প্রচ্ছদ উপজেলা একে অন্যকে ‘ছেলে ধ’রা’ বলে গ’ণ ধো’লাই খেলেন স্বামী-স্ত্রী

একে অন্যকে ‘ছেলে ধ’রা’ বলে গ’ণ ধো’লাই খেলেন স্বামী-স্ত্রী

73
পড়া যাবে: < 1 minute

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার মাঝে একজন আরেকজনকে ‘ছে’লে’ধ’রা’ বলায় গ’ণ ধো’লাই খেতে হয়েছে দুজনকেই। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নয়নপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গ’ণ ধো’লাই দেওয়ার পর স্বামী পালিয়ে গেলেও স্ত্রীকে আ’টক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। জি’জ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

জানা গেছে, পরিবারের এক বন্ধুকে নিয়ে বাড়ি ফেরার উদ্দেশে রিকশা খুঁজছিলেন ওই স্বামী-স্ত্রী। এর মধ্যে ঝগড়া বাধে দুজনের। একপর্যায়ে চরমপর্যায়ে চলে যায় সেই ঝগড়া। এর মধ্যেই রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে স্বামীকে ইঙ্গিত করে ‘ছে’লে ধ’রা’ বলে চিৎকার করে ওঠেন স্ত্রী। তখন স্বামীও স্ত্রীকে ইঙ্গিত করে ‘ছে’লে ধ’রা-ছে’লে ধ’রা’ চিৎকার করতে থাকেন। পরিবারের ওই বন্ধুটি দুজনকে সামলাতে চাইলেও পারছিলেন না।

আরও পড়ুন:  গলায় ১৪ সে*লাই থাকলেও পুলিশ এ*জাহারে শুধু চা*মড়া ছি*লেছে

ততক্ষণে আশেপাশের মানুষজন জড়ো হয়ে যায়। একপর্যায়ে স্বামী-স্ত্রীকে আলাদা করে পে’টাতে শুরু করেন তারা। গ’ণ ধো’লাইয়ের শি’কার হন ওই পরিবারিক বন্ধুও। বি’ক্ষুব্ধ জনতার গ’ল ধো’লাই খেয়ে স্বামী ও বন্ধুটি পালিয়ে গেলেও বাঁচতে পারেননি স্ত্রী।

জানা গেছে, ওই নারীর নাম তানিয়া। তিনি স্থানীয় বেড়াইদেরচালা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা এবিএম তাজউদ্দিনের মেয়ে। গ’ণ পি’টুনি খাওয়ার সময় তিনি চিৎকার করে বলছিলেন, ‘তার স্বামী আরেক বিয়ে করেছেন শুনে ঝগড়া বাধে তাদের মধ্যে। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে,ছে’লে’ধ’রা নন।

কিন্তু বিক্ষুব্ধ জনতা তার কথা কানে তোলেনি। পরে শ্রীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তানিয়াকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। প্রাথমিক জি’জ্ঞাসাবাদে তিনি বার বার একই কথা বলেছেন।

আরও পড়ুন:  রাজশাহীতে উ*দ্ধার গাজীপুরের স্কুলছাত্রীর দুই সহপাঠির সন্ধান মিলেছে

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল হক জানান, তানিয়াকে জি’জ্ঞাসাবাদের সময় তিনি মুক্তিযোদ্ধা তাজউদ্দিনের মেয়ে বলে জানিয়েছেন। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। স্বামী-স্ত্রী ঝগড়া করছিলেন। সে সময় একজন আরেকজনকে ছে’লে ধ’রা বলায় জনতা গ’ণ ধো’লাই দেয় তাদের।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট: