প্রচ্ছদ এক্সক্লুসিভ অবশেষে বেরিয়ে আসছে ,কিভাবে তথ্য বি*কৃত করে মি*থ্যাচার করেছে প্রিয়া সাহা

অবশেষে বেরিয়ে আসছে ,কিভাবে তথ্য বি*কৃত করে মি*থ্যাচার করেছে প্রিয়া সাহা

73
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ড. আবুল বারকাত তার তথ্য-উপাত্ত প্রিয়া সাহা বি*কৃতভাবে উপস্থাপন করেছেন বলে জানিয়েছেন।

গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে আবুল বারকাত বলেন, প্রিয়া সাহা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ পত্র-পত্রিকায় সংখ্যাল*ঘু সম্প্রদায়ের দেশত্যাগ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আমার নাম উল্লেখপূর্বক কিছু তথ্য-উপাত্ত বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেছেন।

অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ড. আবুল বারকাত
অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ড. আবুল বারকাত

রোববার প্রিয়া সাহা নিজের পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ‘শারি’ এর ইউটিউব চ্যানেলে পোস্ট করা ৩৫ মিনিটের একটি ভিডিও বার্তায় সংখ্যাল*ঘুরা দেশ থেকে ‘ডি*সঅ্যাপিয়া*র’ হয়ে যাচ্ছে বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন তার ব্যাখ্যা দেন।

বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ প্রায় ৩৭ মিলিয়ন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান নি*শ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন জানতে চাইলে প্রিয়া সাহা বলেন-

‘অন্য তথ্য তো অবশ্যই আছে, আপনারা জানেন অধ্যাপক আবুল বারকাত এই পরিসংখ্যান বইয়ের ওপর ভিত্তি করেই গবেষণা করেছেন। এবং সেই গবেষণায় উনি দেখিয়েছেন যে- বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন ৬৩২ জন লোক হা*রিয়ে যাচ্ছে। এবং কী পরিমাণে ক্রমাগত লোক হ্রাস পেয়েছে। পরিসংখ্যান বই নিয়ে ২০১১ সালে আমি স্যারের সঙ্গে সরাসরি কাজ করেছি। যার কারণে বিষয়টা সম্পর্কে আমি অবহিত’।

আরও পড়ুন:  প্রিয়া সাহা দেশের ধর্মনিরপেক্ষ বুদ্ধিজীবীদের ‘লুঙ্গি’ খু*লে দিয়েছেন

তবে সোমবার আবুল বারকাত তার স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি (প্রিয়া সাহা) বলেছেন যে, বাংলাদেশে ৩৭ মিলিয়ন (৩ কোটি ৭০ লাখ) হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান নি*খোঁজ রয়েছেন। এর পরে ভিডিও-সাক্ষাৎকারে তিনি আমরা নাম উল্লেখ করে বলেছেন যে, উল্লেখিত পরিসংখ্যান আমার গবেষণা উদ্ভূত তথ্য-উপাত্তের সঙ্গে মিলে যায় (অথবা একই)।’

‘তিনি এও বলেছেন যে “বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন ৬৩২ জন লোক হা*রিয়ে যাচ্ছে। ২০১১ সালে স্যারের সঙ্গে সরাসরি কাজ করেছিলাম যার কারণে বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবহিত।’’ এরপর অর্থনীতিবিদ আবুল বারকাত বলেন, ‘প্রিয়া সাহার উপরোক্ত বক্তব্যসমূহের সঙ্গে আমার গবেষণালব্ধ তথ্য-উপাত্তের কোনোই মিল নেই।’

তিনি বলেন, আমার গবেষণায় যা আছে তা হলো-“আমার হিসেবে প্রায় পাঁচ দশকে (১৯৬৪ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত) আনুমানিক ১ কোটি ১৩ লাখ হিন্দুধ*র্মাবলম্বী মানুষ নি*রুদ্দিষ্ট হয়েছেন” (উৎস: আবুল বারকাত, ২০১৬, বাংলাদেশে কৃষি-ভূমি-জলা সংস্কারের রাজনৈতিক অর্থনীতি, পৃ:৭১)।

আরও পড়ুন:  বাংলাদেশে হিন্দুর সংখ্যা কমেনি, বরং অনেক বেড়েছে

অর্থাৎ আমি কোথাও ‘৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান নি*খোঁজ রয়েছেন”- এ কথা বলিনি। উপরন্তু তিনি কোথাও বললেন না যে আমার গবেষণা তথ্যটির সময়কাল ৫০ বছর- ১৯৬৪ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত।’

আবুল বারকাত আরো জানান, প্রিয়া সাহা কখনো আমার সহ-গবেষক, গবেষণা সহযোগী অথবা গবেষণা সহকারী ছিলেন না। তিনি জানান, ২০১১ সালে সরকারি আদমশুমারির তথ্যের ভিত্তিতে ১৯০১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত মোট জনসংখ্যায় বিভিন্ন ধর্মগোষ্ঠির আনুপাতিক হার উল্লেখ করেছি মাত্র।

আবুল বারকাত বলেন, একজন সমাজ গবেষক হিসেবে আমি নিশ্চিত হতে চাই যে প্রিয়া সাহা আমার নাম উল্লেখপূর্বক যেসব বি*ভ্রান্তিমূ*লক ও নীতি গ*র্হিত বক্তব্য দিয়েছেন তিনি অতি দ্রুত তা প্রত্যাহার করবেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট: