্নীতি, সহিংসতা, চরমপন্থা এবং ধর্মীয় জঙ্গিবাদের ছোবলের কারণে। শেখ হাসিনা এবারও ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন, নিয়ে আসেন তার ব্যাপক জনপ্রিয় পরিবর্তনের ২৩ দফা ইশতেহার, ভিশন-২০২১। আর তাই গণমানুষের রায়ে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে পুনরায় তিনি হাল ধরেন বাংলাদেশের। তিনি দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং দেশকে ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্সের মতো পুনর্জন্ম দান করেন।

তিনি যখন আবারো ২০১৪ ও ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন দেশের উন্নয়ন যাত্রা চলমান থাকে সমস্ত বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে। কিসিঞ্জারের ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ আজ কানায় কানায় পূর্ণ। এই প্রবন্ধে গত দশকের কিছু প্রধান উন্নয়ন কর্মকান্ডের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে- যা সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে, যিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদই নন, একজন সমাজকর্মীও বটে। তবে উন্নয়ন বলতে অবকাঠামোগত, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য উন্নয়নকেই আমি বোঝাতে চেয়েছি। এইচএসবিসি গেস্নাবাল রিপোর্টের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের অর্থনীতি উছলে উঠছে! বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে এবং ভবিষ্যতে ফিলিপাইন, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম এবং মালয়েশিয়া আমাদের পেছনেই থাকবে, অর্থাৎ তারা আমাদেরই অনুগামী হবে। ইজওঈ (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন) এর পরে যে এগারটি দেশ (দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, বাংলাদেশ, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, তুরস্ক এবং ভিয়েতনাম) একুশ শতকের বিশ্বে বৃহৎ অর্থনীতি হয়ে উঠতে প্রস্তুত, যাদের আমরা ‘নেক্সট ইলেভেন’ বলে ডাকছি, বাংলাদেশে তারও তালিকায় রয়েছে। সার্ক, কমনওয়েলথ, ডি-৮ এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা যেমন আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক, ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন এবং এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদস্য হিসেবেও বাংলাদেশ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। আর সাম্প্রতিক সময়ে উপমহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে বাংলাদেশের উত্থান শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বেরই ফসল। হঁ্যা, এসব কিছুই সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার অসাধারণ নেতৃত্বের গুণাবলির কারণে, তার তত্ত্বাবধানেই দেশ আরও বিস্ময় উপহার দেওয়ার অপেক্ষায়। তিনি আমাদের দেখিয়েছেন কীভাবে বড় শক্তির বিরোধিতাকে পাশ কাটিয়ে আমরা নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণে উদ্যোগী হতে পারি। প্রকৃতপক্ষে উন্নয়নের নিজস্ব স্বতন্ত্র নীতি রয়েছে শেখ হাসিনার, আর রয়েছে পশ্চিমা শক্তিকে পাশ কাটিয়ে চলার অমিত সাহস- যা তিনি সততা ও নিষ্ঠা থেকে অর্জন করেছেন।

আরও পড়ুন:  সুশাসন ও শিক্ষা

শেখ হাসিনা ও তার সরকারের অন্যতম সামাজিক দায়বদ্ধতাই ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা। আর তা করার সাহস দেখিয়ে দেশকে যেন দ্বিতীয়বারের মতো মুক্ত করেছেন তিনি। এই বিচারের পদক্ষেপ ছিল সরকারের অত্যন্ত সাহসী সিদ্ধান্ত এবং এর তুলনা চলে নুরেমবার্গ, টোকিও কিংবা ম্যানিলা ট্রায়ালের সঙ্গে। এটি বাংলাদেশের ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে একটি নতুন ইতিহাস- যা প্রমাণ করে যে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ কখনো তামাদি হয় না।

আর একটি বিষয়ে শেখ হাসিনার সরকার প্রশংসার দাবি রাখে। আর তাহলো ধর্মীয় জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে তার সরকারের আপসহীন লড়াই। বর্তমান বিশ্বের ভয়াবহ সমস্যাগুলোর মধ্যে এটি একটি। জঙ্গিবাদী শক্তির হাতে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, সিরিয়া, ইরাকসহ নানা দেশে মানুষ মারা পড়ছে কীটপতঙ্গের মতো। চলমান সাম্প্রদায়িক সহিংসতা মানববসতিকে পরিণত করেছে মৃতু্যপুরীতে। বাংলাদেশও জঙ্গিবাদ ভাইরাসের কবলে পড়ার উপক্রম হয়েছিল। শেখ হাসিনার সরকার জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং তার জঙ্গিবাদবিরোধী ভূমিকা মুসলিম দেশগুলোর জন্য অনুসরণীয় মডেল হতে পারে।

নারীর ক্ষমতায়ন শেখ হাসিনা সরকারের আরেকটি উলেস্নখযোগ্য সাফল্য। স্বাধীনতাপরবর্তী বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো সর্বাধিক সংখ্যক নারীকে উচ্চপদে অধিষ্ঠিত করা হয়েছে। নোবেল বিজয়ী অমর্ত্য সেন মেনেই নিয়েছেন যে, লিঙ্গ সমতা ও ক্ষমতায়নের অনেক সূচকে বাংলাদেশ ভারতের চেয়ে এগিয়ে। সরকার নারীর ক্ষমতায়নে একটি রাষ্ট্রীয় নীতি গ্রহণ করেছে এবং তা প্রয়োগের মাধ্যমে নারীর সামাজিক ও আইনি মর্যাদায় আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে। নেপালের ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. টেকনাথ ধাকাল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলাদেশ ও নেপালের এমডিজি থেকে এসডিজিতে রূপান্তরের পয়েন্টগুলোর তুলনামূলক আলোচনা করেন এবং বাংলাদেশের লক্ষণীয়ভাবে সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রশংসা করেছেন।

শেখ হাসিনা জলবায়ু আন্দোলনেরও চ্যাম্পিয়ন এবং যথার্থ কারণেই জাতিসংঘের সর্বোচ্চ পরিবেশ সম্মাননা ‘চ্যাম্পিয়ন অব দি আর্থ’ অর্জন করেছেন। তিনি প্রথম দিকের বিশ্বনেতাদের একজন যারা জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন নীতি গ্রহণ করেন। তিনি এই পরিবেশগতভাবে পরিবর্তিত বিশ্বে দুর্যোগপ্রবণ বাংলাদেশের অবস্থান ঠিকই চিহ্নিত করতে পেরেছেন এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যার গভীরতা উপলব্ধি করতে পেরেছেন। তিনি ‘চৎড়মৎবংংরাব ইধহমষধফবংয ঈষরসধঃব ঈযধহমব ঝঃৎধঃবমু ধহফ অপঃরড়হ চষধহ ড়ভ ২০০৯’ গ্রহণ করেছিলেন- যা দক্ষিণ এশিয়াকে বিশ্বের প্রথম উন্নয়নশীল অঞ্চল হিসেবে এমনই একটি সমন্বিত কর্মকৌশল বা কর্ম পরিকল্পনার আওতায় এনেছিল। বাংলাদেশ নিজস্ব জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট তহবিল গঠনকারী প্রথম দেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন বিষয়ে সরকার তার বার্ষিক বাজেটের ৬ থেকে ৭ শতাংশ বরাদ্দ করেছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০১১ সালে বাংলাদেশ সংবিধান সংশোধন করে রাষ্ট্রকে একটি সাংবিধানিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল ‘বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায়।’ আর তাই যারা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং এই গ্রহকে আগামী বছরগুলোতে মানুষের বসবাসের উপযোগী করে তোলার জন্য বিশ্বব্যাপী প্রচারণায় অংশ নিতে চান শেখ হাসিনা; তাদের জন্য একজন রোল মডেল। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি) আশা করে যে, ‘বিশ্বনেতাদের মধ্যে যারা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং প্যারিসের জলবায়ু সম্মেলন (ডিসেম্বর, ২০১৫) এর ঘোষণা অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য শেখ হাসিনা একজন অনুসরণীয় উদাহরণ হিসেবে থাকবেন।’ শেখ হাসিনা কেবল জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার বিরুদ্ধে সুদীর্ঘ যুদ্ধের জন্য তার দেশ ও জনগণকে প্রস্তুতই করছেন না, এই পরিবেশ বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেতে বৈশ্বিক সমর্থন পাওয়ারও চেষ্টা করছেন।

