প্রচ্ছদ মুক্ত মতামত

রিফাত শরীফ হ*ত্যায় মিন্নি ইস্যুতে জজ মিয়া নাটক সাজাতে চাচ্ছে পুলিশ

67
পড়া যাবে: 4 মিনিটে

দেশের স্বনামধন্য আইনজীবী ও ব্লাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য জেড আই খান পান্না বরগুনার মিন্নির ইস্যুতে বলেছেন, এটা বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসন আমল নই। এটা স্বাধীন রাষ্ট্র। এসপি, ডিসি যা বলবে তাই এখানে হবে না। বরগুনার এসপি সাহেব বলে দিলেন মিন্নি দো*ষ স্বীকার করেছে, সঙ্গে সঙ্গে আমার তা বিশ্বাস করতে হবে? এই পুলিশই ২১ আগস্ট জজ মিয়ার গল্প সাজিয়ে ছিল। দেশবাসী কি তা ভুলে গেছে? পুলিশের কথায় কোন বিশ্বাস নেই।

এসময় তিনি আরও বলেন, জনগণের অধিকার হ*রণ হয় এমন কিছু করার এখতিয়ার কারও নেই। অ*পরা*ধীরও আ*ইনের সেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর খু*নিরা কি রাষ্ট্রের বিজ্ঞ আইনজীবী পায়নি? যু*দ্ধাপরা*ধী ও মা*নবতা বি*রোধী*রা কি আইনজীবী পায়নি? তবে ২০-২১ বছরের মেয়ে মিন্নি কেন আইনজীবী পাবে না শুরুতে ? তারও বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশো অনুষ্ঠানে টেলিসংযোগের মাধ্যমে তিনি এসব কথা বলেন। ইতোমধ্যে মিন্নিকে আইনি সহায়তা দিতে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ও ঢাকা আইনজীবী সমিতিসহ বিভিন্ন আইনজীবী সমিতি থেকে ইতোমধ্যে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ৪৭ জন আইনজীবী বরগুনা গেছেন বলে জানান বরেণ্য এই আ*ইনজীবী।

আইনজীবী ও ব্লাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য জেড আই খান পান্না

পাশাপাশি আসক ও ব্লাস্টসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরাও ওখানে থাকবেন। আইনে সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ আছে, একজন নিরপরাধ ব্যক্তিও যেন বি*না বি*চারে শা*স্তির সম্মুখীন না হয়। আমি রিফাত শরীফ হ*ত্যার সকল অ*পরা*ধীর বি*চার দাবি করছি। সে যদি মিন্নিও হয়। তবে বি*না বিচারে কেউ যেন শা*স্তি না পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে রাষ্ট্রকে।

জেড আই খান পান্ন ডিআইজি মিজানের জি*জ্ঞসাবা*দের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, আমরা ডিআইজি মিজানের অনেক বিষয় দৃশ্যমান দেখেছি, তাকে জি*জ্ঞাসবা*দ করতে জেল গে*টের কথা বলা হয়েছে। অথচ ২০ বছরে একটি মেয়েকে থানায় জি*জ্ঞাসাবা*দ কেন?

এক দেশে দুই আইন হতে পারে না। এটা লাখ মানুষের র*ক্তের বিনিময়ে অ*র্জিত স্বাধীন বাংলাদেশ। এটা অ*ন্যায্যই নয় সম্পূর্ণ অন্যায় বলে আমি মনে করি। এক রাষ্ট্রে দু ধরনের ব্যবস্থা থাকতে পারে না। রাষ্ট্র সকলের, এখানে কে কি, তা মুখ্য নয়, মুখ্য হল অ*পরা*ধী-অ*পরা*ধীই।

মিন্নির বাবা বলেছে- তার মেয়েকে জো*র করে পুলিশের শিখিয়ে দেয়া বক্তব্য ম্যা*জিস্ট্রে*টের কাছে ১৬*৪ ধা*রায় স্বী*কারো*ক্তি দিয়েছে। কাউকে বাঁচানোর জন্য রাষ্ট্র পুলিশবাহিনীর ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেনি। আমি দেখতে পেলাম মিন্নি কি যেন বলতে চেয়েছিল, তার মুখ ঝা*পটে ধরে দুই মহিলা পুলিশ। এটা কি স*ভ্যতার পরিচয়। না আইনের শা*সন।

রাষ্ট্রের নির্বাহী সদস্যরা এসব কি করছে? এতে কি সরকারে সুনাম বাড়ছে? এক রাষ্ট্রে দুই ধরণের নিয়ম চালু থাকতে পারে না। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, এখানে পুলিশ বাহিনী যা করছে তা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্গন। ২১ আগস্ট জজ মিয়ার নাটক তৈরি করা হয়েছিল। মিন্নির ক্ষেত্রে পুলিশ সেই অবস্থা অবলম্বন করেছে। তা কিন্তু নির্বাহী বিভাগের জন্য ভালো নয়। সরকার কিন্তু প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে ভুল করে যাচ্ছে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

Loading...

আপনার মতামত লিখুন :

Loading Facebook Comments ...