প্রচ্ছদ বাংলাদেশ উপজেলা

আবিরের কা’টা মা’থা খুঁজে বের করতে অ’ভিযান চালানো হচ্ছে

76
পড়া যাবে: 4 মিনিটে

এবার চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় কয়রাডাঙ্গা গ্রামে একটি আমবাগান থেকে আবির হুসাইন (১১) নামে নি’খোঁজ মাদ্রাসাছাত্রের মা’থা বি’হীন লা’শ উ’দ্ধার করেছে পুলিশ। এর আগে গত বৃহস্পতিবার নেত্রকোনার নিউটাউনে এক শিশুর গ’লা কা’টা ম’স্তক নিয়ে যাওয়ার সময় গ’ণ পি’টুনিতে এক যুবক নি’হত হয়। গতকাল মঙ্গলবার রাতে নি’খোঁজ হয়েছিল চুয়াডাঙ্গার কয়রাডাঙ্গা নুরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার নুরানী বিভাগের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র আবির হুসাইন।

আজ বুধবার সকাল ৯টার দিকে তার ‘মা’থা কা’টা’ লা’শ উ’দ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হা’সপাতাল ম’র্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। আবিরের মাথা খুঁজে বের করতে অভিযান চালানো হচ্ছে। নি’হত আবির ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলী হোসেনের ছেলে। গত মাসে তাকে ওই মাদ্রাসায় ভর্তি করা হয়।

আরও পড়ুন:  বিএনপি’র শামসুজ্জামান দুদুর বাড়িতে ছাত্রলীগের হা*মলা

মাদ্রাসার মুহতামিম মো. আবু হানেফ জানান, গতকাল এশার নামাজের পর থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না আবিরকে। এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে মাদ্রাসার সবাই মিলে তাকে খোঁজাখুঁজি করে। কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া যায়নি। আজ সকাল সাতটার দিকে খাদিমপুর মোড়ের ইটভাটার পার্শ্ববর্তী আমবাগানে ম’স্তকবি’হীন একটি লা’শ পড়ে থাকতে দেখে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে খবর দেয় গ্রামবাসী।

খবর পেয়ে আমবাগানে পৌঁছে পড়ে থাকা লা’শটি নি’খোঁজ আবিরের বলে নিশ্চিত করেন মাদ্রাসার মুহতামিম। এরপর বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল ম’র্গে পাঠায়।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুন্সী আসাদুজ্জামান জানান, মাদ্রাসাছাত্রের লা’শ উদ্ধারের ঘটনাটি সত্য। ম’য়নাত’দন্তের জন্য লা’শ ম’র্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আ’টক করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:  ধ*র্ষণ চে*ষ্টার মা*মলা তুলে না নেয়ায় মা-বাবাকে বেঁধে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে গ*ণ ধ*র্ষণ

আসাদুজ্জামান বলেন, ‘মাদ্রাসাছাত্রটি গতকাল থেকে নি’খোঁজ ছিল। তার বি’চ্ছিন্ন মা’থাটি খোঁজা হচ্ছে। আমরা ত’দন্ত করছি। এ ঘটনায় মা’মলা দা’য়েরের প্রস্তুতি চলছে।’ লা’শ উদ্ধারের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান পিপিএম (বার), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কানাই লাল সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর ও আলমডাঙ্গা সার্কেল) মোহা. কলিমুল্লাহ ও আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুন্সী আসাদুজ্জামান।

পুলিশ সুপার মাহবুবুর বলেন, ‘হ’ত্যাকা’ণ্ডের বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে ত’দন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার নেপথ্যে কী আছে সেটি অনুসন্ধানে আমাদের বেশ কয়েকটি ইউনিট ইতিমধ্যে কাজ শুরু করছে। খুব শিগগিরই আমরা প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করতে পারবো।’

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট