প্রচ্ছদ আইন-আদালত

লঞ্চে হত্যা করে লাশ নদীতে, আসামির জামিন আবেদন খারিজ

11
লঞ্চে হত্যা করে লাশ নদীতে, আসামির জামিন আবেদন খারিজ
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

বাংলা ম্যাগাজিন ডেস্ক  :     বেড়ানোর কথা বলে লঞ্চের কেবিনে নিয়ে প্রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্র হাবিবুর রহমানে সিফাতকে (১৭) হত্যা করে লাশ বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দেয়ার ঘটনায় আসামি মেহেদী হাসান নেহালের জামিন আবেদন খারিজ করেছেন হাইকোর্ট।

আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের ভার্চ্যুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আবেদনের পক্ষে আদালতে আজ শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ আইয়ুব হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ড. মো. বশির উল্লাহ।

এ বিষয়ে দৈনিক যুগান্তরে ২৫ এপ্রিল একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের এসআই জহিরুল ইসলাম বলেন, খুনের মূল পরিকল্পনাকারী মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র তামিমের সঙ্গে হাবিবুর রহমান সিফাতের(ভিকটিম) বন্ধুত্ব ছিল। এ বছর সিফাত প্রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। তারা সিনিয়র ও জুনিয়র হলেও একসঙ্গে চলাফেরা করত, মাঝে-মধ্যে আড্ডা দিত। তারা ক্রিকেট খেলত। সিফাত থাকত নানা বাড়ি কেরানীগঞ্জের ওয়াশপুরে। একই এলাকায় ভাড়া থাকত তামিম। মিথ্যা তথ্য দিয়ে সিফাতকে সদরঘাট এলাকায় ঘুরতে নিয়ে যায় তামিম। পরিকল্পনা অনুযায়ী তামিম পানির বোতলে ঘুমের বড়ি মিশিয়ে নেয়।

আরও পড়ুন:  ‘স্যার রিমান্ডটা একটু কনসিডার করেন’

এছাড়া বস্তা, ছোরা ও গামছা ব্যাগে করে নিয়ে যায়। আগে থেকে লঞ্চঘাটে অবস্থান করা নেহাল পারাবত-৯ লঞ্চের তিনতলার একটি কেবিন বুকিং করে। লঞ্চে উঠে তারা সরাসরি সিফাতকে কেবিনে নিয়ে যায়। সেখানে কৌশলে সিফাতকে ঘুমের ওষুধ মেশানো পানি খেতে দেয়া হয়। এরপর তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তামিম ও নেহাল। সিফাতের পেট কেটে বস্তায় পুরে চাঁদপুর নদীর মোহনায় ফেলে দেয় তারা। হত্যার পর নেহাল গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি জেলার নলসিটিতে চলে যায়। সেখানে সে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এরপর সেখান থেকে তামিম মাওয়া হয়ে ঢাকায় চলে আসে। ঢাকায় এসে সিফাতের মোবাইল ফোন থেকে তামিম তার মাকে (সিফাত) ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। সিফাতের মা দুই দফায় তাকে ২২ হাজার টাকা দেয়। এসআই জহিরুল জানান, প্রথমে প্রযুক্তির সহায়তায় তামিমকে রাজধানীর কাটাসুরা এলাকা থেকে আটক করা হয়। এরপর তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নেহালকে নলছিটি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও পড়ুন:  অবৈধ সম্পদ : পাপিয়া দম্পতির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ১৩ সেপ্টেম্বর

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 5
    Shares