প্রচ্ছদ এক্সক্লুসিভ

সম্রাটের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ!

20
সম্রাটের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ!
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম ত’দন্ত চলাকালে সম্রাটের ডিওএইচএস ও কাকরাইলের দুটি ফ্ল্যাট ক্রো’কের নির্দেশচান।

শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এই দুটি ফ্ল্যাট ক্রোকের নির্দেশ দেন। গত ১২ নভেম্বর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আ’লম বাদী হয়ে মা’মলাটি করেন।

মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অ’বৈধ সম্পদ অর্জনের অ’ভিযোগে আনা হয়। গত ১৭ নভেম্বর এই মামলায় সম্রাটের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

আরো পড়ুন:- গো-খাদ্যের সংকট, কচুরিপানায় ভরসা! বর্ষার পানিতে গো-চারণ ভূমি ও ঘাসের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চাটমোহর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ক্ষেতগুলো পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় গরু, মহিষ, ছাগল-ভেড়া নিয়ে বিপাকে পড়েছেন খামারি ও পশু মালিকরা।

আরও পড়ুন:  রাতে স্বপ্নাদেশ, সকালে মাটি খুঁড়তেই মিললো গুপ্তধনের কলসি!

এ ছাড়া ভাটি এলাকায় গো-খাদ্যের সংকট বেশি হওয়ায় এসব এলাকার গো-খামারিরা চলনবিল এলাকা থেকে বেশি দামে খড় ক্রয় করে নৌকা ও সড়ক পথে নিয়ে যাচ্ছেন ভাটির দিকে। এদিকে মাঠ থেকে কাঁচা ঘাস সংগ্রহ করতে না পেরে চলনবিল এলাকার গরু-মহিষের মালিকদের খড়ের ওপর নির্ভরশীল হতে হচ্ছে।

খড়ের দাম বেশি হওয়ায় কেনা সম্ভব হচ্ছে না। তাই গরু-মহিষের খাদ্য চাহিদা মেটাতে বিকল্প হিসেবে পানিতে ভাসমান কচুরিপানার ওপর নির্ভরশীল হচ্ছেন সবাই। অর্থ সাশ্রয়ের জন্য গবাদি পশুকে খাওয়ানো হচ্ছে কচুরিপানা। সরেজিমন ঘুরে জানা গেছে,

পাবনার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, নাটোরের বড়াইগ্রাম, গুরুদাসপুর, সিংড়া, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া, তাড়াশ উপজেলার বেশ কিছু এলাকা এখনও বর্ষার পানিতে নিমজ্জিত। মাঠের পর মাঠ এখন পানির নিচে। এতে জমিতে কেউ ঘাস বপণ করতে পারছেন না।

চাটমোহর উপজেলার ছাইকোলা গ্রামের হাশেম উদ্দিন, বোঁথর গ্রামের আশরাফুল ইসলাম জানান, প্রতি মণ খড় প্রায় ৮০০ থেকে এক হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খইল ভূষির দামও অনেক বেড়েছে। বাধ্য হয়ে বিল ও নদী থেকে কচুরিপানা সংগ্রহ করে খাওয়াতে হচ্ছে। এতে গবাদি পশু মাঝে মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়ছে। গাভি গরুর দুধ উৎপাদন কমে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:  জমি কেনা-বেচার সময় জাল দলিল চেনার সহজ ৯ উপায়

চাটমোহর প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. রোকনুজ্জামান জানান, অনেক খামারি খাদ্য সংকটের কারণে এগুলো খাওয়াচ্ছেন বলে শুনেছি। প্রতিবছর বন্যার কারণে চলনবিল এলাকায় খাদ্য সংকট দেখা দেয়। তবে গবাদি পশুকে কচুরিপানা বা অন্যান্য গাছপালার পাতা না খাওয়ানো ভালো। এতে নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে জানান তিনি।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।