প্রচ্ছদ রাজনীতি অন্যান্য দল

মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ জাতির অহংকার

10
মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ জাতির অহংকার
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ সমগ্র জাতির অহঙ্কার। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানেরও নেতা ছিলেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রিাতষ্ঠায় তার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। ১৯২২ সালে উপমহাদেশে স্বাধীনতা-সংগ্রামের রক্তাক্ত অধ্যায় ঐতিহাসিক ‘সলঙ্গা বিদ্রোহে’ নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সেদিনের তরুণ বিপ্লবী আবদুর রশীদ।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ভারত উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশ গণআজাদী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশের ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানী সামরিক কবরস্থানে তার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন, ফাতেহা পাঠ ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ গণআজাদী লীগ মহাসচিব মুহম্মদ আতাউল্লাহ খানের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, বাংলাদেশ জনতা লীগ চেয়ারম্যান শেখ ওসমান গনি বেলাল, গণআজাদী লীগের সহ-সভাপতি প্রফেসার আমিনুর রহমান, প্রেসিডিয়াম সদস্য মুহাম্মদ নাঈম হাসান, লায়ন আলহাজ্ব রুহুল আমিন চিশতি, মোঃ হারুন অর রশীদ, আলহজ্ব মোঃ আকবর হোসেন, মোঃ জাকির হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব মোঃ আবদুল হাই সবুজ, জহিরুল ইসলাম মিঠু, সাংগঠনিক সম্পাদক এহতেছামুল হক রুবেল, অর্থ সম্পাদক তাজুল ইসলাম লিটন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোঃ আলী জিন্নাহ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য খোন্দকার মোঃ সাইফুল আলম সবুজ, ইঞ্জিঃ মোঃ আলমগীর হোসেন, মোঃ সহিদুল আসলাম, মোঃ শফিকুল ইসলাম, যুবনেতা মোঃ মোস্তফা প্রমুখ।

আরও পড়ুন:  জনগন আওয়ামী দুঃশাসন থেকে মুক্তি চায় : বুড়িচংয়ে ডাঃ ইরান

বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, উপমহাদেশের আজাদী আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের গোড়াপত্তন যে-ভাষা আন্দোলনে, তার গোড়ায় ছিলেন মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ। যে-রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা, তারও নেতৃত্ব দিতে কুন্ঠিত হননি তিনি। বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে তাঁর নামটি তাই অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। তাঁকে আমরা ভুলিনি।

তিনি বলেন, মাওলানা তর্কবাগীশ ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে আশির দশকে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন অবধি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের জাতীয় পরিষদের প্রথম সভাপতি হিসেবে মাওলানা তর্কবাগীশ সর্বপ্রথম বাংলায় যে সংসদীয় কার্যপ্রণালি প্রবর্তন করেন তা আজও চালু আছে। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু সরকার মাদ্রাসা শিক্ষা পুনরায় চালু করে মাওলানা তর্কবাগীশের পরামর্শে। শুধু তাই নয়, মাদ্রাসা শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনে তিনি রাখেন নজিরবিহীন ভূমিকা। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত ও বাসস্তবোচিত রূপে গড়ে তোলেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনেরও প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে ভূমিকা পালন করেন মাওলানা আবদুর রশীদ।

আরও পড়ুন:  ঢাকার দুই উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী যারা

সভাপতির বক্তব্যে মুহম্মদ আতাউল্লাহ খান বলেন, সন্তানসম বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশের ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি বলে প্রমাণিত হয়েছে। মৃত মুজিব জীবিত মুজিবের চেয়েও যে শক্তিশালী স্থান করে নিয়েছেন জনমনে তাতে কোনো দ্বিমতের অবকাশ নেই।

তিনি বলেন, দুর্নীতি-দুবৃত্তায়নের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রামে তিনি মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ আমাদের অনুপ্রেরনার উৎস। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের রক্তসিঁড়ি সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক, ঋণসালিশী বোর্ড প্রবর্তনের পথিকৃৎ, বর্গা আন্দোলনের অবিসংবাদিত কান্ডারি, দেশ ও জাতির প্রয়োজনে অকুতোভয় যোদ্ধা এই মহান নেতা, আজীবন গণমানুষের নেতা।

আলোচনার পূর্বে বাংলাদেশ গণ আজাদী লীগ ও অংঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে এবং বাংলাদেশ ন্যাপ, বিজেএল, তর্কবাগীশ পরিষদ, সোসাইটি ফর এনলাইটিং ন্যাশনের পক্ষ থেকে মরহুমের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এছাড়াও সিরাজগঞ্জসহ সারাদেশে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 4
    Shares