আরও পড়ুন:  কৃষি শিক্ষার হীরকবর্ষ

শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভৌগোলিক অবস্থা বিবেচনায় ভূরাজনীতিতে বাংলাদেশের একটি বিশেষ অবস্থান তৈরি হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার শান্তি প্রক্রিয়ায় এবং এর মাধ্যমে বৈশ্বিক সম্প্রীতিতে অবদান রাখার ব্যাপারে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজে শান্তির চ্যাম্পিয়ন ছিলেন এবং ১৯৭৩ সালে তাকে জুলিও কুরি পুরস্কার দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধুর রক্ত ও রাজনৈতিক আদর্শের উত্তরাধিকার শেখ হাসিনাও ১৯৯৭ সালে তার প্রথম প্রধানমন্ত্রিত্বের সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি করেছিলেন এবং তথাকথিত শান্তি বাহিনী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে কয়েক দশক ধরে চলা বিরোধের অবসান ঘটিয়েছিলেন। এই ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি জাতীয় সুরক্ষা পুনরুদ্ধারে কেবল সহায়তা করেছিল তাই নয়, এটি আঞ্চলিক শান্তি ও সম্প্রীতির পথকেও প্রশস্ত করেছে। তার সরকার ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা সীমান্ত বিরোধ নিরসন করেছে শান্তিপূর্ণভাবে। শুধু তাই নয়, তিনি কেবল মানবিক কারণে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নিপীড়নের ভয়ে পালিয়ে আসা কয়েক লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকেও আশ্রয় দিয়েছেন এবং ‘মানবতার মা’ হিসেবে স্বীকৃত হয়েছেন।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ষোলো কোটি মানুষের প্রাণপ্রিয় নেতা। দেশপ্রেম ও দূরদর্শিতা তার নেতৃত্বের মূল শক্তি। তিনি তার দেশ ও জনগণের অন্তহীন সম্ভাবনাগুলোকে সামনে নিয়ে এসেছেন। তিনি বুঝতে পেরেছেন যে, আজকের বিশ্বে দেশের জনসংখ্যা তার আয়তনের চেয়ে গুরত্বপূর্ণ। ভারত ও চীনের উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি তাদের জনসংখ্যা। তিনি ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছেন যে, এই ষোলো কোটি জনসংখ্যাকে যদি জনসম্পদে রূপান্তরিত করা যায়, তাহলে আমাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। শেখ হাসিনার উন্নয়নের মূলনীতিই হলো মানবসম্পদ উন্নয়ন। চতুর্থ শিল্প বিপস্নব এবং ফাইভ জি-এর সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপযোগী জনসম্পদ গড়ে তোলা এবং বাংলাদেশের অর্জিত ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্য সামনে নিয়ে তিনি দিনরাত কাজ করে চলেছেন।

শেখ হাসিনা সব বিবেচনাতেই বাংলাদেশের উন্নয়নের মুকুটহীন সম্রাজ্ঞী। বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। হাসিনা আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সার্বিক উন্নয়ন দিচ্ছেন! আমাদের সব সাফল্য শেখ হাসিনার মুকুটের শোভাপালক সম্ভার। তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘসময় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্বে দেশ সমৃদ্ধ হচ্ছে এবং দেশের মানুষের উন্নয়নের স্বার্থে আরও দীর্ঘ সময় তার দায়িত্বে থাকা জরুরি। তার নেতৃত্ব দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বের জন্যও জরুরি।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।